উবিনীগ


উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা

বীজ, কৃষি ও জীবন

নয়াকৃষি আন্দোলন এখন আর নতুন কোন আন্দোলন না। আজ নয়াকৃষি বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। অনেক বড় বড় সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক আন্দোলন নয়াকৃষিতে আগ্রহী। খাদ্য, কৃষি, প্রাণ ও পরিবেশ নিয়ে যাঁরা বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় তাঁরা নয়াকৃষি সম্পর্কে জানেন, বা খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করেন। নয়াকৃষি বিশ্ব খাদ্য সংস্থাসহ অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে পরিচিত এবং নয়াকৃষির গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য  স্বীকৃত, অনেক সময় তাঁরা নয়াকৃষির সঙ্গে সরাসরি কাজ করেন। সারা পৃথিবী এখন অর্গানিক বা সার-বিষ মুক্ত কৃষির ওপর জোর দিচ্ছে, ভবিষ্যতের কৃষি ঐ দিকেই যাচ্ছে। যেতে বাধ্য। দুনিয়াকে বিষ আর রাসায়নিক পদার্থে দূষিত করলে মানুষসহ কোন জীবই বাঁচবে না, এটা যে কেউই বুঝতে (আরো পড়ুন )


ফকির লালন সাঁইয়ের গৌর পূর্ণিমা উৎসবে নয়াকৃষির বীজ উৎসব

তিন দিন ব্যাপী গৌর পূর্ণিমার উৎসবের পাশাপাশি আখড়াবাড়ীতে বীজ মেলা আগত লালন ভক্তদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। প্রথম দিন, অর্থাৎ অধিবাসের দিনে বিকেলে একটূ আলোচনার আয়োজন করা হয়। ফসলের বীজের মতো একটি গভীর বিষয় বুঝতে হলে ফকির লালন সাঁইজির গানের আশ্রয় নিতেই হবে। তাই শুরু হোল গান দিয়ে, “অমৃত মেঘের বারী শুধু কথায় কি মেলে, চাতক স্বভাব না হলে” । ফরিদা আখতারের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন কৃষক নুরুজ্জামান (গজিয়া বাড়ী, টাংগাইল), মনোয়ারা বেগম (হাবাসপুর, কুষ্টিয়া), সূর্যবানু (রাজেন্দ্রপুর, নাটোর), মনোয়ারা বেগম (গোপালপুর, কুষ্টিয়া), ইয়াছমিন খাতুন, (চকরিয়া, কক্সবাজার), ফরহাদ মজহার, সীমা দাস সীমু, ডলি ভদ্র, আজমিরা খাতুন ও বেলু ফকির।

আলোচন (আরো পড়ুন )


বীজ ব্যাংক ও নয়াকৃষি বীজ সম্পদ কেন্দ্র: আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা

নয়াকৃষি বীজ সম্পদ কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য

নয়াকৃষি আন্দোলনের কৃষকদের বীজ সম্পদ কেন্দ্র আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কৃষকের উদ্যোগে দেশীয় বীজ রক্ষার আন্দোলনের মধ্যে একটি পরিচিত নাম। আন্তর্জাতিক ভাবে জাতীয় জীন ব্যংকের (National Gene Bank) পাশাপাশি এই ধরনের উদ্যোগকে সাধারণত বলা হয় 'সামাজিক বীজ ব্যাংক' (Community Seed Bank)। তবে বীজ ব্যাংকের মতো নয়াকৃষি আন্দোলনে বীজ কেন্দ্রিক কাজ কেবল বীজ সংরক্ষণ এবং বীজের আদান প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং রাসায়নিক সার ও বিষ ব্যবহার এবং মাটির তলার পানির অপচয় বন্ধ করে সামগ্রিক ভাবে প্রাণ বৈচিত্রভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলবার গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক, সাংগঠনিক এ (আরো পড়ুন )


বীজ, নয়াকৃষি ও নবপ্রাণ

প্রতি বছর ফাল্গুনি পূর্ণিমায় ফকির লালন শাহ প্রবর্তিত 'সাধুসঙ্গ'কেন্দ্র করে যে উৎসব সাঁইজীর সময় থেকে ছেঁউড়িয়ায় চলে আসছে এবার তার তারিখ পড়েছিল ১৭, ১৮ ও ১৯ ফাল্গুন ১৪২৪। অর্থাৎ ঈসায়ী ১ থেকে ৩ মার্চ ২০১৮। প্রতিবছরের মতো এবারও ছেঁউড়িয়ায় উৎসব ও মেলা উপলক্ষ্যে নবপ্রাণ আখড়াবাড়ীতে নয়াকৃষির কৃষকরা তাদের বীজ প্রদর্শন করেন ও বীজ নিয়ে আলোচনা করেন। এবার তাদের বীজ প্রদর্শন ও আলোচনার মুখ্য বিষয় ছিল বীজ সাজানো এবং শ্রেণিকরণ।

একই তারিখ ও তিথি ধরে হিন্দু সম্প্রদায় শ্রীকৃষ্ণের দোল যাত্রা উপলক্ষ্যে দোল উৎসব পালন করেন, তাই এই উৎসবকে গৌরপূর্ণিমায় সাধুসঙ্গ বা গৌর উৎসব না বলে সাধারণত ‘দোল উৎসব’ বলা হয়। গৌরাঙ্গের জন্মের সঙ্গে নদিয়ার ভাবের স (আরো পড়ুন )