প্রতিদিন নারীরা নানাভাবে নির্যাতন, বৈষম্য ও অবমাননার শিকার হচ্ছেন। অথচ আমরা স্বাধীনতার পর থেকে সংবিধানের ৬৫(৩) ধারার কোনো পরিবর্তন আনতে পারলাম না।
(আরো পড়ুন )
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ইতোমধ্যে প্রথম অধিবেশনও চলমান; ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সংরক্ষিত ৫০টি আসন নিয়ে নির্বাচনের গুঞ্জন শোনা গেলেও এখনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। অবশ্য আসন নিয়ে তদবির থেমে নেই। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন দ্রুত সম্পন্ন করতে চায়।
(আরো পড়ুন )
আজ যখন একজন প্রতিমন্ত্রী এবং একই সঙ্গে সংসদ সদস্য নারীর বিরুদ্ধে এতো অবমাননা করেন, সেখানে এই ৭৩ জন নারী সদস্যরা কী করে চুপ হয়ে থাকেন? তাঁদের নীরবতা প্রমাণ করে তাঁরা জাতীয় সংসদে নারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্যে বসেননি, বসেছেন দল এবং নিজের ব্যাক্তিগত স্বার্থে।
দেশে নারী অবমাননার ঘটনা ঘটছে, নারীর প্রতি অশ্লীল ও অশালীন আচরণ করা হচ্ছে, খুব সহজেই ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সাধারণত রাস্তায়, কর্মক্ষেত্রে এবং পরিবারে নারী নির্যাতন এবং অবমাননার ঘটনা দেখা যায়। এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলে বিচারের ব্যবস্থাও আছে। কিন্তু ক্রমেই দেখা যাচ্ছে নারী নির্যাতন এবং অবমাননার ঘটনায় ক্ষমতাসীন দলের কর্মী, নেতা এবং এমনকি আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরাও জড়িয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে (আরো পড়ুন )