Search  Phonetic Unijoy  English 

ফরিদা আখতার


Monday 30 May 16



print

সিগারেট, বিড়ি, জর্দার প্যাকেটে আকর্ষণীয় ছবি এবং কোম্পানি তার নিজের বিশেষ রং ব্যবহার করে ক্রেতাকে তার পণ্যের জন্যে ধরে রাখতে চায়। তাদের ইচ্ছা শুধু তামাক সেবনেই নয়, সেই বিশেষ কোম্পানির তৈরি করা ব্রান্ড ব্যবহারে। যারা সিগারেট খায় তারা কোন বিশেষ ব্রান্ডের সিগারেট খায় তা দিয়ে তার সামাজিক অবস্থানও বোঝাতে চায়। তাই ব্রান্ড, রং চিনে সিগারেট বা জর্দা ব্যবহার করে জোর গলায় বলবে সে কি ব্রান্ড খায়।

তামাক সেবন জনস্বাস্থ্যের জন্যের ক্ষতিকর এবং অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ বলে যখন থেকে স্বীকৃতি পেল তখন থেকে এর ব্যবহার কমাবার উদ্যোগ নেয়া হোল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে। মে মাসের ৩১ তারিখ আন্তর্জাতিক তামাকমুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে ১৯৮৭ সাল থেকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্য দেশ সমূহ তামাকের মহামারি থেকে মুক্ত করার জন্যে এবং প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং মৃত্যু থেকে রক্ষার জন্যে সচেতনতা সৃষ্টির দিন হিসেবে পালন ক্রে আসছে এই দিনটি। প্রথমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সিদ্ধান্তে ধূমপানমুক্ত দিবস বলা হোত, কিন্তু তামাক সেবনের ধরণের মধ্যে ধোয়াঁযুক্ত এবং ধোঁয়াবিহীন উভয়ে থাকায় ১৯৮৮ সাল থেকে ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালন করে আসছে। অর্থাৎ সেদিন শুধু ধূমপানের বিরুদ্ধেই নয়, জর্দা-গুল সহ অন্যান্য তামাক দ্রব্য সেবন বন্ধের জন্যও সচেতনতা সৃষ্টি করা হয়। তামাক মানে নিকোটিন সেবন, যা নেশা সৃষ্টিকারী ও বিষাক্ত দ্রব্য।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার ৫৬তম সম্মেলনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার জন্য Framework Convention on Tobacco Control (FCTC) কনভেনশনে বাংলাদেশ ১৬ জুন,২০০৩ ইং তারিখে স্বাক্ষর এবং ১০ মে,২০০৪ তারিখে অনুস্বাক্ষর করেছে; এবং যেহেতু উক্ত কনভেনশনের বিধানাবলী বাংলাদেশে কার্যকর করার লক্ষ্যে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের উৎপাদন,ব্যবহার,ক্রয়-বিক্রয় ও বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয় তাই ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস এই কাজের সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত হয়ে গেছে।

বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবসে সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল এবং বেশ কিছু বেসরকারি সংগঠন একত্রে মিলে কর্মসুচি গ্রহণ করেন যা বাংলাদেশের অন্যান্য অনেক দিবস পালনের চেয়ে বেশী কার্যকর বলে আমার মনে হয়।তামাক সেবন,উৎপাদন সবই ক্ষতিকর জেনেও বন্ধ করা যাচ্ছে না, কারণ যারা তামাক পণ্যের চাহিদা সৃষ্টি করে এবং ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে মুনাফা কামাচ্ছেন তারা কিছুতেই এটা বন্ধ করতে দিতে চায় না। তারা নানা ধরণের প্রলোভন সৃষ্টি করে আমাদের নতুন প্রজন্মের ছেলেদের এবং আজকাল আধুনিকতার দোহাই দিয়ে মেয়েদেরও আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে। এ দেশে আদব- কায়দার মধ্যে বড়দের সামনে সিগারেট খাওয়া গ্রহণযোগ্য না হলেও তারা নতুন প্রজন্মের কাছে বিশাল বাজার সৃষ্টি করতে সক্ষম হচ্ছে। গ্রামের চায়ের দোকান বলতেই পান-বিড়ির দোকান বোঝায়। সেখানে যারা যায় তারা শুধু চা খায় না, রশিতে লাগানো আগুনে সিগারেট, বিড়িও ধরিয়ে নেয়। এতে নাকি আড্ডাটা ভালই জমে!!অন্যদিকে তথাকথিত ভাল মানের জর্দা সুন্দর পানদানিতে পরিবেশিত হলেও গরিব নারী সাদা পাতা গুল খেয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে, এবং নানা রোগে ভুগছে।

তামাক সেবনের চাহিদা সৃষ্টির অনেক পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এর দাম বাড়িয়ে দেয়া যেন ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যায়। তাই করারোপের দাবী উঠছে প্রতিবছর বাজেটের আগে। কিন্তু কোম্পানিও চুপ করে থাকে না। তারা শ্রমিকদের জন্যে মায়াকান্না কেঁদে সরকারকে উচ্চ হারে করারোপ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে । বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে প্রতিবছর যে প্রতিপাদ্য থাকে তার মধ্যে করারোপের বিষয়ও উঠে এসেছিল আগের বছরগুলোতে।

তামাক দ্রব্যের মধ্যে সিগারেটের প্যাকেট ব্রান্ড অনুযায়ি আকর্ষণীয় করার চেষ্টা প্রথম থেকেই কোম্পানি গ্রহণ করে আসছে। তারা ওমর শরীফের মতো বিখ্যাত অভিনেতাকে তাদের ব্রান্ড বানিয়েছে। ১৯৬২ সালে্র লরেন্স অব আরাবিয়া এবং ১৯৬৫ সালের ড. জিভাগো যারা দেখেছেন তারা ওমর শরীফ কে ভুলতে পারবেন না। মিশরীয় জন্মদ্ভূত ওমর শরীফ ৮৩ বছর বয়সে হৃ্দরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২০১৫ সালে কিন্তু তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তার তিনবার হার্টের বাইপাস হয়েছে (১৯৯২) এবং ১৯৯৪ সালে একবার হার্ট এটাকও হয়। ১৯৯২ সালের আগ পর্যন্ত শরীফ দিনে ১০০ টি সিগারেট খেতেন বলে তার সম্পর্কে উইকিপিডিয়াতে লেখা হয়েছে। বাইপাস অপারেশন পর তিনি ধূমপান ত্যাগ করেন। কোম্পানি এই কথা প্রচার করবে না যে ওমর শরীফ ধূমপানের কারণে শেষ জীবন সুস্থভাবে কাটাতে পারেন নি। কোম্পানির আর তখন তাকে প্রয়োজন ছিল না। ব্রান্ডিং বা সিগারেটের প্যাকেটকে আকর্ষণীয় করার নানা-কৌশলের মধ্যে একটি উল্লেখ করলাম। কিন্তু আরও অনেকভাবে তারা প্যাকেটের গায়ে রং, নাম ইত্যাদী ব্যবহার করে নিকোটিনের মতো বিষ মানুষকে খাওয়াবার ব্যবস্থা করেছে।

তামাক নিয়ন্ত্রণের কাজের মধ্যে প্যাকেটের গায়ে হাত দেয়া কঠিন কাজ ছিল। প্রথমে শুরু হোল সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ বার্তা দিয়ে। প্যাকেটে লেখা হোত ‘ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর’। লেখাটি বাধ্যতামুলক ছিল বলে কোম্পানি লিখেছে কিন্তু এমনই ছোট করে নজরে আগে ব্রান্ডের চাক-চিক্যই পড়ে। লেখা পর্যন্ত দেখার সময় ক্রেতার হয় না। এই লিখিতবাণীর কোন ফলাফল দেখা গেল না, শুধু এইটুকুই যে কোম্পানি নিজে বলছে ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর। পরবর্তী ধাপে নির্দিষ্ট ক্ষতি যেমন হৃদরোগ, স্ট্রোক, ইত্যাদী এবং সরাসরি মৃত্যু ঘটায় কথাটিও লিখে দেয়া হোল। যারা পড়তে জানেন তারা জ্ঞানপাপীর মতো নিজেও খেলেন, তাদের খাওয়ার কারণে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হোল তাদেরই ঘরের মানুষ – স্ত্রী, সন্তান; অফিসে নারী-পুরুষ সহকর্মী। আর যারা পড়তে জানেন না, তাদের কাছে বার্তাটি পৌছাল না। কাশতে কাশতে কিংবা বুকের ব্যাথা নিয়ে সিগারেট বিড়ি, জর্দা-গুল খাওয়া বন্ধ হোল না।

আক্ষেপের বিষয় হচ্ছে তামাক ব্যবহারের হার কমছে না। গ্লোবাল এডাল্ট টোবাক্যো সার্ভে- [গ্যাটস] ২০০৯ অনুযায়ি,বাংলাদেশে ৪৩% প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক সেবন করেন।অর্থাৎ দেশে তামাক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৪ কোটি ১৩ লক্ষ,যার মধ্যে ২৩%(২ কোটি ১৯ লক্ষ)এবং ২৭.২% (২ কোটি ৫৯ লক্ষ)ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহার করেন। ধোঁয়াবিহীন তামাক ব্যবহারের হার নারীদের মধ্যে অনেক বেশি। বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর ৪৫% অর্থাৎ প্রায় ৪ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। ৩০% প্রাপ্তবয়স্ক নারী কর্মস্থলে এবং ২১% নারী জনসমাগমস্থলে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছেন। অর্থাৎ ধূমপান না করেও পরোক্ষ ধূমপানের শিকার বাংলাদেশের প্রায় ১ কোটি নারী। বাংলাদেশে শিশু-কিশোরদের মধ্যেও তামাক ব্যবহার উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে। এই তথ্য কিছু পুরণো হলেও এটুকু জানা যাচ্ছে কমপক্ষে বছরে ৫৭,০০০ মানুষ তামাকজনিত কারণে সৃষ্ট রোগে মারা যায়, আর প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ পঙ্গুত্ব বরণকরে। তামাক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্যে আইন হয়েছে,সচেতনতা বেড়েছে কিন্তু তবুও তামাক ব্যবহার কমছে বলা যাবে না। এছাড়া তামাকের আর্থিক ক্ষতিও ব্যাপক। তামাকখাত থেকে সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব পায় তামাক ব্যবহারের কারণে অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় সরকারকে স্বাস্থ্যখাতে তার দ্বিগুণ ব্যয় করতে হয়।

এসব ভয়াবহ তথ্য ও প্রমাণ থাকার পরও কোম্পানি তাদের কর্মকান্ড থামায় নি, বরং নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করেছে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিকভাবে যারা জনস্বাস্থ্য রক্ষার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন তারাও থেমে থাকেন নি। বাংলাদেশে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৩ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী সকল তামাকজাত দ্রব্যের প্যাকেট, মোড়ক, কার্টন বা কৌটার উভয় পার্শ্বে মূল প্রদর্শনী তলের উপরিভাগে অন্যূন শতকরা পঞ্চাশ ভাগ পরিমাণ স্থান জুড়ে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারের কারণে সৃষ্ট ক্ষতি সম্পর্কিত রঙ্গিন ছবি ও লেখা সম্বলিত স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ করা বাধ্যতামূলক। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালা,২০১৫ দ্বারা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১৯ মার্চ ২০১৬ তারিখের পর থেকে মোড়ক বা প্যাকেটে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী ব্যতীত কোনো তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় কিংবা বাজারজাত করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ।এই লক্ষে তামাক নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত সংগঠনগুলো জোর প্রচার চালায়,অন্যদিকে কোম্পানি কায়দা করে উপরে অংশের পরিবর্তে নীচের ৫০% অংশে দেয়ার ব্যবস্থা করে। বাজারে এখন গলায় ও ফুসফুসের ক্যান্সারের ছবি দেয়া প্যাকেট পাওয়া যাচ্ছে। প্রতি তিন মাসে এগুলো পরিবর্তন হবে।

এবারের ৩১ মে, বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস আর এক ধাপ এগিয়ে যাবার জন্যে প্রস্তুত হতে বলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে ‘গেট রেডি ফর প্লেইন প্যাকেজিং’। বাংলাদেশে এর অনুবাদ করা হয়েছে ‘সাদামাটা মোড়ক – তামাক নিয়ন্ত্রণে আগামি দিন’। এর আওতায় যে বিষয়গুলো থাকবে তা হচ্ছে, ১। কোম্পানি লোগো, রং ও কোনো প্রচারণামূলক তথ্য থাকবে না, ২। সংবিধিবদ্ধ সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী থাকবে, ৩। সকল ব্রান্ডের মোড়কের রং অভিন্ন হবে, এবং ৪। ব্রান্ড এবং পণ্যের নাম অভিন্ন ফন্ট ও রংয়ে হবে। সিগারেট যারা খায় তারা নেশায় যেমন খায় তেমনি এর আকর্ষণীয় মোড়কের জন্যে এর ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তাই নতুন যারা খাওয়া শুরু করবে, প্লেইন প্যাকেজিং তাদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে ভুমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়। এই পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী তামাকদ্রব্যের চাহিদা নিয়ন্ত্রণের জন্যে কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। তাই কোম্পানি এই কাজ করতে চায় না। অস্ট্রেলিয়া সরকারকে প্রায় ৫০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার ফিলিপ মরিস কোম্পানির সাথে মামলায় খরচ করতে হয়েছে, কারণ কোম্পানি দাবী করছে এতে তাদের মেধাস্বত্ত্ব অধিকার খর্ব হয়েছে। মে মাসের ১৯ তারিখে লন্ডনের উচ্চ আদালত চারটি বড় তামাক কোম্পানির বিরুদ্ধে রুল জারী করেছে যে তারা যুক্তরাজ্য এবং ইওরোপের আইনের বিরুদ্ধে কাজ করছে। মামলা করে নিজেদের কথা বলা নিঃসন্দেহে কোম্পানির দুর্বলতার লক্ষণ কারণ তাদের ব্রান্ডের প্রচারের পক্ষে আর কোন যুক্তি তারা দিতে পারছে না। যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত বিখ্যাত পত্রিকা ল্যান্সেটে [ Volume 387, No. 10034, p2163, 28 May 2016, http://www.thelancet.com/journals/lancet/article/PIIS0140-6736%2816%2930658-4/fulltext ] এই বিষয়ে সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছে। ল্যান্সেট বলছে বিশ্বে স্বল্প আয়ের দেশগুলোতে এফসিটিসি বাস্তবায়ন নানাভাবে বাধাগ্রস্থ করা হচ্ছে। যেসব দেশে তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যকর করা হচ্ছে না সেখানে তামাকের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি এবং সেখানে রোগ এবং চিকিৎসার খরচও অত্যন্ত বেশী। সেদিক থেকে দেখলে তামাক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ না করলে দেশের অর্থনৈতিক ও মানব স্বাস্থ্য উন্নয়ন সম্ভব হবে না। এর জন্যে অর্থের চেয়েও বেশী দরকার রাজনৈতিক অঙ্গীকার। বাংলাদেশে সেটা এই সময় আছে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

তাই আসুন তৈরি হই, প্লেইন প্যাকিজিংয়ের মাধ্যমে তামাক পণ্যের চাহিদা নিয়ন্ত্রণে। এটাই হোক বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবসের অঙ্গীকার।


Related Articles


লেখাটি নিয়ে এখানে আলোচনা করুন -(0)

Name

Email Address

Comments Title:

Comments


Inscript Unijoy Probhat Phonetic Phonetic Int. English
  


Available tags : সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল, ছবি, অকাল মৃত্যু, ধূমপান, হৃদরোগ, স্ট্রোক, স্বাস্থ্যে, তামাকজাত দ্রব্যে, তামাকমুক্ত দিবস,

View: 1055 Bookmark and Share


Home
EMAIL
PASSWORD