Search  Phonetic Unijoy  English 

ফরিদা আখতার


Tuesday 27 October 15



print

দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা হঠাৎ করেই যেন আবার অস্থির হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার বিষয় হচ্ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে, যার প্রভাব সরাসরি অর্থনীতির ওপর পড়ছে। কারণ এখন নিরাপত্তা ঝুঁকির সঙ্গে বিদেশিরাও সরাসরি জড়িয়ে গেছে। কিন্তু তার মানে এ নয় যে, দেশের মানুষ খুব নিরাপত্তা বোধ নিয়ে আছে। কাউকেই মনে হয় না ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করতে। এসব নিয়ে এত কথা আর আলোচনা হচ্ছে যে, আমি আর কিছু বলতে চাই না। শুধু আশুরার মধ্যরাতে তাজিয়ার প্রস্তুতিতে যে হামলা ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, তা আমার কাছে মর্মান্তিক মনে হয়েছে। কারবালা আমাদের এমন বাস্তবভাবে মনে করিয়ে দেবে কেউ- এটা ভাবতেই কষ্ট হয়।

সবচেয়ে বিরক্তিকর হচ্ছে এসব কিছুর সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর বেসামাল তর্ক। তারা মনে করছে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, তাই তাকে পিছিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এ নিয়ে ক্ষমতাসীন দল ব্যাকুল হয়ে উঠছে। দেখা যাক, দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাটা আসলে কী। প্রতি সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভার বৈঠক হয়। ২৬ অক্টোবরের সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ২০১৪ সালের জুলাই থেকে ২০১৫-এর জুন পর্যন্ত সময়ের যে প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে তাতে দেখা যায়, গত এক বছরে ইপিজেডে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ কমেছে। সংখ্যা এবং টাকার অঙ্কে অডিট আপত্তি বেড়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, অস্ত্র আইন সংক্রান্ত অপরাধ বেড়েছে। জনশক্তি রফতানি কমেছে। জনশক্তি পাঠানোর তুলনায় ফিরে আসার হার বেশি। কার্যত গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে পিছিয়েছে বাংলাদেশ। তবে বিদ্যুৎ, রফতানি, মাথাপিছু আয় ও রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদ্যুতে লোডশেডিং কমেছে। খাদ্যের মজুদ বেড়েছে (দৈনিক কালের কণ্ঠ, ২৭ অক্টোবর), যা বেড়েছে বা কমেছে সবই ভালো অবস্থার ইঙ্গিত দেয় না। সব মিলিয়ে দেখতে গেলে দেশের অর্থনীতির অবস্থা ভালো নয়। এ কথা বললে কেউ রাগ হবেন কি?

মন্ত্রিপরিষদ সভায় উদ্বেগজনক পরিস্থিতি হিসেবে ওঠে এসেছে অপরাধের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার তথ্য। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য থানায় অন্তর্ভুক্ত মামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কাজেই পুলিশের ওপর যদি নির্দেশ থাকে মামলা নেয়া হবে না, তাহলে যত বড় অপরাধের ঘটনাই ঘটুক, থানায় মামলা হয় না এবং সেটা মন্ত্রিপরিষদে উত্থাপিত হবে না। ফলে এ নিয়ে কোনো চিন্তাভাবনাও হবে না। এবারের মন্ত্রিপরিষদ সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন থানায় অন্তর্ভুক্ত অপরাধের বাইরেও অনেক অপরাধ হয়। তারা বলেছেন, পুলিশ সব সময়ই চায় অপরাধ কম দেখাতে। এ মানসিকতা থেকেই পুলিশ জিডি নিতে চায় না, মামলা তো দূরের কথা। খুন হওয়া বস্নগার মৃত্যুর আগে থানায় অভিযোগ করেছেন তার জীবন হুমকির মুখে। তারপরও সে অভিযোগ আমলে নেয়নি পুলিশ। আরেক বস্নগার থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তো তাকে দেশ ছেড়েই চলে যেতে বলে পুলিশ (কালের কণ্ঠ, ২৭ অক্টোবর)।

মন্ত্রিপরিষদ সভায় পেশ করা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, অস্ত্র আইন সংক্রান্ত অপরাধ বেড়েছে। ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৩ হাজার ৭৮৬টি। নারী নির্যাতনের ঘটনা ১৬ হাজার ১০২টি। আর অস্ত্র আইন সংক্রান্ত অপরাধ ২ হাজার ১৮টি। আমরা উদ্বেগের সঙ্গেই প্রায় লক্ষ করছি নারী নির্যাতন, হত্যা, যৌন হয়রানি বেড়েই চলেছে। এমনকি সাবেক সংসদ সদস্যের বাড়িতেও পুত্রবধূর লাশ পাওয়া যায়। টিভি স্ক্রলে একটু দেখা গেলেও পরে চুপ। বিভিন্ন জায়গায় নারীর মৃতদেহ পাওয়া যাচ্ছে। দেশের অন্যান্য অস্থিরতার মধ্যে নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলো চাপা পড়ে যাচ্ছে।

সামাজিক এ সূচকগুলোতে বাংলাদেশ এগোতে না পারলে যতই অর্থনৈতিক উন্নতি হোক না কেন, তাকে স্বাগত জানানো যাবে না। দেশে নারীদের জন্য এত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড হয়ে যাচ্ছে আর ওইদিকে ঘরে ঘরে তাদের লাশ বের হয়ে আসবে, পড়াশোনা করতে গেলে নিরাপদ থাকবে না, কাজ করতে গেলে হয়রানির শিকার হবে, একে আমরা উন্নতি বলতে পারি না।

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন শুধু পবৃদ্ধির বিষয় নয়, সামাজিকভাবে যারা দেশের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিতে চান তাদের জন্যে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ কখন কী হিসাব করল, তা নিয়ে মোটেও বিচলিত হয় না। কিন্তু দেখা যায়, সরকার এ নিয়ে খুব অস্থির হয়ে যায়। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক বলেছে, অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও রফতানি আয় প্রত্যাশিত পরিমাণে বাড়লে বাংলাদেশ চলতি অর্থবছর ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি পেতে পারে। বিশ্বব্যাংক অবশ্য একই সঙ্গে বলেছে, অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে প্রচুর। তারা বলেছে, বাংলাদেশ সরকার এ বছর ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির যে আশার কথা শুনিয়েছে, তা অর্জন করতে হলে বেসরকারি খাতে 'প্রচুর বিনিয়োগ' পেতে হবে। এ নিয়ে বিশাল হট্টগোল শুরু হয়ে গেল। রাজনৈতিকভাবে দোষারোপ শুরু হলো যে, অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছিল বলেই এত হত্যাকান্ড ঘটছে। দেশকে পিছিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ বিশ্বব্যাংকের তথ্যের পাল্টা তথ্য সরকারপক্ষ থেকে দেয়া হচ্ছে না। মন্ত্রিপরিষদ সভায় অর্থনৈতিক অবস্থার যেসব বিষয় ওঠে এসেছে বিশ্বব্যাংক প্রতিবেদনের চেয়ে ভিন্ন কিছু নয়। যেমন বিশ্বব্যাংক বলছে, 'আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ভালো নয়। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রবৃদ্ধি ভালো ছিল; কিন্তু চলতি বছর তা কমার লক্ষণ দেখা দিয়েছে।' রেমিট্যান্স প্রায় ২ শতাংশ কমেছে। বিলিয়ন টাকার মধ্যে ২ শতাংশ কম কথা নয়। এর প্রভাব অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে পড়ছে। জনশক্তি রফতানি কমছে আর প্রবাসী শ্রমিক ফিরে আসার সংখ্যাও বাড়ছে। জনশক্তি ছাড়াও সাধারণ পণ্য রফতানি বাজারও খুব আশাব্যাঞ্জক নয়। গত অর্থবছরের তুলনায় তা কমেছে এবং ১ শতাংশে নেমে এসেছে।

মজার বিষয় হলো, বিশ্বব্যাংক সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির কারণে ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে, ফলে ভোগ বাড়বে। তাই জিডিপিতে ০.৯ শতাংশ যোগ হবে বলে আশা করছে। অথচ সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে এবং তাদের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি এক বাড়তি বোঝা বয়ে আনবে। সরকার নিজেদের বেতন বাড়িয়ে খুশিতে আটখানা। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বেতনও বেড়েছে। কিন্তু তাদের ভোগ কি অর্থনীতির জন্য খুব উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবর্তন ঘটাবে?

বিশ্বব্যাংকের আরেকটি পরিসংখ্যান তাৎপর্যপূর্ণ মনে হয়েছে। মোট প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে এবার কৃষি খাত গত বছরের তুলনায় কমেছে। গত অর্থবছরে ছিল শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ, এবার হয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ, যদিও শিল্প খাতে বেড়ে হয়েছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ আর বেসরকারি খাতে কিছুটা বেড়ে হয়েছে ৩ শতাংশ। কৃষিতে এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগ বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। কিন্তু একই সঙ্গে সরকারকে দেখতে হবে কৃষি জমি কৃষি ফসল উৎপাদনের জন্য কতখানি ব্যবহার হচ্ছে? তামাক কোনো কৃষি ফসল নয়, কোনো খাদ্য নয়; অথচ তামাক চাষ বিভিন্ন জেলায় ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে। এর ফলে সরাসরি রবি মৌসুমের কমপক্ষে ২৮ জাতের ফসল উৎপাদিত হতে পারছে না। এবং আগে যেখানে তামাক চাষ করা হয়েছিল সেখানে অন্য ফসল সহজে করা যাচ্ছে না। এ নিয়ে সরকারের কিছু ইতিবাচক উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে এবং তামাক নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা হলে হয়তো এ ধরনের ধ্বংসাত্মক ক্ষতি থেকে কৃষি খাত এবং কৃষক রক্ষা পাবেন। মানুষও ঘাতক রোগ থেকে রক্ষা পাবে। অন্যদিকে কৃষক এখন নানা ধরনের প্রযুক্তির নামে বিদেশি কোম্পানির খপ্পরে পড়ে যাচ্ছে এবং আমাদের দেশের কৃষি জমি বিদেশে ক্রমাগতভাবে বাতিল হওয়া জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তির পরীক্ষাগারে পরিণত হচ্ছে। এর ফলে কৃষি স্বাভাবিকভাবে অর্থনীতিতে যে অবদান রাখছিল, এখন আর তা হতে পারছে না। আমাদের কৃষি জমিই বা কতটুকু, তাও আবার শিল্পকারখানা, রিয়েল ইস্টেট ইত্যাদিতে ধানের সবুজ ক্ষেত ভরে যাচ্ছে। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল যাওয়ার পথে এখন আর সেই ধান ক্ষেত দেখা যায় না। বড় বড় শিল্প মালিকদের আলিশান স্থাপনাই দেখা যায় বেশি। তাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা তামাক চাষ ও ব্যবসায় জড়িত। অর্থাৎ দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির জন্য নয়, তারা ক্ষতিকর কাজেই বেশি জড়িত। এসব কান্ড দেখে মনে হয়, একসময় আমাদের বিল্ডিংয়ের ইট-সুরকি খেতে হবে, ভাত আর জুটবে না।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমস্যা বিশেষ করে বিদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় দেশের রেডিমেড গার্মেন্ট শিল্প খুব এবং সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে না দেয়ায় উদ্বিগ্ন হয়েছিল; কিন্তু এখন তো আর বিদেশ থেকে ক্রেতাই বাংলাদেশে আসছে না। তাদের সঙ্গে কথা বলতে হলে অন্য দেশে যেতে হচ্ছে, ভারত কিংবা হংকংয়ে। সার্বিকভাবে রফতানি কমেছে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। তৈরি পোশাকের রফতানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে যাদের প্রতিযোগিতা আছে যেমন- পাকিস্তান, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়ার রফতানি বাড়ছে দেখে একটু আশঙ্কা হয় যে, রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান না হলে রফতানির দিক পালটে যাবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজার যদি বাংলাদেশ ধরে রাখতে না পারে, তাহলে বাংলাদেশকে ইউরোপের বাজারের দিকেই নজর দিতে হবে। বিশ্বব্যাংকও সেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দেশের অর্থনীতির ক্ষেত্রে আরেক সঙ্কট হচ্ছে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা। উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা কেউ অস্বীকার করবে না ঠিকই; কিন্তু নিজেদের অস্তিত্ব বিলীন করে বিদ্যুৎ পেতে আমরা চাই না। এটা ঠিক এখন লোডশেডিং নেই বা কম। আমরা আরামে আছি। কিন্তু বিদ্যুতের দাম বেড়েছে তাও তো সত্যি। বেশি দামে ভালো থাকার ব্যবস্থা সরকার করছে অন্য দেশের সুবিধা করে দিয়ে, তাদের বিদ্যুৎ ব্যবসায় সহায়তা করে। আসলে লোডশেডিং শুধু ঢাকাতেই নেই। জেলা শহরে লোডশেডিং ডিজিটাল বাংলাদেশ হতে দিতে চায় না। তবুও আমাদের সুন্দরবন ঝুঁকিতে ফেলেও বিদ্যুৎ কেন্দ্র হতেই হবে। মন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক নেতারা এখন পরিবেশ বিশেষজ্ঞ হয়ে বলে দিচ্ছেন রামপালে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সুন্দরবন ও এর আশপাশ এলাকার পরিবেশের কোনো ক্ষতি করবে না। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এ কথা বলে দিলেন খুব সহজেই। তিনি বলেছেন, 'রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অত্যাধুনিক থারমাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, ফলে এর থেকে ক্ষতিকারক কোনো ধোঁয়া বের হবে না। এছাড়া সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষায় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ধোঁয়া নির্গমনে ২৭৫ ফুট লম্বা চিমনি সংযুক্ত ব্যবহার করা হবে।' তার মতে, সুন্দরবন থেকে ৬৯ কিলোমিটার দূরে বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। আর স্থলপথে সরবরাহ করা হবে কয়লা। বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে দূষিত কোনো ধোঁয়া নদীতে নির্গমন হবে না, ফলে জল বা বাতাসও দূষিত হবে না। এজন্য তিনি সুন্দরবন এবং বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশপাশের এলাকা নিয়ে উদ্বিগ্ন না হওয়ার পরামর্শ দেন। তাহলে কি তিনি বলতে চান, যারা এ নিয়ে আন্দোলন করছেন তারা কেউই এ সহজ কথাগুলো এতদিন না জেনেই খামাখা কথা বলছেন। তারা যেসব যুক্তি দিচ্ছেন তার কোনো ভিত্তি নেই?

আমরা মানুষের উন্নয়নের কথা বলছি নাকি অন্য কিছু চাইছি?

আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, সেই দিকটি আমাদের চিনে নিতে হবে!


Related Articles


লেখাটি নিয়ে এখানে আলোচনা করুন -(0)

Name

Email Address

Comments Title:

Comments


Inscript Unijoy Probhat Phonetic Phonetic Int. English
  


Available tags : অর্থনীতি, উন্নয়ন, পরিবেশ, কৃষি জমি, রামপাল বিদ্যুৎ, বিদ্যুৎ, সুন্দরবন, ,

View: 1914 Bookmark and Share


Home
EMAIL
PASSWORD