কুষ্টিয়ায় বিশ্ব হাতধোয়া দিবস ২০১৫ উদযাপন


বিশ্ব হাতধোয়া দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে ১৫ অক্টোবর ২০১৫ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য নেটওয়ার্ক (বিএফএসএন) ও উবিনীগের আয়োজনে ও বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা নিরাপদ খাদ্য প্রকল্প (এফএও-এফএসপি) এর সহায়তায় নবপ্রাণ আখড়া বাড়িতে সকাল ১০:৩০ টায় সমাবেশ, আলোচনা সভা, হাত ধোয়া প্রদর্শন ও র্যা লী অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৩০০ লোকের অংশগ্রহনে এই সমাবেশ ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উবিনীগের গবেষনা পরামর্শক ড. এম এ সোবহান। প্রধান অতিথি ছিলেন কুষ্টিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র জনাব নাইমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ডা: অনন্যা আফরীন, মেডিক্যাল অফিসার, সিভিল সার্জন কার্যালয়, কুষ্টিয়া; মোঃ শামসুজ্জোহা, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার, কুমারখালী উপজেলা, কুষ্টিয়া ও সাজেদুল ইসলাম ডালিম, সভাপতি, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, কুমারখালী, কুষ্টিয়া। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন, জাহাঙ্গীর আলম জনি, পরিচালক, উবিনীগ ও সদস্য, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য নেটওয়ার্ক।

ফকির মোকাব্বর হোসেন ও নবপ্রাণ আখড়াবাড়ির শিক্ষাথীদের ফকির লালন সাঁইজীর পরপর তিনটি গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখনে, অধীর চন্দ্র দাস, সমন্বক উবিনীগ কুষ্টিয়া কেন্দ্র। আরো বক্তব্য রাখেন, জয়নাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো: শিপন হোসেন, মোছা: সুরাইয়া খাতুন ও শিক্ষক কামরুজ্জামান, কৃষক আমিনুল ইসলাম গাইন ও আবদুল জব্বার।


গান


জাহাঙ্গীর আলম জনি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য নেটওয়ার্ক ও উবিনীগের পক্ষ থেকে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমাদের সুস্থাস্থ্যের জন্য নিয়মিত হাত ধোয়ার বিষয়টি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। ২০০৮ সালে আর্ন্তজাতিক পরিচ্ছন্নতা বছরে জাতিসংঘ হাত ধোয়া দিবসটি ঘোষণা করে। হাত ধোয়া অভ্যাসের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দিবসাটি পালিত হয়। এবছর বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয়ঃ “ হাত ধুয়ে খাবার খেলে, সুন্দর স্বাস্থ্য ও আনন্দ মেলে”। হাত ধোয়ার অভ্যাসের মধ্য দিয়ে আমরা প্রাণঘাতি রোগ যেমন: ডায়রিয়া, ইনফ্লুয়েনঞ্জা এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ করতে পারি। বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের আজকের এই গুরত্বপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে হাত ধোয়ার পক্ষে জন সচেতনতা সৃষ্টি ও সবাইকে উৎসাহিত করার প্রয়াস আমরা গ্রহন করতে পারি। সারা বিশ্বে পাঁচ বচরের কম বয়সের অনেক শিশু ডায়রিয়া ও নিমোনিয়াজনিত রোগে মারা যায়। শুধুমাত্র হাত ধোয়ার মত এই সহজ অভ্যাসের মধ্য দিয়ে এসব মৃত্যু পরিহার করতে পারি। সর্বোপরি সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০১৫ সালের মধ্যে শিশু মৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে হাত ধোয়া অভ্যাস উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। তিনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহনে সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়ে সম্মিলিত ও সমান্বিতভাবে কাজ করার জন্য আহব্বান জানান।

অধীর চন্দ্র দাস উপস্থিত প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথিবৃন্ধ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সকল অংশগ্রহনকারীদের তাদের ব্যস্ততার মাঝেও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন ও মূল্যবান অবদান রাখার জন্য কৃতগগতা গ্যাপন করেন। তিনি বলেন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ইমানের অংগ। নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার মধ্য দিয়ে সম্ভাব্য সংক্রমন আমরা প্রতিহত কররে পারি।


বিশ্ব হাতধোয়া দিবস ২০১৫


জয়নাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো: শিপন হোসেন বলেন, খাবার আগে ও পরে আমাদের নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। হাতের নখ সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে। অপরিষ্কার হাতে কোন খাবার খাওয়া যাবে না। এতে আমাদের অসুখ বিসুখ বেশী হবে।

জয়নাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোছা: সুরাইয়া খাতুন বলেন, আমাদের পেটের ভিতর ময়লা আবর্জনা চলে যায়। এর কারণ হলো অপরিষ্কার হাতে খাবার খাওয়া। অসুখ বিষুখ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য খাবারের আগে ও পরে নিয়মিতভাবে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে।

নয়াকৃষি আন্দোলনের কৃষক আমিনুল ইসলাম গাইন বলেন, হাত ধোয়া ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি খাদ্য নিরাপদ কিনা তাও জানতে হবে। খাদ্যের মধ্যে যদি বিষ থাকে তাহলে আমরা সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে খেলেও সে খাবার কখনো নিরাপদ হবে না। তিনি বলেন, আমি তামাক চাষ এলাকার একজন চাষী তবে আমি তামাক চাষের বিরুদ্বে কাজ করি। অনেক সময় দেখা যায় তামাক চাষিরা জমিতে সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করে হাত ভালভাবে না ধুয়ে খাবার খায়। এর ফলে তারা বিভিন্ন জটিল রোগে ক্রমশ আক্রান্ত হচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন আমাদের পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে পাশাপাশি কীটনাশক ও রাসায়ানিক সার ছাড়া নিরাপদ খাদ্যও আমাদের উৎপাদন করতে হবে। উৎপাদনের পর বাজারজাতকরনের পূর্বে যেন কোন কীটনাশক ও রাসায়ানিক পদার্থ ব্যবহার না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।


বিশ্ব হাতধোয়া দিবস ২০১৫


জয়নাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: কামরুজ্জামান বলেন, আমরা কম বেশী হাত ধুই কিন্তু হাত ধোয়া সঠিক নিয়ম হয়তবা আমরা সঠিকভাবে পালন করিনা। ফলে সঠিক নিয়ম জেনে ও বুঝে আমাদের হাত ধুতে হবে। আজকের এই আলোচনা সভায় সঠিকভাবে হাত ধোয়ার নিয়ম কানন শিখানোর জন্য তিনি অনুরোধ জানান। আমরা একটু সচেতন হলে অনেক রোগ ব্যাধি থেকে আমরা নিজেদের মুক্ত রাখতে পারব। শিক্ষার্থীদের যদি আমরা শিশু ও কিশোর সময়কাল থেকেই স্বাস্থ্য সচেতন হিসেবে গড়ে তুলতে পারি তাহলে সুস্থ সমাজ গড়ে তোলা আমাদের জন্য অনেক সহজ হবে।

সাজেদুল ইসলাম ডালিম বলেন, আজকের শিশুরা আগামীকালের ভবিষ্যৎ। শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক শিক্ষা জীবন থেকেই পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন শিক্ষায় গড়ে উঠতে হবে। খাদ্য তৈরী, পরিবেশন ও খাবার খাওয়ার আগে নিয়মিত এবং সঠিকভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করতে হবে। ফসল চাষ থেকে খাবারের প্লেট পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টি আমাদের চিন্তায় রাখতে হবে। সুস্থ থাকার জন্য নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, রান্নার সময পরিষ্কারভাবে ধোয়ামুচা ও হাত পরিষ্কারভাবে ধুয়ে আমাদের খাবার গ্রহণ করতে হবে।

মো: সামসুজ্জোহা, উপজেলা সহকারী কর্মকর্তা, কুমারখালী, কুষ্টিয়া বলেন, শরীর সুস্থ থাকলে মন ভাল থাকে, অন্যদিকে শরীর ভাল না থাকলে অসুখ বিসুখ বেশী হয়। সুস্থ থাকার প্রধান কাজ হলো হাত ধোয়াসহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা। আমরা যে খাদ্য খাই তা নিরাপদ কিনা দেখতে হবে। উৎপাদনের ক্ষেত্রে কীটনাশক ও রাসায়ানিক সার ছাড়া খাদ্য উৎপাদনের দিকে আমাদের মনেযোগ দিতে হবে। নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তির জন্য আমাদের প্রয়োজন সচেতন হওয়া। উবিনীগ এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত আজকের এই হাত ধোয়া দিবস উদযাপন জনসচেতনতা সৃষ্টিতে গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। শিক্ষার্থীদের জন্য বিদ্যালয়ভিত্তিক এই ধরনের সচেতনতাতূলক কার্যক্রম কুমারখালী উপজেলায় গ্রহন করার জন্য অনুরোধ রাখব।

ডা: অনন্যা আফরীন, মেডিক্যাল অফিসার, সিভিল সার্জন কার্যালয়, কুষ্টিয়া বলেন, বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে আমাদের প্রধান কাজ হলো সঠিকভাবে হাত ধোয়ার অংগীকার ও অভ্যাস গড়ে তোলা। হাত ধোয়ার সাবান নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের গুনগত মান সম্পন্ন সাবান ব্যবহার করতে হবে। খাদ্য নিরাপদ কিনা তা দেখতে হবে। যিনি রান্না করছেন তিনি হাত ধুয়ে পরিচ্ছন্নভাবে রান্না করছেন কিনা তা দেখতে হবে। অপরিষ্কার হাত দিয়ে খাবার খাওয়ার কারণে ডায়রিয়া আমাশায়সহ আমাদের অনেক রোগ হতে পারে। খাদ্য তৈরী ও পরিবেশনার ক্ষেত্রেও হাত ধোয়ার বিষয়টি নিয়মিত অনুশীলনে রাখতে হবে। তিনি শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহনকারীদের সঠিকভাবে হাত ধোয়ার ছয়টি নিয়ম নিয়ে অনুশীলনের বিষয়ে আলোচনা করেন।


বিশ্ব হাতধোয়া দিবস ২০১৫


হাত ধোয়ার ধাপসমূহ: ১. সাবান হাতের মধ্যে ভালভাবে ফেনা করে নিতে হবে। ২. হাতের আংগুল ভালভাবে ঘষতে হবে। ৩. দুই আংগুল ব্যবহার করে সব আংগুলের মাঝখানগুলো ভালভাবে ঘষতে হবে। ৪. হাতের তালুতে আংগুল দিয়ে ভালভাবে ঘষতে হবে। ৫. পুরো হাত ভালভাবে ঘষতে হবে। ৬. সম্স্ত হাত ভালভাবে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।


বিশ্ব হাতধোয়া দিবস ২০১৫


উবিনীগের গবেষক আবদুল জব্বার বলেন, হাত ধোয় দিবসের অনুষ্ঠানে স্বতস্ফুর্তভাবে আমরা সকলে অংশগ্রহণ করছি। আজকে এই গুরত্বপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে হাত ধোয়ার পক্ষে জন সচেতনতা সৃষ্ঠি করি। নিজে হাত ধুই এবং অন্যকে হাত ধুতে উৎসাহিত করি। তিনি অংশগ্রহনকারী সবাইকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

কুষ্টিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র জনাব নাইমুল ইসলাম বলেন, উবিনীগের আয়োজনে উদযাপিত আজকের এই অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। হাত ধোয়ার বিষয়টি আমাদের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির হাজার বছরের এতিহ্য। মেহমান আসলে আমরা হাত ধোয়ার জন্য সাবান পানি এগিয়ে দেই। আমরা তিনবেলা খাবারের আগে ও পরে নিয়মিতভাবে সাবান বা সাবান জাতীয় জিনিষ দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস ডায়রিয়াজনিত রোগের সংক্রমন প্রতিহত করে। উবিনীগ, নয়াকৃষি আন্দোলন ও নবপ্রাণ দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও আমাদের সাংস্কৃতিক এতিহ্যকে লালন করার জন্য কাজ করছে। সুস্থ ও সুন্দর জীবনের লক্ষ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম হিসেবে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের আজকের এই অনুষ্ঠানটি উবিনীগের কাজকে শুধু সমৃদ্বিই করেনি এই সভায় অংশগ্রহনকারীদের স্বাস্থ্য সচেতন হিসেবে গড়ে তুলতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। এই ধরনের মহতী কাজ নিয়মিতভাবে কুমারখালী এলাকায় গ্রহনের জন্য উবিনীগের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে। এই বিষয়ে কুষ্টিয়া পৌরসভার পক্ষ থেকে সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

ড. এম. এ. সোবহান বলেন, শিক্ষক, ছাত্র, সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, বিশেষ অতিথিবৃন্দ এবং প্রধান অতিথি আজকের এই বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে র‌্যালী এবং সমাবেশে অংশগ্রহন করেছেন এবং মূল্যবান বক্তব্য রেখেছেন যা আমাদের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। হাত ধোয়ার ছয়টি ধাপ যে ছাত্র ছাত্রীদের অনুশীলনের মাধ্যমে প্রদর্শণ করা হয়েছে তা সকলের জন্য পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পরিচ্ছন্নতার একটি ধাপ হাত ধোয়া যার মাধ্যমে শরীর ও মনের পবিত্রতা সূচনা করে। নবপ্রাণ আন্দোলনের শিক্ষার্থী ও শিল্পিদের পরিবেশিত লালন গানের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি ধর্মীয় আংগীকে উপস্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা হাত ধোয়ার যে বিষয়গুলো ব্যাখ্যাসহ এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে তা তারা নিজেদের ব্যবহারিক জীবনে প্রয়োগ করবেন এবং তাদের পিতামাতা ও সমাজে অন্যান্যদের কাছে পৌছে দেবেন। আমাদের একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও ভবিষ্যতের প্রত্যাশায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের অনুষ্ঠান এখানেই সমাপ্ত করা হলো।


বিশ্ব হাতধোয়া দিবস ২০১৫ র‌্যালী


আলোচনা অনুষ্ঠানের পূর্বে সকলের অংশগ্রহনে একটি বর্নাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালীর শ্লোগানগুলোর মধ্যে প্রধানত ছিল, ”সুস্থ থাকার প্রথম ধাপ, সাবান দিয়ে ধোব হাত”, “ হাত ধুয়ে খাবার খেলে, সুন্দর স্বাস্থ্য ও আনন্দ মেলে”, হাত দিয়ে খাবার খেলে, ধোব হাত সকলে”, ”যতবার পায়খানায় যাই, সাবান দিয়ে হাত ধোয়া চাই”। র‌্যালীটি ৩৫ নং ছেঁউরিয়া জয়নাবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুর হয়ে - ফুলতলা মোড় -বটতলা- লালন একাডেমি - মেলা মাঠ হয়ে নবপ্রাণ আখড়াবাড়ীর সামনে এসে সমাপ্ত হয়।


ছাপবার জন্য এখানে ক্লিক করুন


৫০০০ বর্ণের অধিক মন্তব্যে ব্যবহার করবেন না।