প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে: স্বাস্থ্য আন্দোলন


প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ ও স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থাপনার আলোকে করনীয় প্রস্তাব শীর্ষক মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয় ১১ মার্চ, ২০১৪। রমেশচন্দ দত্ত স্মৃতি মিলন কেন্দ্র (ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন)


11 march 14


সভায় মোট অংশগ্রহণকারী ছিলেন ২৯ জন মতবিনিময় সভাটি সঞ্চালনা করেন পলাশ বড়াল, পরিচালক উবিনীগ। সভা প্রভধান ফরিদা আখতার, যুগ্মআহ্বায়ক স্বাস্থ্য আন্দোলন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সরকারি বেসরকারি পর্যায়ের ডাক্তার, হাকিম, ফার্মাসিষ্ট, আর্য়ুবেদ ডাক্তার, সমাজ কর্মী, ছাত্র, স্বাস্থ্য আন্দোলন নেটওয়ার্কের সদস্যসহ অন্যান্য সংগঠনের প্রতিনিধি বৃন্দ।

মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন সৈয়দ মাহবুবুল আলম, পরিচালক, ডাব্লি¬উ বিবি ট্রাস্ট। ওষুধের অবাধ বাণিজ্য নকল ও ভেজাল ঔষুধের বিস্তারিত বিষয় তিনি তার উপস্থানায় তুলে ধরেন।

অন্যান্য বক্তা

মো: আমিনুর রসুল,মেম্বার সেক্রেটারি, উন্নয়ন ধারা ট্রাস্ট।

এ. কে. এম মাকসুদ, বাংলাদেশ হেলথ্ এসোসিয়েশন।

ডা. রাশিদা বেগম, এসোসিয়েট প্রফেসার, ডিপার্টমেন্ট অব ম্যাটারন্যাল এন্ড চাইল্ড হেলথ, নিপসম।

ড. এ এম এম আনিসুল আউয়াল,পরিচালক, প্রশিক্ষণ এম সি এইচ, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট (নিপোর্ট)।

অধ্যাপক ডা. মেসবাহ্ উদ্দিন আহমেদ, বিভাগীয় প্রধান ,গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও

সেক্রেটারি জেনারেল বাংলাদেশ শিশু চিকিৎসক সমিতি।

মোঃ হাবিবুল্লাহ, ফার্মাস্টি,তামিম এন্টার প্রাইজ।

আলহাজ হারুন অর রশীদ, ফার্মাসিস্ট।

ডা.সালেক আহমেদ, মেডিসিন বিভাগ, আলরাজী হাসপাতাল।

জিয়াউল ইসলাম, ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল।

এস এম সৈকত, নির্বাহী পরিচালক, সিরাক বাংলাদেশ।

আলমগীর কামাল, হামদর্দ ল্যাবরেটরি।

ডা.আরমান, গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল।

মোঃ জিয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ হেলথ্ এসোসিয়েশন।

সভায় বক্তারা ঔষুধের ক্রমবর্ধমান মূল্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশেষ কোম্পনির ওষুধ দেয়ার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের ভূমিকা নিয়ে ও সমালোচনা করা হয়। ওষুধ ব্যবসায়ীরা তথাকথিত ডিসকাউণ্ট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করেন।

সভায় বক্তারা দাবী জানান যে, প্রয়োজনীয় ওষুধ জেনেরিক নামে বাজার জাত করতে হবে, নিম্ন ও ভেজাল ওষুধের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

পুরা প্রতিবেদন অচিরে এখানে পাওয়া যাবে।

 


Click Here To Print


Comments Must Be Less Than 5,000 Charachter