লিঙ্গ সমতা অর্জনে ১১৮ বছর অপেক্ষার তত্ত্ব


বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজ উন্নয়নের মাপকাঠি হিসেবে নারীর কত উন্নতি হলো তা জানা শুধু আমাদের দেশের জন্যই নয়, বিশ্বের বড় বড় নীতিনির্ধারণী ফোরামের মাথাব্যথার কারণ হয়ে গেছে। নারীকে আর ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে চিন্তা করার উপায় নেই। নারী এখন সব কিছুরই লক্ষ্য এবং উপায়। তাই আন্তর্জাতিক ফোরামে আজকাল নারীর কথা উঠে আসে বারবার।

সম্প্রতি নারী উন্নয়ন সংক্রান্ত দুইটি বিপরীতধর্মী তথ্য দেখে চিন্তিত হচ্ছি। একটি 'ভালো' খবর- দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পর্যালোচনায় নারী-পুরুষের ব্যবধান কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। বিশ্বের ১৪৫টি দেশের নারীর পরিস্থিতি নিয়ে করা এ সূচকে চার ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ ৬৪ নম্বরে। এর আগে গত বছর ১৪২টি দেশের মধ্যে ৬৮ নম্বরে, আর ২০১৩ সালে ১৩৬টি দেশের মধ্যে ৭৫ নম্বরে ছিল বাংলাদেশ। নিঃসন্দেহে এগিয়েছে দেশ। নারী-পুরুষ ব্যবধানের একটি আনুষ্ঠানিক নাম হচ্ছে লিঙ্গবৈষম্য, ইংরেজিতে বলা হয় Gender discrimination, যা দূর করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সনদ আছে (Convention on Elimination of Discrimination Against Women) যা সংক্ষেপে সিডো নামে পরিচিত। সিডোর অগ্রগতি জানতে বছর বছর মাপতে হয় লিঙ্গবৈষম্য কমল কিনা। বোঝা যাচ্ছে, বাংলাদেশ ভালোই এগিয়ে যাচ্ছে। এটি খুশির কথা।

অন্যদিকে আর একটি শিরোনাম হচ্ছে, বিশ্বে বাল্যবিয়েতে বাংলাদেশ দ্বিতীয়! (যুগান্তর, ২০ নভেম্বর)। একটি বেসরকারি সংস্থা 'বিবাহিত' কন্যাশিশুদের নিয়ে কাজ করে। তারা এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ শিশু বিয়ের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশে প্রতি ১০ জন মেয়ের মধ্যে সাত জনেরই ১৮ বছরের আগে বিয়ে হয়ে যায়। তারা আরও জানিয়েছে, দেশে প্রতি বছর ২৩ লাখ ৫৯ হাজার মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়। ধরে নেয়া যায়, তারা প্রায় সবাই ১৮ বছরে নিচে।

এমন তথ্য এর আগে ইউনিসেফের গবেষণায়ও বের হয়েছে। তারপরও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি বোঝাই যাচ্ছে। বাংলাদেশের আইনে ১৮ বছরের আগে বিয়ে হওয়া নিষিদ্ধ। ১৮ বছরের আগে বিয়ে হওয়ার পরিসংখ্যান দেখে সরকার ভাবল মাথাব্যথার জন্য মাথাটাই কেটে ফেললে হয়। তাই বিয়ের বয়স ১৬ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। কারণ আইন করে তো আর বাল্যবিয়ে ঠেকানো যাচ্ছে না! সরকারের এ সিদ্ধান্তের ফলে পরিসংখানে কিছুটা হেরফের হলেও খুব একটা হবে না, কারণ বাল্যবিয়ে যখন হয়, তখন ১৬ বছরের অপেক্ষায়ও থাকে না। অনেক বিয়েই ১৪ বছরের মধ্যে হয়ে যায়! বিয়ের আইনি বয়সের আগে বিয়ে মানেই তো বাল্যবিয়ে। তাহলে সেটা পরিস্থিতি অনুযায়ী যে কোনো বয়সেই হচ্ছে এবং হতে থাকবে যদি সামাজিকভাবে এর প্রতিরোধের ব্যবস্থা না নেয়া হয়। আগে কুড়িতে বুড়ি হতো, এখন তার অনেক আগেই মেয়েদের বিয়ে দেয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে যান মা-বাবা এবং পরিবার ও সমাজ। কেন হন? তার উত্তর এখন সমাজই দিতে পারবে।

একই দিনের পত্রিকাগুলোতে এ দুইটি খবর দেখে চিন্তিত হতে হয়, আসলে আমরা কী অর্জন করেছি!

দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের 'বিশ্ব লিঙ্গবৈষম্য প্রতিবেদন-২০১৫'তে নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়ন- এ চার মাপকাঠির ভিত্তিতে প্রতি বছর এ সূচক প্রকাশ করা হয়। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের কাছে বিচ্ছিন্নভাবে চারটি মাপকাঠি কীসের ভিত্তিতে নেয়া হলো তার ব্যাখ্যা নিশ্চয়ই কোথাও আছে, কিন্তু আমি নিজে জানি না। তাই আগেই বলে নিচ্ছি। তবে এটা পরিষ্কার যে, বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মধ্যেই নারীর অগ্রগতি দেখা হচ্ছে, কারণ বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় নারী এখন খুব গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নারী ছাড়া অর্থনীতি অচল। এ নারীকে শিক্ষা দিতে হবে, সুস্থ রাখতে হবে, রাজনৈতিকভাবেও ক্ষমতাশালী করতে হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে যুক্ত করতে হবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাংলাদেশে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে। তাই যদি হয়, এ তথ্যের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, কারণ বাস্তবের সঙ্গে এর কোনো মিল আমরা দেখছি না। শুধু মাতৃমৃত্যুর হার আগের তুলনায় কমেছে বলেই স্বাস্থ্য খাতে উন্নতি করেছে- এমন কথা বোকাও বিশ্বাস করবে না। এখনও মাতৃমৃত্যুর যে হার রয়েছে, তা বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বেশি এবং হাসপাতালে এসেও স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অবস্থা খুব ভালো নয়। প্রচুর নারী সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে হাসপাতালেই মারা যাচ্ছে। প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রসূতি মৃত্যুর খবর প্রায় সময় পত্রিকায় স্থান পায়। তাছাড়া বাল্যবিয়ে যদি বেশি হয় সেখানে নারী স্বাস্থ্যের ওপর হুমকিটাই বেশি। তাহলে এ সূচক দেখতে গিয়ে বিবাহিত কন্যাশিশুদের স্বাস্থ্য তথ্য কীভাবে নেয়া হয়েছে, তা আমাদের দেখা দরকার। স্বাস্থ্য সূচকে সবচেয়ে বেশি এগিয়েছে বললে আমাদের একটু খটকা লাগে। এ তথ্যের ভিত্তি কী!

আরও দেখার বিষয় হচ্ছে, সার্বিকভাবে এগিয়েছে বলা হলেও চারটি মাপকাঠিতে (স্বাস্থ্য, শিক্ষা, রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড) বাংলাদেশের অবস্থান এক ধরনের নয়, চার ধরনের। সবক'টিতে একইভাবে অগ্রগতি হয়নি, কোনোটাতে এগিয়েছে, আবার কোনোটাতে পিছিয়েছে। যেমন বাংলাদেশ গত এক বছরে চারটি মাপকাঠির মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে এগিয়েছে। ভালো কথা। গত বছর বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২২তম, এবার ২৭ ধাপ এগিয়ে হয়েছে ৯৫তম। নারীর শিক্ষা ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নেও গত বছরের তুলনায় বাংলাদেশ দুই ধাপ এগিয়েছে। রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে গতবারের ১০ নম্বর অবস্থান থেকে এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এবার অষ্টম। অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ গতবারের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে ১৩০তম অবস্থানে এসেছে। তাহলে অর্থনৈতিকভাবে খুব খারাপ আছে নারীরা। প্রশ্ন হচ্ছে, এ বিষয়ে মাপকাঠি আসলে কী? গণতান্ত্রিক পরিবেশ আছে কি নেই সে বিচার না করে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন হয়েছে বলা যায় কেমন করে? সব মতের এবং দলের নারী কি রাজনীতিতে সক্রিয় থাকতে পারছে? নারী আন্দোলন কি সব বিষয়ে সোচ্চার ভূমিকা রাখতে পারছে? জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত আসনে এখনও ৫০ জন নারী বসে আছেন পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হয়ে। অন্যের দয়ার ওপর নির্ভরশীল হয়ে। নিজের একটি রাজনৈতিক এলাকা পর্যন্ত নেই। তারা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসতে পারছেন না। উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যানের একটি পদে সরাসরি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হলেও তার ক্ষমতা দেয়া হয়নি কাজ করার। একে কি রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন বলা যায়? বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের সংজ্ঞা কী? সবচেয়ে দুঃখ হয়, আমাদের দেশে প্রধানমন্ত্রী নারী, কৃষিমন্ত্রী নারী- কত শক্তিশালী অবস্থান। অথচ দেশের এক বিশাল নারীগোষ্ঠী যারা কৃষি কাজে নিয়োজিত সেই নারীদের কাজের এবং ক্ষমতার ক্ষতি হয় এমন কৃষি প্রযুক্তি এনে নারীকে কৃষি থেকেই আউট করে দেয়া হচ্ছে কোম্পানির স্বার্থে! একে কি ক্ষমতায়ন বলে? বিটি বেগুন এবং গোল্ডেন রাইসসহ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং নারী কৃষকের জন্য সরাসরি হুমকি। এ কথা এখানে বলা খুব জরুরি। কাজেই নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতাই যদি অন্য নারীর ক্ষতির কারণ হয়, তাহলে নিশ্চয়ই সেটা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

শিক্ষায় অংশগ্রহণে এবার বাংলাদেশের অবস্থান ১০৯তম, বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিশ্বে প্রথম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। তবে এটাও দেখার বিষয় যে, উচ্চশিক্ষায় নারী খুব একটা যেতে পারছে না। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, উচ্চশিক্ষায় নারীর অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে গত বছরের ১১৮তম অবস্থান থেকে পিছিয়ে হয়েছে ১১৯তম (কালের কণ্ঠ, ২০ নভেম্বর)। তার মানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় নারী সস্তা; কিন্তু দক্ষ শ্রমিক হওয়ার জন্য যেটুকু শিক্ষা দরকার সেটা নিচ্ছে, কিন্তু নিজে নীতিনির্ধারক হওয়ার মতো শিক্ষিত হতে পারছে না। তাকে সামাজিক অবস্থা এবং অন্যান্য বাধার শিকার হতে হচ্ছে। তা দূর করার উদ্যোগও নেই।

লিঙ্গবৈষম্য হ্রাসের সূচকের অগ্রগতি আপেক্ষিক অগ্রগতি, এটা দিয়ে সার্বিক অবস্থার উন্নতি বোঝা যাবে না। এটা অনেকটা তিনজনের মধ্যে তৃতীয় হওয়ার মতো বিষয়। বাংলাদেশ চার ধাপ এগিয়েছে বললে সব বোঝা যাবে না। যা এগিয়েছে তা আগের বছরের তুলনায় এবং অন্য দেশের অগ্রগতির সঙ্গে তুলনায়। তার মানে অন্য দেশ খারাপ হলেই আমাদের ভালো হচ্ছে। এটি বিভ্রান্তিমূলক। দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পর্যালোচনায় মন্তব্য করা হয়েছে, ২০০৭ সাল থেকে টানা ৯ বছর ধরে লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে মোটামুটি ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বাংলাদেশ। খুশির কথা এই যে, অন্যান্য দেশের যা অগ্রগতি বাংলাদেশ তার চেয়ে ভালো করছে। একই ধরনের অগ্রগতি করেও যদি অন্য দেশ বেশি এগিয়ে যায়, তাহলে বাংলাদেশের অবস্থান আবার নেমেও যেতে পারে। বানরের তেলযুক্ত বাঁশে ওঠার মতো খেলা আর কি। অন্যান্য দেশের অবস্থান জানা যাক। আইসল্যান্ড টানা সপ্তমবারের মতো এ বছরও সূচকে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। আগের বছরের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নরওয়ে। অন্যদিকে এক ধাপ পিছিয়ে ফিনল্যান্ড তৃতীয় অবস্থানে আছে। চতুর্থ থেকে দশম অবস্থানে আছে যথাক্রমে সুইডেন, আয়ারল্যান্ড, রুয়ান্ডা, ফিলিপাইন, সুইজারল্যান্ড, সেস্নাভেনিয়া ও নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশ হলো ৬৪তম অবস্থানে। এখনও দিলি্ল অনেক দূর, লক্ষ্য অর্জন হতে সময় লাগবে আরও অনেক বেশি।

তবে লক্ষ করার বিষয় হচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অগ্রগতি অন্য দেশের তুলনায় ভালো, আর ভারতের অবস্থান খুব খারাপ। ভারতের অবস্থান আগের বছরে ১১৪ থেকে এবার ১০৮-এ এসেছে। অর্থাৎ এগিয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশের তুলনায় অনেক পেছনে রয়ে গেছে। শ্রীলঙ্কার অবস্থান বাংলাদেশের ২০ ধাপ পেছনে, অর্থাৎ ৮৪ নম্বরে। ভুটান ১২০ থেকে ১১৮ এবং নেপাল ১১২ থেকে দুই ধাপ এগিয়ে ১১০তম অবস্থানে উঠে এসেছে। অন্যদিকে মালদ্বীপ ১০৫ থেকে পিছিয়ে ১১৩তম এবং পাকিস্তান ১৪১তম অবস্থান থেকে পিছিয়ে ১৪৪ নম্বরে রয়েছে। তবে নেপাল আর যাই হোক রাজনীতিতে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছে। নেপালের নারীরা দেশের নতুন গঠনতন্ত্র রচনায় অংশগ্রহণ করেছে। সেখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন একজন নারী, সম্পূর্ণভাবে তার রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে। কাজেই অন্যান্য সূচকে নিচে থাকলেও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রক্রিয়ায় এগিয়ে আছে নেপালের নারী। বিশ্ব অর্থনৈতিক সূচকে এর কথা নেই।

এত ভালো খবরের মধ্যে ভয়াবহ খবর দিচ্ছে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম। সেটা হচ্ছে, বিভিন্ন দেশের লিঙ্গবৈষম্য দূর করে সমতা অর্জন করতে হলে এই হারে এগোলে নারী-পুরুষের সমতা আসতে ১১৮ বছর লাগবে অর্থাৎ ২১৩৩ সাল পর্যন্ত বিশ্বকে অপেক্ষা করতে হবে। এ শতাব্দীর শেষ পর্যন্ত যারা বেঁচে থাকবেন তাদেরও আরও ৩৩ বছর লাগবে সুখবরটি দেখার জন্য। তবুও এ সময়ে রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী-পুরুষ ব্যবধান ঘুচেছে মাত্র ৪ শতাংশ।

তাহলে বোঝা যাচ্ছে, সমস্যা রয়ে গেছে অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোর মধ্যেই। এ কাঠামোগত সমস্যা দূর না করে শুধু দুই-একটি সূূচকে এগিয়ে গেলে ১১৮ বছর বসে থাকতে হবে।

না, তা হয় না। হতে দেয়া যায় না।


ছাপবার জন্য এখানে ক্লিক করুন



৫০০০ বর্ণের অধিক মন্তব্যে ব্যবহার করবেন না।