উবিনীগ


উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা

জলবায়ু পরিবর্তনঃ বৈশাখ থেকে আষাঢ় মাসঃ খরায় নয়, বৃষ্টিতে ফসল এলোমেলো

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় একটি গ্রাম পাড়াসিধাই। নয়াকৃষির কৃষক কামাল হোসেনের বাড়ীতে একটি বৈঠক বসে। উবিনীগের গবেষক দলের সাথে আলোচনা হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন কি কৃষকরা আদৌ বুঝতে পারছেন? তাদের ফসলের মধ্যে কোন কি পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে? নয়াকৃষির কৃষকরা মৌসুমের পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে ফসল পরিকল্পনা করেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে গেলে বিকল্প ফসলের চিন্তাও তাদের থাকে। এই সভা অনুষ্ঠিত হয় ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৪ ( ১৮ জুলাই, ২০১৭) । এতে অংশগ্রহণ করেন ২৯ জন নারী (১৬) ও পুরুষ (১৩) কৃষক। তাঁরা বৈশাখ থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত মৌসুমের তারতম্য পর্যবেক্ষণ করেন।

এই এলাকা সাধারণত খরা প্রবণ। কৃষকরা খরা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্যে প্রস্তুত থাকেন। তবে এবার বৈশাখ থেকে আষ (আরো পড়ুন )


শ্রীপুর ও ধীতপুর গ্রামে ছটকার কারণে নদী ভাঙ্গন ৯৫ ভাগ রক্ষা পেয়েছে

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের বানতিয়ার, শ্রীপুর ও ধীতপুর গ্রামে উবিনীগ নয়াকৃষি আন্দোলন থেকে যে বাঁশের ছটকা গুলো দেওয়া হয়েছে তা বানতিয়ার বাজার বানতিয়ার উচ্চ বিদ্যালয়, বানতিয়ার গ্রাম ৯৫ ভাগ রক্ষা পেয়েছে। বিগত বছরগুলোকে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় নদী ভাঙ্গন এর কারণে গ্রামের মানুষ তাদের সহায় সম্পত্তি ঘর বাড়ী হারিয়েছে। শত শত একর আবাদি জমি চলে গেছে নদী গর্ভে। ক্ষেতের ফসল এবং পাট তিলসহ ধানের বিপুল পরিমাণ জমি নদীতে চলে গেছে। কিন্তু আমাদের একটি সুভাগ্য গত কয়েক মাস আগে যে বাঁশের ছটকা স্থাপন করা হয়েছে সেটি বর্ষার পানিতে ছটকার আশে পাশে পলি মাটি জমাট বাঁধছে এবং বাঁশের সাথে বিভিন্ন আগাছা জমেছে। যার ফলে নদী ভাঙ্গন ৯৫% ভাগ রক্ষা পেয়েছে। (আরো পড়ুন )


বাঁশের ছটকাঃ নদী ভাঙ্গন মোকাবেলায় কৃষকের জ্ঞান (১)

নদীর পাড়ের গ্রামগুলির বর্তমান অবস্থা:

শ্রীপুর গ্রামের দুই পাশেই নদী। কিছু ঘর বাড়ী ভাঙ্গা শুরু হয়েছে কিন্তু শত শত বিঘা ফসলেরর মাঠ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। ধীতপুরের একটি বড় অংশ নদী গর্ভে চলে গেছে। ছোট চামতারা ও বড় চামতারা গ্রামের লোকজন বাড়ীঘর ও ফসলি জমি হারিয়ে অন্য চরে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। যারা এখনও আছে তারা খুবই শংকার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে এই মৌসুমে অবশিষ্ট ঘর বাড়ী থাকবে কিনা। বানতিয়ার গ্রামের একাংশ নদীতে ভেঙ্গে গেছে। পাশের গ্রাম বালিয়াকান্দিতে তারা আশ্রয় ও বাড়ি ঘর তৈরী করেছে। অত্র অঞ্চলের একমাত্র অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্র বানতিয়ার বাজার নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। সপ্তাহে একদ (আরো পড়ুন )


তিনবারের পাহাড়ি ঢলেও দমেনি চকরিয়াবাসী ও উবিনীগ

|| Tuesday 22 December 2015 || বিষয়: নদী ভাঙ্গন ও বন্যা প্লাবন, জীবিকার সংগ্রাম

গত জুন ২০১৫ থেকে আগষ্ট ২০১৫ এই ৩ মাসের ব্যাবধানে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে ককসবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলা এবং বান্দরবান জেলার লামা ও আলীকদম উপজেলা ৩ বার বন্যায় প্লাবিত হয়। এলাকায় সৃষ্ট ব্যাপক বন্যায় মানুষ পানি বন্দি ও গৃহহারা হয়ে পড়ে। ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যায়, গবাদি পশু- পাখি ভেসে যায়, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে। দূর্গত মানুষের পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে প্রায় ৩ মাস সময় লেগেছে। এখনো কোন কোন এলাকার পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। পদ্মাবতী বিদ্যাঘরের কর্মীরা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার। সার্বিক ভাবে কেন্দ্রের ঘর, অফিস কক্ষ, (আরো পড়ুন )