উবিনীগ


উন্নয়ন বিকল্পের নীতি নির্ধারণী গবেষণা

উপকূলীয় পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় প্যারাবনের ভূমিকা

স্থানীয়ভাবে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন বা প্যারাবন নামে পরিচিত এবং এই বনভূমি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। এই ম্যানগ্রোভ এলাকা জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে অভ্যন্তরীণ ভূমি ও জনপদকে রক্ষা করে। পৃথিবীর এই বৃহত্তম গভীর বনভূমি বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম এলাকায় (প্রধানত খুলনা জেলা) অবস্থিত।

বাংলাদেশের উপকূলে ৫৮,৭০০ হেক্টর প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে এবং ১০০০ হেক্টর মানুষ কর্তৃক সৃষ্ট ম্যানগ্রোভ এলাকা। এটি শুধু দেশের প্রধান বৃহত্তর বনভূমি নয়, এটি পৃথিবীর বৃহত্তর একক ঘন বনাঞ্চল। সুন্দরবন এলাকা একটি জোয়ার-ভাটা সমৃদ্ধ বনাঞ্চল। এই এলাকায় উত্তর পূর্বের মিঠে পানি এবং দক্ষি (আরো পড়ুন )


লিলি আপা ও নবপ্রাণ

আমাদের কাজের মধ্যে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এমন একটি কাজ হচ্ছে নবপ্রাণ আন্দোলন। সংগঠন সম্বন্ধে আমাদের ধারণা ছিল একদমই অদ্ভূত। একদিকে কর্পোরেট স্ট্রাকচার আমরা পরিহার করেছি শুরু থেকেই, অন্যদিকে বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া শৃংখলা ও বিধিবিধানের নাগপাশে আমরা বন্দী থাকতে চাই নি। শুরু থেকেই ঠিক করেছিলাম খুব ভোরে এবং সন্ধ্যায় গান গাওয়ার মধ্যে আমরা এমন একটা সাংগঠনিক বন্ধন তৈরি করব যেন কাজ ঠিক মতো হচ্ছে কিনা তার জন্য কোন পুলিশি বা নজরদারি লাগে না।

উবিনীগে সকাল ও বিকাল গান গাওয়ার রেওয়াজ দ্রুতই কিংবদন্তিতে পরিণত হয়। সকালে গোষ্ঠ গান, বিকেলে দৈন্য গান। নিদেন পক্ষে বিকেলে তিনটি দৈন্যগান গাইবার পর যার যা ভাল লাগে গাইত। উর্দু, নেপালি, হিন্দি য (আরো পড়ুন )


মহেশখালী চ্যানেলের পূর্ব প্রান্তে প্যারাবনের কেওড়া ও বাইন প্রজাতির ৬ লক্ষ চারা রোপন

গত ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখ থেকে মহেশখালী চ্যানেলের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত বদরখালী প্যারাবনের বদরখালী ব্রীজের দক্ষিণ থেকে লম্বাখালী পাড়া পর্যন্ত ২ কিলোমিটারেরও বেশী জায়গায় মূল চরের বাইরে জেগে উঠা চরে কেওড়া ও বাইন প্রজাতির প্রায় ৬ লক্ষ চারা রোপন করা হয়। রোপনকৃত চারার মধ্যে রয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ বাইন (৬৬.৬৬ শতাংশ) চারা এবং প্রায় ২ লক্ষ কেওড়া (৩৩.৩৩ শতাংশ) চারা। ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ পর্যন্ত প্যারাবনের চারা রোপনের কাজে যথাক্রমে ২২ জন, ২৩ জন এবং ২৬ জন স্থানীয় লোক কাজ করেছেন, যারা এ কাজে অভিজ্ঞ।

কেওড়া ও বাইনের চারা রোপনের পর গত ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ তারিখে আরও ৫ জন অভিজ্ঞ লোক নিয়ে রোপনকৃত চারার মাঝে মাঝে বাইন গাছের ছোট ছোট (আরো পড়ুন )


জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য উৎপাদন

জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তদেশীয় কমিটি বা IPCC (Intergovernmental Panel On Climate Change) এ বছর আগস্ট মাসে কৃষি সংক্রান্ত, বিশেষ করে খাদ্য উৎপাদন নিয়ে, সতর্কতামূলক একটি প্রতিবেদন দিয়েছে। এতে বলা হয়েছে কৃষি এবং খাদ্য উৎপাদনের সাথে জড়িত কর্মকাণ্ড বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের (GHG) ক্ষেত্রে ৩৭% দায়ি। এই প্রতিবেদন তৈরি করেছেন বিশ্বের ১০০ জন বিজ্ঞানী; তাঁরা কৃষিতে জমির ব্যবহার এবং এর কারণে জলবায়ুতে কি ধরণের প্রভাব পড়ছে তা খতিয়ে দেখেছেন। তাঁরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন বিশ্বের উষ্ণতা কমাতে হলে খাদ্য উৎপাদনের ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। সুনির্দিষ্টভাবে তাঁদের প্রস্তাব হচ্ছে জমির সঠিক ব্যবহার, খাদ্য তালিকায় মাংস কমিয়ে আনা এবং খাদ্য অপচয় (আরো পড়ুন )


নয়াকৃষি আন্দোলনের কৃষক আফছার উদ্দিন ইন্তেকাল করেছেন

নয়াকৃষি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠক কৃষক আফছার উদ্দিন ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯/১ আশ্বিন, ১৪২৬ তারিখে তাঁর নিজ গ্রাম নান্দুরিয়াতে ৮৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন। তার জন্ম হয়েছিল ১২ মার্চ ১৯৩৬।

আফছার ভাই টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলায় নয়াকৃষি আন্দোলনের শুরু থেকেই জড়িত ছিলেন। তিনি নিজে ১৯৭০ সালের পর থেকে আধুনিক কৃষি পদ্ধতিতে চাষ করতেন এবং একজন ‘সফল’ আধুনিক কৃষক হিশেবে স্বীকৃতিও পেয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৯০ সালে এসে তাঁর নিজের অভিজ্ঞতা এবং তাঁর গ্রামের অধিকাংশ কৃষকের নেতিবাচক অভিজ্ঞতায় তিনি অতীষ্ট হয়ে ওঠেন এবং এই সময় নয়াকৃষির উদ্যোগের খবর পেয়ে তিনি এগিয়ে আসেন। নয়াকৃষি তাঁর জন্যে যেন নতুন আশার আলো (আরো পড়ুন )


শুধু আমন ধান নয়, অতি তাপে শিম চাষও ব্যহত হয়েছে

ঈশ্বরদী উপজেলার পাড়াসিধাই গ্রামে নয়াকৃষি কৃষক সালেহার বাড়িতে অনুষ্ঠিত কৃষকদের সভায় এবারের শিমের চাষ কেমন হয়েছে আলোচনা করা হয়। কৃষক যে কোন একটি ফসলের মৌসুমকে কেন্দ্র করে নিয়মিত বসেন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নিয়ে পর্যালোচনা করেন। একে অপরকে পরামর্শ দেন, সে অনুযায়ি সমাধানের চেষ্টা করেন। পাড়াসিধাই গ্রাম মূলত সব্জি চাষের গ্রাম। এই মৌসুমে তাদের প্রধান ফসল শিম। বাণিজ্যিক ভাবেই চাষ হয়। মাঠের পর মাঠ শুধু সীম দেখা যায়। আগের বারে বর্ষা না হবার কারণে প্রায় এক বছর ধরে এলাকা থেকে আমন ধানের আবাদ প্রায় উঠে গেছে। কৃষকরা বাধ্য হয়ে দুটো পয়সার জন্য অটো এবং রূপভান শিমের আবাদ শুরু করছিলেন। ক’ বছর ধরে ভালই লাভ হচ্ছিল। নিজেদের হাতে বীজ রেখে শিমের আবাদ কর (আরো পড়ুন )


আমন ধানের চাষ: ধানের বীজ রাখার জন্যে দিত্বীয়বার চেষ্টা

টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলায় বন্যার কারণে অধিকাংশ কৃষকের ধান তলিয়ে গেছে। শুধু স্থানীয় জাতের আমন ধান নয় উফসী বিআর-১১, বিনা-৭, বিআর-৪৯ ধানও নষ্ট হয়ে গেছে। তবুও কৃষক হাল ছাড়েন নি। যেসব কৃষক পরবর্তীতে চারা সংগ্রহ করতে পেরেছেন তারা পুনরায় আমন ধানের চারা জমিতে রোপন করেছেন। কিন্তু এই কাজ ও সহজ ছিল না। কয়েকজন কৃষকের কথা এখানে তুলে ধরা হচ্ছে:

কসবা-আটিয়া গ্রামের কৃষক ছালাম মিয়া বলেন, প্রথম বার চাষ করা ধান নষ্ট হওয়ার পর আমি চিন্তায় পড়ে যাই, পরের বছর আবাদ করার জন্য বীজ পাব কোথায়। এরপর আমার গ্রামের কয়েকজনের সাথে আলোচনা করে জানতে পারি এলেঙ্গা ধানের চারা বিক্রি হয়। আমি ২৪ ডিসিমাল জায়গার জন্য ২০০ নাজিরশাইল ধানের চারা ১ হাজার টাকায় এলেঙ্গা হাট থে (আরো পড়ুন )


হঠাৎ বন্যা ও শ্রাবণ-ভাদ্রের খরায় আমন চাষ ব্যাহত: জমি পতিত রয়েছে

টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার কৃষক ২০১৯ সালে কৃষকরা আমন ধান চাষ করতে সমস্যায় পড়েছেন। বীজতলা নষ্ট হয়ে যাওয়া এবং পানির অভাবে আমন ধানের বীজ লাগিয়েও চাষ করতে পারেন নি অনেক কৃষক। প্রায় ৬০-৭০% আমন ধানের জমি পতিত পড়ে আছে। তাদের সমস্যা বর্ণনা করেছেন কয়েকজন কৃষক। এই কৃষকরা মূলত স্থানীয় জাতের আমন ধান যেমন কার্তিক ঝুল, নাজিরশাইল, হরিঙ্গা দিঘা,সাদা দিঘা, পাটজাগ, গণকরায় ধানের চাষ করেন। এগুলো বন্যা সহনশীল জাত, কিন্তু আগাম বন্যা হওয়াতে গাছ বড় হবার আগেই তলিয়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে যায়। আবার যখন পানির প্রয়োজন তখন বৃষ্টি হয় নি, এবং সেচেরও কোন ব্যবস্থা নাই। সাধারণত সেচের স্যালো মেশিন শীতকালীন বোরো ধানের জন্যে ব্যবহার হয়। স্থানীয় জাতের ধানের বীজের স্বল্পতাও তাদের প (আরো পড়ুন )


ঈদ উৎসবে খাদ্যের ধরণ ও ধানের জাত

সারা বছরই কৃষকরা বিভিন্ন উৎসব করে থাকেন। এর মধ্যে মুসলমানদের ধর্মীয় বড় উৎসব ঈদ-ঊল ফিতর এবং ঈদ-ঊল আযহা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এবার ঈদুল আযহা হয়ে গেল আগস্ট মাসের ১২ তারিখে (২৮ শ্রাবণ, ১৪২৬, ১০ জিলহজ্জ ১৪৪০)। উৎসব মানেই খাবারের আয়োজন এবং কৃষক পরিবারে তা আসে নিজস্ব উৎপাদিত ধান থেকে। গৃহস্থ বাড়ীতে নানা ধরণের পিঠা, পায়েশ, পোলাও, খিচুরির আয়োজন থাকে এবং তা তৈরি করতে ভিন্ন ভিন্ন জাতের ধানের প্রয়োজন। সেই ধান কৃষক উৎপাদন করছেন কিনা বা করতে পারছেন কিনা, নয়াকৃষির দিক থেকে তা দেখা খুব জরুরি। নয়াকৃষির কাজের অন্যতম প্রধান দিক হচ্ছে বীজের বৈচিত্র্য রক্ষা এবং হারিয়ে যাচ্ছে এমন বীজ সনাক্ত করে তার চাষের ব্যবস্থা করা। বিভিন্ন উৎসবে ধানের জাত সম্পর্কে জানার মাধ (আরো পড়ুন )


বিশ্বব্যাপি ডেঙ্গুর প্রকোপ

বিশ্বব্যাপি ডেঙ্গু আজ একটি আতঙ্কের নাম।কয়েক দশক আগেও মাত্র নয়টি দেশে বিচ্ছিন্ন ভাবে ডেঙ্গুর বিস্তার ছিল। কিন্তু আজ বৈশ্বিক জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক ডেঙ্গু আক্রমণের আশঙ্কায় আছে। প্রধানত ট্রপিক্যাল এবং সাব-ট্রপিক্যাল অঞ্চলের মানুষ ডেঙ্গ আক্রমণের ঝুঁকিতে আছেন। দ্রুত নগরায়নের ফলে ডেঙ্গর প্রকোপ বাড়ছে।

ডেঙ্গুর লক্ষণ:

প্রচন্ড পেট ব্যথা। ঘন ঘন প্রশ্বাস। উচ্চ মাত্রার জ্বর বার বার বমি। অস্থিরতা। শরীরে অবসতা। লিভার বেড়ে যাওয়া।

দিনে দিনে বিশ্বব্যাপি ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। ডেঙ্গু একটি ভাইরাস জনিত রোগ। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। ভয়ের বিষয় হলো এই যে, আজ পর্যন্ত (আরো পড়ুন )


টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ জেলার বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির কিছু চিত্র

দেলদুয়ারসহ টাঙ্গাইল জেলার প্রায় সব এলাকায় বেশ কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির করনে ধলেশ্বরী ও ধলেশ্বরীর শাখা এলেংজান নদী সহ স্থানীয় কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ধলেশ্বরী নদীর নিকটবর্তী লাউহাটি ইউনিয়নের পাঁচুরিয়া, স্বল্পনাড়ু, মাঝিবাড়ি, কাতুলী, পাহাড়পুর, বিলশা, দাড়িয়াপুর, হেড়ন্ডপাড়া, চর লাউহাটি, বন্নি, স্বল্পনাড়ু– ৭নং, তাঁতশ্রী দক্ষিণ পাড়া, কাতুলী, ডামখন্ডসহ ফাজিলহাটি, এলাসিন ও দেউলী ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের মধ্যে নদীর কাছাকাছি গ্রাম তারুটিয়া, স্বল্পনাড়ু, পাঁচুরিয়া, ডামখন্ড, হেরন্ডপাড়া গ্রামের অবস্থা বেশি ভয়াবহ। ঘরের ভিটামাটি, ঘরের ডোয়া ভেঙ্গে মাচার ডোলসহ (আরো পড়ুন )


বন্য প্রজাতি ও ইকোসিস্টেমকে জেনেটিক ইঞ্জিনীয়ারিং নয়: আইইউসিএনকে পরিবেশবাদীদের চিঠি

আন্তর্জাতিক সংস্থা International Union for Conservation of Nature (IUCN) বিশ্বের প্রাকৃতিক জগতের পরিস্থিতি এবং তা রক্ষার জন্যে করণীয় নির্ধারণের একটি গুরুত্বপুর্ণ সংস্থা। বিভিন্ন সময়ে IUCN বিভিন্ন প্রাণি, উদ্ভিদসহ প্রকৃতি জগতের ক্ষতি বা বিপন্ন হলে সাবধান করেছে, এবং সেই প্রাকৃতিক সম্পদের লাল তালিকা তৈরি করেছে। তার কারণে দেশ বিদেশের পরিবেশ সংগঠনের কাছে IUCN অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে গত ৯ মে, ২০১৯ তারিখে IUCN এর ওয়েবসাইটে Genetic Frontiers for Conservation report প্রকাশিত হয়েছে, যার অধিকাংশ লেখক বন্যপ্রজাতিকে জেনেটিক ইঞ্জিনীয়ারিং করা এবং সেগুলো ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেয়ার পক্ষে ওকালতি করছেন, যা ইকোসিস্টেম এবং পরিবেশের জ (আরো পড়ুন )


তামাকে মানুষ মরছে আর কোম্পানি মুনাফা লুটছে! 

কালো কাপড় প্রতিবাদের ভাষা।

তামাকে মানুষ মরছে অথচ কোম্পানি কামাচ্ছে মুনাফা। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবার জন্য নারী নেমে এসেছেন রাস্তায়। প্রতিবাদ করছেন। তাঁরা বলছেন, নিদেন পক্ষে তামাক দ্রব্যে ওপর কর বাড়াও, যেন তামাকের নেশা কিছুটা হলেও ছুটে যায়। তামাক কোম্পানির লাগাম টেনে ধরুন

বাংলাদেশে তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার বেড়েছে। স্বাস্থ্যের মারাত্মক ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তামাকের বিষয়টি সম্পূর্ণ উপেক্ষা  করা হয়েছে প্রস্তাবিত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে বাজেটে। তামাকজাত পণ্যের উপর আশানুরূপ কর আরোপ করা হয়নি। তামাকাজাত পণ্যের ব্যবহার কমানোর জন্য এ বাজেটে কোন প্রতিফলন নাই।

২০১৯-২০ অর্থ বছরের চুড়ান্ত বাজ (আরো পড়ুন )


তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি

সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল, সাদাপাতার মতো ধোঁয়াযুক্ত এবং ধোঁয়াবিহীন তামাক দ্রব্যের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্যে দেশে আইন আছে এবং সেই আইন বাস্তবায়নের জন্যে বিধিমালাসহ নানা ধরণের ব্যবস্থা রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশান অন টোবাকো কন্ট্রোল (এফসিটিসি) এখন সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাদের কাছে পরিচিত। তামাক স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর, তামাকের কারণে প্রতিরোধযোগ্য রোগে লক্ষাধিক মানুষ মারা যাচ্ছে প্রতি বছর, এই ব্যপারে সচেতনতাও সৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু তামাক নিয়ন্ত্রণ কেবল ব্যবহার বা চাহিদা নিয়ন্ত্রণের বিষয় নয়। এর যোগানের দিক, যেমন তামাক পাতার চাষ, বিড়ি/সিগারেট/জর্দা উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ২০৪০ সালের মধ্যে দেশকে তামাকমুক্ত করার মাননীয় প্র (আরো পড়ুন )


আধুনিক কৃষির গোড়ায় বিষ

ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ, হাইব্রিড বা ‘উচ্চ-ফলনশীল বীজ’, সার-বিষ ব্যবহার ও ডিপ টিউবওয়েল দিয়ে মাটির তলার পানি তোলা – সব মিলিয়ে পুরা প্যাকেজের নামই আধুনিক কৃষি। গত শতাব্দির ষাটের দশকে এ দেশে আধুনিক কৃষির প্রবর্তন করেছিলেন তৎকালিন পাকিস্তানের শাসক ফিল্ড মার্শাল আয়ুব খান। ঘটেছিল বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল কমিউনিস্টদের বিপ্লবী ভূমিসংস্কার অর্থাৎ সামন্ততান্ত্রিক ও আধা-সামন্ততান্ত্রিক ভূমি বন্দোবস্ত উৎখাত না করে কৃষির সংস্কার। লাল বিপ্লবের বিপরীতে এই কৃষির নাম তাই ঘটা করে দেয়া হয়েছিল গ্রীন রেভ্যুলুশান বা সবুজ বিপ্লব।

‘আধুনিক’ নাম দেবার পেছনে উদ্দেশ্য ও প্রধান প্রপাগান্ডা ছিল আমাদের কৃষক ও কৃষি (আরো পড়ুন )


মামুদপুর গ্রামের ফসলের বৈচিত্র্য: প্রতুলতা ও প্রসারতা নিরুপণ

ফোর-সেল এ্যনালাইসিস: রিচনেস-ইভেননেস অব বাইওডাইভারসিটি (Four Cell Analysis: Richness and Evenness of biodiversity), যে কোন একটি এলাকায় প্রাণবৈচিত্র্যের অবস্থা নিরুপণের অংশগ্রহণমূলক গবেষণা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে গত ১৬ জুন, ২০১৯ তারিখে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার মামুদপুর ও তার আশেপাশের গ্রামের কয়েকজন কৃষককে নিয়ে আলোচনা করা হয়।

কৃষক সভার স্থান: রিদয়পুর বিদ্যাঘরের “বীজসম্পদ” কেন্দ্রের সামনে

অংশগ্রহকারী কৃষক :

১। কৃষক সুরাইয়া বেগম, গ্রাম বাবুপুর, ২। আলী হোসেন, গ্রাম বাবুপুর, ৩। ওসমান গনি, গ্রাম মুশুরিয়া ৪। আমেনা বেগম, গ্রাম মামুদপুর এবং ৫। রীনা বেগম, গ্রাম মামুদপুর

নবীরন বেগম ফাজিলহাটি থেকে এসেছেন, তিনি মূলত (আরো পড়ুন )


একটি তামাক করনীতি প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি

সব দিক বিবেচনায় তামাক একটি ক্ষতিকর পণ্য। অথচ এখনো এর ব্যবহার প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ। সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, সাদাপাতা ও গুলের ব্যবহার এমন পর্যায়ে চলে গেছে, যেন মনে হয় এগুলো দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় অংশ। অথচ আন্তর্জাতিকভাবেই এসব পণ্যের ক্ষতির দিক প্রমাণিত। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তামাক নিয়ন্ত্রণের সনদ মেনে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ২০০৫ সাল থেকে তামাক নিয়ন্ত্রণের সুনির্দিষ্ট আইন আছে। এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও আছে। তা সত্ত্বেও তামাক ব্যবহারের এ হার বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে অনেক বেশি এবং ক্রমাগতভাবে নতুন প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ছড়াচ্ছে। অর্থাৎ তামাক কোম্পানির সক্রিয় চেষ্টা তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে ব্যা (আরো পড়ুন )


রোমেসা বেগম ও ‘ময়নাগিরি’ ধানের বেচন

রোমেসা বেগম নয়াকৃষির একজন কৃষক। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বাবুপুর গ্রামে তার বাড়ি। তিনি চৈত্র মাসে ময়নাগিরি ধানের জালা ফেলে থাকেন। এই ধানে মুড়ি ভাল হয়।

রোমেসা বেগম নিজে এই ধানের বীজ রেখেছেন। তিনি ধান শুধু ফসলের জন্য চাষ করেন না, ধানের বীছন বা ‘বেচন’ও করেন। বীছন বা জালাকে টাঙ্গাইলে ‘বেচন’ বলে। আমরা রোমেসার ভাষাই এখানে ব্যবহার করছি। ভাষার পার্থক্যের মধ্যে দিয়ে ভূগোল ও প্রাণের বৈচিত্রও ধরা পড়ে। স্থানীয় ভাষা একই সঙ্গে লোকায়ত জ্ঞানের আধার।

রোমেসার বেচন করাই প্রধান কাজ। তিনি মনে করেন, বেচন করার জন্য যে ধরনের উঁচু জমি বা টান জমি দরকার তা সব কৃষকের নাই। তাই সবাই বেচন করতে পারে না। বেচন না করতে পারলে কৃষকে (আরো পড়ুন )


নিহার বানু ও ‘কালো বকরী’ স্থানীয় জাতের ধানের গল্প

বড়াইগ্রাম উপজেলার (নাটোর) এর রাজেন্দ্রপুর গ্রামের নিহার বানু একজন নয়াকৃষির কৃষক। তিনি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে আউশ ধান কালো বকরী চাষ করছেন। এই ধান খরা সহনশীল হিসাবে পরিচিত। যত খরা হোক না কেন ধানের গাদ মাটিতে মিশে গেলেও আবার হালকা হালকা একটু বৃষ্টি পেলে গাছ তাজা হয়ে যায়। তাই শুধু নিহার বানু নয়, তার গ্রাম এবং তার জানামতে আশে পাশের গ্রামে শতকরা ৫০-৬০% কৃষক এই ধান চাষ করে।

নিহার বানুর যখন বিয়ে হয়, স্বামীর অবস্থা তেমন ভাল ছিল না। তিনি কালো বকরী ধান চাষ করার জন্য তার বাবার কাছ থেকে ৫ কেজি বীজ এনে ১২ কাঠা জমিতে চাষ করেন। বাবার বাড়িও নাটোরের একই বিলে। এরপর থেকে তিনি এই ধান চাষ করে আসছেন। কোন সময় বাদ দেন না। এই ধানের বীজ কৃষকের ঘরে ঘরে আছে। এই ধান ভ (আরো পড়ুন )


বীজ, কৃষি ও জীবন

নয়াকৃষি আন্দোলন এখন আর নতুন কোন আন্দোলন না। আজ নয়াকৃষি বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। অনেক বড় বড় সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক আন্দোলন নয়াকৃষিতে আগ্রহী। খাদ্য, কৃষি, প্রাণ ও পরিবেশ নিয়ে যাঁরা বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় তাঁরা নয়াকৃষি সম্পর্কে জানেন, বা খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করেন। নয়াকৃষি বিশ্ব খাদ্য সংস্থাসহ অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের কাছে পরিচিত এবং নয়াকৃষির গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য  স্বীকৃত, অনেক সময় তাঁরা নয়াকৃষির সঙ্গে সরাসরি কাজ করেন। সারা পৃথিবী এখন অর্গানিক বা সার-বিষ মুক্ত কৃষির ওপর জোর দিচ্ছে, ভবিষ্যতের কৃষি ঐ দিকেই যাচ্ছে। যেতে বাধ্য। দুনিয়াকে বিষ আর রাসায়নিক পদার্থে দূষিত করলে মানুষসহ কোন জীবই বাঁচবে না, এটা যে কেউই বুঝতে (আরো পড়ুন )


গ্লাইফোসেট ও মনসান্টো আপনি কি নিরাপদ?

ধরুন, সকালে কিংবা বিকালে খুব আয়েশ করে চায়ে চুমুক দিচ্ছেন। কিন্তু একবারও কি মনে হবে আপনি সম্ভবত বিষ খাচ্ছেন? চা খাওয়ার সময় নিশ্চয়ই কেউ ভাববেন না যে এর উৎপাদনের সময় চা বাগানে আগাছানাশক হিসেবে এমন কিছু ব্যবহার হয়েছে, যা ক্যান্সারের কারণ। শুধু তাই নয়, যেসব এলাকায় চা বাগান রয়েছে, সেই বিষাক্ত আগাছানাশক প্রাণ ও প্রকৃতির সর্বনাশ ঘটাচ্ছে। বিষ-বিধৌত পানি বিল, হাওড়-বাঁওড়ে গিয়ে মাছসহ জলজ প্রাণ নষ্ট করছে। কিন্তু আমাদের কোনো হুঁশ নেই।

শুধু পানীয় হিসেবেই নয়, অনেকে চা শরীরের উপকারের জন্যও পান করেন। সর্দি বা জ্বর হলে লেবু বা আদা দিয়ে রঙ চা খেলে ভালোই লাগে। দুধ চা আরো মজার। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আড্ডায় চা ছাড়া জমে না, রাজনীতির আলোচনা গরম হয় না। পাড়ায় (আরো পড়ুন )


চৈত্রসংক্রান্তি ও প্রকৃতির সাথে বোঝাপড়া

চৈত্র সংক্রান্তি পালনের বিষয়টি বছর শেষ ঘোষণার জন্য নয়, কিম্বা পরদিন নতুন বছর শুরু হচ্ছে বলে ‘নববর্ষের’ প্রস্তুতিও নয়। দিনটি পালিত হয় মানুষের শরীর ও প্রকৃতির মধ্যে সম্বন্ধ রচনার যে চর্চা এই নদীমাতৃক সবুজ বদ্বীপে বহু দীর্ঘকাল ব্যাপি জারি আছে তাকে চিনবার ও জানবার জন্য।

চৈত্র মাস শেষ হচ্ছে, আসছে বৈশাখ। এর মধ্য দিয়ে আসছে বাংলা সনের আর একটি বছর, ১৪২৬। নতুনভাবে আসা বাংলা বছরকে আগাম শুভেচ্ছা জানাই। একবছর শেষ হয়ে আর একবছর আসছে তবে ১৪২৫ থেকে ১৪২৬, ইংরেজি ধারণা থেকে গুণতে যাওয়া ঠিক নয়। বাংলার ভাবে বছর আর ঋতুর প্রবল পার্থক্য রয়েছে যা আমরা এখন আর ধরতে পারি না। বাংলার ঋতু ফিরে ফিরে আসে, চক্রাকারে প্রত্যাবর্তন করে, একই ঋতুর বারবার আবির (আরো পড়ুন )


যে ‘কাল’ সদাই ‘বর্তমান’, যা ‘শেষ’ তাই ‘আরম্ভ’, চৈত্র সংক্রান্তি ১৪২৫

৩০ চৈত্র ১৪২৫ (১৩ এপ্রিল ২০১৯) আপনাকে সাদর আমন্ত্রণ। আসুন সবাই মিলে এবার চৈত্র সংক্রান্তি পালন করি। আমাদের আয়োজন ঢাকায় এবং টাঙ্গাইলে। ঢাকায় নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা, আড্ডা এবং শস্য প্রবর্তনার আয়োজনে থাকছে সকাল থেকে ছাতু, চিড়া, দই, মুড়ি, খই, তিল ও নারিকেলের নাড়ু ইত্যাদি এবং নানান ধরণের শরবত। দুপুরের খাবারে চৌদ্দ রকমের শাক, ডাল, সবজি ও লাল ও সাদা চালের ভাত। এই দিন কোন মাছ-মাংস রান্না হবে না।

টাঙ্গাইলে নয়াকৃষি আন্দোলনের কৃষকরা তাদের গ্রাম থেকে শাক কুড়িয়ে আনবেন এবং রিদয়পুর বিদ্যাঘরে সব্জি, ডাল ইত্যাদি নানা রকম রান্না করবেন। তার পাশাপাশি তারা গ্রামে প্রাণ বৈচিত্র্য ব্যবস্থাপনা ও নিরাপদ খাদ্য নিয়ে আলোচনা করবেন। নবপ্রাণ আন্দোলনের শিল্পীরা দেশে (আরো পড়ুন )


নয়াকৃষি কৃষকের আড্ডা: ধানের জাত হারালে পরিবারে আনন্দ টিকবে না 

রিদয়পুর বিদ্যাঘরে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন গ্রাম থেকে কৃষকেরা এসে আমাদের সাথে একদিন আড্ডা দিয়েছেন। চৈত্র মাসের ১৩ তারিখ (১৪২৫ সাল)। সংখ্যায় বেশি নয়, বারোজন, কিন্তু নয়াকৃষি আন্দোলনের অঙ্গে যুক্ত বলে বীজ নিয়ে তাঁদের চর্চা ও জ্ঞান অসামান্য। আলোচনা হয়েছে সারা বছর বিভিন্ন উৎসবে কী কী ধরণের খাবার তৈরি হয় এবং সে জন্য কি জাতের ধান কৃষক ব্যবহার করেন।

বাংলাদেশের কৃষক প্রধানত ধান চাষের ওপরই নির্ভরশীল। বেশির ভাগ, (প্রায় ৭০%) কৃষকই ক্ষুদ্র কৃষক যাদের জমির পরিমাণ এক হেক্টরের কম। এই জমিতে আমন, আউশ ও বোরো ধান ও শীতকালীন সব্জি, তেল, ডাল ইত্যাদি চাষ করেন। নিজের পরিবারের প্রয়োজন মিটিয়ে তারা কিছু বাজারেও বিক্রি করেন। বাকী ২৫% মধ্যম ও ৫% বড় কৃষক আছেন যারা বাণ (আরো পড়ুন )


ফকির লালন সাঁইয়ের গৌর পূর্ণিমা উৎসবে নয়াকৃষির বীজ উৎসব

তিন দিন ব্যাপী গৌর পূর্ণিমার উৎসবের পাশাপাশি আখড়াবাড়ীতে বীজ মেলা আগত লালন ভক্তদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। প্রথম দিন, অর্থাৎ অধিবাসের দিনে বিকেলে একটূ আলোচনার আয়োজন করা হয়। ফসলের বীজের মতো একটি গভীর বিষয় বুঝতে হলে ফকির লালন সাঁইজির গানের আশ্রয় নিতেই হবে। তাই শুরু হোল গান দিয়ে, “অমৃত মেঘের বারী শুধু কথায় কি মেলে, চাতক স্বভাব না হলে” । ফরিদা আখতারের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন কৃষক নুরুজ্জামান (গজিয়া বাড়ী, টাংগাইল), মনোয়ারা বেগম (হাবাসপুর, কুষ্টিয়া), সূর্যবানু (রাজেন্দ্রপুর, নাটোর), মনোয়ারা বেগম (গোপালপুর, কুষ্টিয়া), ইয়াছমিন খাতুন, (চকরিয়া, কক্সবাজার), ফরহাদ মজহার, সীমা দাস সীমু, ডলি ভদ্র, আজমিরা খাতুন ও বেলু ফকির।

আলোচন (আরো পড়ুন )


 ফকির লালন সাঁইজীর গৌরপূর্ণিমা উৎসব ১৪২৫ অনুষ্ঠিত হলো  

কুষ্টিয়ার কুমারখালী, ছেঁউড়িয়াতে, ২০ মার্চ থেকে ২২ মার্চ পালিত হলো ফকির লালন সাঁইজীর গৌরপূর্ণিমা উৎসব ১৪২৫।

নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে এবারের গৌরপূর্ণিমা উৎসবে যে গানটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে সেটি হলো ‘এমন বয়সে নিমাই ঘর ছেড়ে ফকিরি নিলে, ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে’...।

লালনের এই গুরুত্বপূর্ণ গানটি তেমন ভাবে চর্চায় ছিল না বলা যায়।

তিনদিনের উৎসবে নবপ্রাণ আখড়াবাড়িতে প্রতিদিন ভোর ৬ টায় লালন সাঁইজির গোষ্ঠ গান দিয়ে দিনের শুরু হয়েছে। এবং রাত ৮টা পর্যন্ত লালন সাঁইজির বিভিন্ন ধারার গান পরিবেশিত হয়েছে। বিশেষ করে পরিবেশিত হয়েছে লালন সাঁইজির গৌর গান- "এনেছে এক নবীন গোরা নতুন আইন নদীয়াতে", "গোল করো না ও নাগর (আরো পড়ুন )


ব্যর্থ বিকৃত বীজ (জিএমও) বিটি বেগুন কৃষকের ওপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে

বাংলাদেশে প্রথম বিতর্কিত বিকৃত বীজের (Genetically Modified Transgenic Organism) খাদ্য ফসল বিটি বেগুন কৃষক পর্যায়ে চাষের জন্য সরকারের পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পায় অক্টোবর, ২০১৩ সালে এবং কৃষকের হাতে চারা তুলে দেয়া হয় ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে। পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক অনিশ্চয়তার কারণে ভারত ও ফিলিপাইনে এই বেগুন কোন অনুমোদন পায়নি, বাংলাদেশেও বিজ্ঞানী, পরিবেশ কর্মী ও কৃষক পর্যায়ে ব্যাপকভাবে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা তুলে ধরে প্রতিবাদ করা হয়েছিল, এমন কি কোর্টেও মামলা হয়েছিল। কিন্তু সবকিছু উপেক্ষা করে বহুজাতিক মার্কিন কোম্পানি মনসান্তো এবং ভারতের কোম্পানি মাহিকো বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BARI)-এর মাধ্যমে এই কাজ (আরো পড়ুন )


সুবর্ণচরে নারী ধর্ষণে কলংকিত গণতন্ত্র

ডিসেম্বর ৩০ তারিখ, ২০১৮। এই দিন সারাদেশে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয়েছে। দিনশেষে নির্বাচনের ফলাফল আমরা জেনেছি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে, আর অন্যান্যরা ধড়াসায়ী হয়েছে। সারাদিন এটাও জেনেছি ভোটাররা ভোট দিতে গিয়েও দিতে পারেন নি, তাদের বলা হয়েছে “আপনার ভোট দেয়া হয়ে গেছে”; কেউ কেউ ভোট কেন্দ্রে গিয়েও ঢুকতে পারেন নি। তবুও নির্বাচন অংশগ্রহণমুলক হয়েছে বলে সবাই স্বস্তিতে ছিলেন। যদিও নির্বাচনের ফলাফল অংশগ্রহণকারি রাজনৈতিক দলগুলো মেনে নেয় নি। এসব ভিন্ন আলোচনা। কিন্তু সবকিছু ছাপিয়ে যে বিষয়টি এখনো নির্বাচনের জয়ের কপালে একটা কলংক চিহ্ন হয়ে আছে, তা হচ্ছে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় ভোট প্রয়োগ করতে আসা নারীর ওপর হি (আরো পড়ুন )


কয়লা ব্যবহারই বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির মূল কারণ

বাংলাদেশে নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসছে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করার শর্ত কিছুটা পূরণ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু স্বচ্ছ, সব দলের সমান সুযোগ সৃষ্টি করার পরিবেশ, নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ ও স্বাধীন ভূমিকা, ভোটারদের নির্ভয়ে ভোট দিতে পারার পরিবেশ হবে কিনা, এ বিষয়ে এখনো মানুষ শঙ্কিত। কারণ এখন সব আক্রমণ চলছে প্রার্থীর ওপর, সময়মতো ভোটারও আক্রান্ত হবে।

তবু নির্বাচন এলে আমাদের কিছু বিষয় অবতারণার সুযোগ হয়। ক্ষমতাসীন দল আবার ক্ষমতায় আসতে চায় উন্নয়নের ধারাবাহিকতার দোহাই দিয়ে। জিডিপির হার বাড়ছে এবং আরো বাড়বে বলে তারা অঙ্গীকার করছেন। উন্নয়নের একটি সূচক হচ্ছে, দেশে ঘরে ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বলবে, গাড়ি চলবে, বড় রাস্তা হবে ইত্যাদি। যদিও এ আলো সব বাড়িতে একইভাবে জ্ব (আরো পড়ুন )


নারী আসন আরো ২৫ বছর ও নারীর রাজনৈতিক পঙ্গুত্ব

জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন আরও ২৫ বছর থাকার বিধান রেখে গত ৮ জুলাই, ২০১৮ জাতীয় সংসদে সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনী বিল ‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল-২০১৮’ বিভক্তি ভোটে পাস হয়েছে। এই সংশোধনীতে ৫০ টি নারী আসনের সংখ্যাও বাড়ানো হয়নি এবং নির্বাচন পদ্ধতিতেও কোন পরিবর্তন আনা হয়নি। শুধু ২৫ বছরের জন্যে মেয়াদ বাড়িয়ে সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদে সংশোধনী আনা হয়েছেঃ

‘সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন,২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া ২৫ বৎসর কাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাঙ্গিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং আইনানুযায়ী পূর (আরো পড়ুন )


জাতীয় কৃষিনীতি ২০১৮: কৃষিকে ইনপুট-অউটপুট নির্ভর শিল্পে রুপান্তর

একটি উচ্চাভিলাষী বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক কৃষি উন্নয়নের দৃষ্টি কোণ থেকে জাতীয় কৃষিনীতি ২০১৮ প্রণীত হয়েছে। এ নীতি পরিবেশ বান্ধব নয়, স্থিতিশীল নয়, এবং সৃজনশীলতা বর্জিত।

গত শতাব্দীর ষাটের দশক থেকে তথাকথিত সবুজ বিপ্লবের মূলনীতি নির্ভর অধিক ফলনের সোনার হরিণের পিছনে লাগামহীন গতিতে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল তা বর্তমান জাতীয় কৃষিনীতি ২০১৮ তে আরো বহুগুণ বেগবান করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

মনে রাখা ভালো, কৃষি মানব জাতির একটি বেহেস্তি উপহার। প্রকৃতির দান, প্রাণ প্রকৃতির সহমর্মিতায় স্থিতিশীল ফলন। পরিবেশের ভারসাম্য রহ্মার স্বার্থে উৎপাদন উপকরণ, ফলন এবং নেট রিটার্ন হিসাব রাখা প্রয়োজন। কারণ কোন সম্পদই অফুরন্ত নয়। কৃষি উৎপাদনের প্রধান হ্মেত্র মাটি। সচেত (আরো পড়ুন )


স্বাস্থ্য খাতে অ-সুস্থ্য বাজেট

বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ দেখে হতাশ হয়েছেন অনেকেই, আবার অনেকেই বিষয়টি লক্ষ্যই করেন নি। অর্থনীতিবিদ রাজনীতিবিদসহ যারা বাজেট নিয়ে কথা বলছেন তাঁরাও কেউ স্বাস্থ্যকে তেমন গুরুত্ব দিচ্ছেন না। বাজেট বক্তৃতায় এবং পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সরকারও গুরুত্ব দেয়নি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণায়ের কেউ অর্থমন্ত্রীর পাশে বসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরও দেন নি। স্বাস্থ্যখাত এতোই অবহেলিত। এবার ২০১৮-১৯ সালে মোট বাজেটের ৫.০৩% বরাদ্দ দেয়া হয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে। এটা গতানুগতিক একটা বরাদ্দ, যা ক্রমাগতভাবে গত ১০টি বাজেটে কমে আসছে। গত অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৫.১৬%। টাকার অংকে স্বাস্থ্য খাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ২৩,৩৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে স্বাস্থ্য সেবা বিভ (আরো পড়ুন )


বীজ ব্যাংক ও নয়াকৃষি বীজ সম্পদ কেন্দ্র: আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা

নয়াকৃষি বীজ সম্পদ কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য

নয়াকৃষি আন্দোলনের কৃষকদের বীজ সম্পদ কেন্দ্র আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কৃষকের উদ্যোগে দেশীয় বীজ রক্ষার আন্দোলনের মধ্যে একটি পরিচিত নাম। আন্তর্জাতিক ভাবে জাতীয় জীন ব্যংকের (National Gene Bank) পাশাপাশি এই ধরনের উদ্যোগকে সাধারণত বলা হয় 'সামাজিক বীজ ব্যাংক' (Community Seed Bank)। তবে বীজ ব্যাংকের মতো নয়াকৃষি আন্দোলনে বীজ কেন্দ্রিক কাজ কেবল বীজ সংরক্ষণ এবং বীজের আদান প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং রাসায়নিক সার ও বিষ ব্যবহার এবং মাটির তলার পানির অপচয় বন্ধ করে সামগ্রিক ভাবে প্রাণ বৈচিত্রভিত্তিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলবার গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক, সাংগঠনিক এ (আরো পড়ুন )


চাই বেগুন বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা, প্রযুক্তি সমাধান নয়

বেগুন ও বাজার

বাজারে বেগুনের মূল্য নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। ঢাকার কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে জেনেছি ঢাকা মিরপুর-১ নং কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি বেগুনের মূল্য ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে প্রতি কেজি বেগুনের মূল্য ৩৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা, কাওরান কাঁচাবাজার প্রতি কেজি বেগুনের মূল্য ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা। ঢাকার বাইরে টাঙ্গাইল বাজারে প্রতি কেজি বেগুনের মূল্য ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা, পাবনার ঈশ্বরদী বাজার প্রতি কেজি বেগুনের মূল্য ২৫ টাকা, আবার নরসিংদীতে প্রতি কেজি বেগুনের মূল্য মাত্র ২ টাকা থেকে ৩ টাকা। উৎপাদন স্থল এবং ঢাকার বাজারের দামের এই বিরাট পার্থক্য কৃষক বা ভোক্তা কারোই উপকারে আ (আরো পড়ুন )


বীজ, নয়াকৃষি ও নবপ্রাণ

প্রতি বছর ফাল্গুনি পূর্ণিমায় ফকির লালন শাহ প্রবর্তিত 'সাধুসঙ্গ'কেন্দ্র করে যে উৎসব সাঁইজীর সময় থেকে ছেঁউড়িয়ায় চলে আসছে এবার তার তারিখ পড়েছিল ১৭, ১৮ ও ১৯ ফাল্গুন ১৪২৪। অর্থাৎ ঈসায়ী ১ থেকে ৩ মার্চ ২০১৮। প্রতিবছরের মতো এবারও ছেঁউড়িয়ায় উৎসব ও মেলা উপলক্ষ্যে নবপ্রাণ আখড়াবাড়ীতে নয়াকৃষির কৃষকরা তাদের বীজ প্রদর্শন করেন ও বীজ নিয়ে আলোচনা করেন। এবার তাদের বীজ প্রদর্শন ও আলোচনার মুখ্য বিষয় ছিল বীজ সাজানো এবং শ্রেণিকরণ।

একই তারিখ ও তিথি ধরে হিন্দু সম্প্রদায় শ্রীকৃষ্ণের দোল যাত্রা উপলক্ষ্যে দোল উৎসব পালন করেন, তাই এই উৎসবকে গৌরপূর্ণিমায় সাধুসঙ্গ বা গৌর উৎসব না বলে সাধারণত ‘দোল উৎসব’ বলা হয়। গৌরাঙ্গের জন্মের সঙ্গে নদিয়ার ভাবের স (আরো পড়ুন )


টাংগাইল শাড়ীর বর্তমান অবস্থা

টাংগাইল শাড়ী, যার আলাদা একটা কদর আছে সারা দেশে। টাংগাইল জেলায় বিভিন্ন এলাকায় শাড়ী তৈরী হলেও আসল টাংগাইল শাড়ী উৎপাদন হয় পাথরাইল এলাকার কয়েকটি গ্রামে। যেমন- পাথরাইল, নলশোধা, চন্ডি, ধুলটিয়া, নলুয়া, মঙ্গলহর সহ আরো কয়েকটি গ্রামে।

এখানকার তাঁতীরা টাংগাইলের নকশী বুটি, টাংগাইল জামদানী, বালুচুরি, টাংগাইল সিল্ক ও জ্যাকাট তাঁতের বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ী তৈরী করে থাকে। ঈদ, পূজা, ১লা বৈশাখ সহ বিভিন্ন উৎসবকে সামনে রেখে তাঁতীরা ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের শাড়ী তৈরী করে। তাঁতীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এবারে সুতার মূল্য বেশী থাকায় ক্ষুদ্র তাঁতীরা উৎপাদন পুঁজির অভাবে শাড়ী উৎপাদন কম করেছে। অনেক তাঁতীর সুতার অভাবে তাঁতও বন্ধ ছিল। ছয় মাস আগে যে সুতা ৪০ টাকা মোড় (আরো পড়ুন )


জিএসপি না পেলে কী অসুবিধা?

যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা পুনর্বহাল করেনি; ১২২টি দেশে এ সুবিধা পুনর্বহাল করা হয়েছে, বাংলাদেশ সেখানে বাদ পড়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশও পেয়েছে। জিএসপি (Generalised System of Preference) বা অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা মূলত স্বল্পোন্নত দেশের পণ্য ধনী দেশে আমদানির ক্ষেত্রে তাদের শুল্ক ছাড় দেয়া হয়, যা রফতানি আয়ের দিক থেকে অনেক সুবিধাজনক। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন এ সুবিধা পেয়েছে; কিন্তু ২০১৩ সালে তা স্থগিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার ২০১৫ সালে পর্যালোচনা করে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ সুবিধা নবায়ন করেনি। কেন করেনি তার কারণ হিসেবে জানিয়েছে, ২০১৩ সালে সুবিধা প্রত্যাহার করতে গিয়ে যেসব শর্ত দেয়া হয়েছিল, তা অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। এ বিষয়টি নি (আরো পড়ুন )


বনলতা সাহিত্য পরিষদের সাথে নারীগ্রন্থ প্রবর্তনার আলোচনা সভা

নারীগ্রন্থ প্রবর্তনায় আজ ১৪-১১-২০১৭ বনলতা সাহিত্য পরিষদের সদস্যদের সংগে নারীগন্থের নির্বাহী পরিষদের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে নারীগ্রন্থ প্রবর্তনার পক্ষ থেকে সাইদা আখতার কুমকুম সবাইকে স্বাগত জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বনলতা সহ সভাপতি ও নারীগ্রন্থ প্রবর্তনার নির্বাহী সদস্য সুফিয়া রহমান স্বাগত বক্তব্যে বনলতা সাহিত্য পরিষদের আত্মপ্রকাশ, বনলতা ত্রৈমাসিক পত্রিকার প্রকাশনা পরিষদের কার্যক্রমের বিবরণী তুলে ধরেন। তিনি বলেন বনলতা পরিষদ ১৯৯১ সালে রাজশাহীতে নাসরিন রহমানের প্রচেষ্টায় তার বাড়িতে শুরু হয়।

বনলতা পরিষদের বর্তমান সভাপতি মাসুমা আলম বলেন, নারী লেখকদের লেখা পুরুষ পত্রিকার সম্পাদকগণ উপেক্ষার দৃষ্টিতে দেখেন। এই দৃষ্ট (আরো পড়ুন )


বিশ্ব জৈব কৃষি সম্মেলন, ২০১৭

দিল্লী ও তার আশ-পাশের এলাকা ঘন ধোঁয়ায় ছেয়ে গেছে। কুয়াশা নয়, বাতাশ দূষিত হয়ে এই অবস্থা হয়েছে। বলা হচ্ছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকরা ধান কাটার পর খড় পুড়িয়ে দেয় বলেই এই অবস্থা। অন্যদিকে বলা হচ্ছে, শুধু খড় পোড়ালে এই অবস্থা হোত না, এর সাথে যুক্ত হয়েছে গাড়ী ও শিল্প কলকারখানার ধোঁয়া। নভেম্বরের এই সময়ে বাতাস স্থির থাকে তাই সব দূষিত ধোঁয়া জড়ো হয়ে বের হতে পারছে না। এবার বাতাসের দূষণের কথা ভেবেই সরকার দিওয়ালিতে পটকা ফোটাতে দেয় নি। কিন্তু তবুও রক্ষা হোল না। একটু বৃষ্টি হলেও হয়তো রক্ষা পাওয়া যেতো। কিন্তু হোল না। স্কুলগুলো রবিবার ১২ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছে।

এমন পরিস্থিতিতে ৯ – ১১ নভেম্বর ভারতের উত্তর প্রদেশের গ্রেটার নয়ডার ইন্ডিয়া এ (আরো পড়ুন )


পোশাক শিল্পে শ্রমিকের অবস্থা

দেশের রপ্তানী আয়ের সবচেয়ে বড় খাত পোশাক শিল্প। এই সেক্টরে ৪০ লাখেরও বেশী শ্রমিক কাজ করে যাদের বেশীর ভাগ নারী শ্রমিক। সেই শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ এখনও নিরাপদ হয় নি। গার্মেন্ট কারখানার যাত্রা (আশির দশক) থেকে এখন পর্যন্ত কয়েক হাজার শ্রমিক মারা গেছে আগুনে পুড়ে, পায়ের তলে পিস্ট হয়ে এবং কারখানা ধসে। তাই যে কোন শিল্পায়নের জন্য শ্রমিকদের নিরাপদ কর্মক্ষেত্র জরুরী। আশি দশকের শুরুতে ঢাকায় গার্মেন্ট শিল্প গড়ে উঠলেও এই শিল্পের সুনির্দিষ্ট কোন স্থান নাই। এখনও যেখানে সেখানে এমন কি আবাসিক এলাকাতেও গার্মেন্ট কারখানা গড়ে উঠছে। যেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িও ঢুকতে পারে না। তাজরিন গার্মেন্টে আগুন লাগার পরে বিল্ডং কোর্ড অনুযায়ী কারখানা ভবন নির্মানের জন্য মুন্সীগঞ্ (আরো পড়ুন )


নারীর অধিকার মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলুন

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস : আলোচনা সভার প্রতিবেদন

আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে অধিকার, নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা ও স্বাস্থ্য আন্দোলন যৌথভাবে নারীগ্রন্থ প্রবর্তনায় ৮ মার্চ,২০১৬ তারিখ বিকেল ৪ টায় আলোচনা সভার আয়োজন করে। পুরো সভাটি সঞ্চালনা করেন নতুন প্রজন্মের মুন্নী খানম। সভার শুরুতে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী ও চলচিত্র নির্মাতা খালিদ মাহমুদ মিঠুর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে নেত্রীরা এক মিনিট বিরবতা পালন করেন।

সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন, অধ্যাপক (অব:) তাসনীম ফেরদেৌস (জুলি) কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য, নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা।

সভায় উপস্থিত ছিলেন গার্মেন্ট শ্রমিক, কবি, সাংবাদিক, নারীগ্রন্থ প্রবর্তনার সাধারণ পরিষ (আরো পড়ুন )


যৌতুক ও বাল্যবিয়েঃ গ্রামের মেয়েদের অভিজ্ঞতা

“আমি একটু পড়াশোনা বেশি করলে অন্যের সামনে গেলে বলতে পারি আমি এসএস সি কিংবা ‘ইন্টার’ পর্যন্ত পড়েছি। আমার যদি বিয়ে নাও হয় তাহলেও আমি লেখাপড়ার জোরে সমাজে দাঁড়াতে পারি। কিন্তু মেয়েদের পক্ষে এইটুকুন লেখাপড়া করাও হয়ে ওঠে না। অনেকের অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দেয় বাবা মায়েরা। কারণ তারা নিরাপদ হতে চায়। মেয়ের কোন ক্ষতি হবে এই আশংকায় মা-বাবা তাকে বিয়ে দিয়ে দেয়। এতে মা-বাবা নিরাপদ হয়, কিন্তু মেয়ে শেষ হয়ে যায়”।

যৌতুক ও বাল্যবিয়ে নিয়ে টাঙ্গাইলের লাউহাটি ইউনিয়নের ১০ জন নারীর সাথে কথা হচ্ছিল। তারাই বলছিলেন পড়ালেখা শেখার আগ্রহের কথা। যে ক্লাস এইট পর্যন্ত পড়েছে সেও নিজেকে শিক্ষিত মনে করে, কিন্তু আরও পড়ার সুযোগ পায়নি বলে মনে কষ্ট পায়। (আরো পড়ুন )


ফকির লালন শাহ-এর গৌর পূর্ণিমার অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণঃ নবপ্রাণ আখড়াবাড়ি

“এমন বয়সে নিমাই ঘর ছেড়ে ফকিরী নিলে ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে, ধন্য মায়ের নিমাই ছেলে” - ফকির লালন শাহ এবার ১৪২৩ বাংলা সালে গৌর পূর্ণিমা ২৭ ফাল্গুন (১১ মার্চ ২০১৭)। শ্রী গৌরাঙ্গ এই ফাল্গুনি পূর্ণিমাতেই নদিয়ায় নিজের আবির্ভাব ঘটান; অবতরণ করেন। জননী শচিদেবী সন্তানের নাম রেখেছিলেন ‘নিমাই’, তাঁর রূপের জন্য পাড়ার লোক নাম দিয়েছিল ‘গোরা’ (গৌরাঙ্গ), গুরু নাম দিয়েছিলেন কৃষ্ণচৈতন্য, সেখান থেকে চৈতন্য। তিনি নদিয়ার প্রথম ‘ফকির’। জ্বি, ‘ফকির। নদিয়ার সাধকদের কাছে তিনি ‘ফকির’ বলেই প্রসিদ্ধ। গৌর পূর্ণিমা নদিয়াবাসীদের জন্য জয়ধ্বণির দিন; ধন্যরে নদিয়াবাসী হেরিল গৌরাঙ্গ শশী যে বলে জীব সেই সন্যাসী লালন (আরো পড়ুন )


লালন সাঁইজীর ১২৬ তম তিরোধান দিবস, নবপ্রাণ আখড়াবাড়ি, ছেঁউরিয়া, কুষ্টিয়া

“কে তোমার আর যাবে সাথে”

পহেলা কার্তিক, ১৬ অক্টোবর। লালন ফকির ভক্ত-অনুরাগীদের জন্য কার্তিকের এইদিনটি বিশেষ দিন। এইদিনে ১২৬ বছর আগে ফকির লালন সাঁইজী কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় তিরোধান করেন। এবারেও তাঁকে স্মরণ করতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সাধু-গুরু, লালন ভক্ত ও অনুসারীরা কুমারখালি, কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়াতে লালান স্মৃতিধামে হাজির হন।

লালনের তিরোধান ও দোল উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিবছর দুটো বড় অনুষ্ঠান হয়। প্রধান উদ্যোক্তা লালন একাডেমি। পাশাপাশি অন্যান্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানও তাদের নিজ নিজ উদ্যোগে অনুষ্ঠান করে থাকে। লালন একাডেমির বিপরীতে রয়েছে নবপ্রাণ আখড়াবাড়ি। লালন একাডেমির সঙ্গে সমন্বয় রেখে আখড়াবাড়ি তাদের (আরো পড়ুন )


কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়াতে ফকির লালন সাঁইজীর দোল উৎসব চলছে

ফকির লালন সাঁইজীর দোল উৎসব চলছে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়াতে। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ বাসে চড়ে, ট্রেনে, গাড়িতে, ভ্যান গাড়ীতে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষ পায়ে হেঁটে সাঁইজীর ধামের দর্শন করতে আসেন। তারা বছরে দুবার, দোল উৎসব চৈত্র মাসের পুর্ণিমায় এবং সাঁইজীর তিরোধান (১ লা কার্তিক) উপলক্ষে, আসতে না পারলেও অন্তত একবার আসার চেষ্টা করেন। তবে এবার লক্ষ করলাম আগত ভক্তদের সংখ্যা অন্যবারের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তার একটি কারণ হতে আশে পাশের ইউনিয়নে নির্বাচন হওয়ার জন্যে হয়তো অনেকে আসতে পারে নি। তাঁদের অধিকাংশ একেবারে সাধারণ মানুষ, ৯০ ভাগই কৃষক, দিন মজুর, ছোট ব্যবসায়ী, ছোট চাকুরি করেন এমন মানুষ। তাদের থাকার ও খায়া দাওয়ারও কোন ব্যবস্থা সব সময় ঠিক থাকে না। (আরো পড়ুন )


নারীগ্রন্থ প্রবর্তনায় লেখিকাদের সভা

শুধু নারী নির্যাতন নয়, নারীকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক বা অন্যান্য বিষয়ে বর্তমান সমাজে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তা নিয়ে লেখিকারা কি ভাবছেন এবং করণীয় কি সে বিষয়ে ২২ আগস্ট, ২০১৭ বিকেল ৩:৩০ টায় ঢাকায় নারীগ্রন্থ প্রবর্তনার কার্যালয়ে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

কবি এবং লেখিকাদের নিয়ে এই সভায় উপস্থিত ছিলেন-সুফিয়া রহমান, মালেকা ফেরদৌস, ড. সৈয়দা মোতাহেরা বানু, প্রফেসর অনামিকা হক লিলি, নাজমা আরেফিন, লিলি হক, রিফাত আরা শাহানা। আরও উপস্থিত ছিলেন সোমবারের আড্ডার সদস্য, উন্নয়কর্মী, শিক্ষক এবং গবেষক ফেরদৌস আখতার লিলি, তাসনীম ফেরদৗস, তাহমিনা হাবীব, সেলিনা রশিদ, সাইদা আখতার, রুবীনা রহমান, শিরীন আজীজি, রোকেয়া বেগম ও সীমা দাস সীমু। সভা (আরো পড়ুন )


মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশী শ্রমিক পাঠানো কি নিরাপদ?

মালয়েশিয়ার সরকার বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১৫ লাখ শ্রমিক নিয়োগ করবে পর্যায়ক্রমে ৩ বছরের মধ্যে। গত বছর (২০১৪ সালের জুন মাসে) এ ঘোষণা দিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। এতে বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে বেশ খুশি খুশি ভাব ছিল, কারণ বিদেশে শ্রমিক রফতানি কমে যাওয়ায় এমন ঘোষণা সরকারের সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তখন বলা হচ্ছিল, একমাত্র সরকারই জনশক্তি রফতানি করবে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে করলে দালালদের খপ্পরে পড়ে শ্রমিকরা প্রতারিত হন। এ কথা অনেকখানি সত্য সন্দেহ নেই; কিন্তু সরকারের মাধ্যমে গেলে নিরাপদ এমন গ্যারান্টি কি সরকার দিচ্ছে? সরকারের ঘোষণার পর এবং কম খরচে যাওয়া যাবে বলে অনেকে আগ্রহী হয়েছিলেন, সেজন্য নিবন্ধীকরণের কাজও করা হয়েছিল। এ বছর জুন মাসে ঘোষণা আসে, ৫ লাখ (আরো পড়ুন )


পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি

রানা প্লাজা ধসে পড়া এবং তাজরীনের অগ্নিকান্ডের পর থেকে শ্রমিকরা মূলত অসন্তোষ প্রকাশ করে। এরপর শ্রমিকরা ৮০০০ হাজার টাকা মজুরি বাড়ার জন্য মালিকপক্ষের কাছে প্রস্তাব দেয়। শ্রমিকদের দিক থেকে মজুরি বাড়ানোর প্রস্তাব মালিকরা আয়ত্বে না নেয়ায় আন্দোলনে রূপ নেয়। অবশেষে ৬ জুন পোশাক শ্রমিকদের বেতন কাঠামোর জন্য মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়। শ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামোর লক্ষ্যে মালিকপক্ষ বোর্ডে ৩.৬০০ টাকা ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে প্রস্তাব দেন। মালিকপক্ষের দেয়া প্রস্তাব নিয়ে তীব্র সমালোচনা হয়েছিল। এরপর মালিকরা অনেক দেনদরবার শেষে মজুরি বোর্ডের প্রস্তাবে সম্মতি জানান। ১৯৮৫ সালে প্রথমবারের মতো ৬২৭ টাকা মজুরি নির্ধারণ করা হয়। ১৯৯৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৯৩০ টাকা। ২০০৬ সা (আরো পড়ুন )


ফুটপাতে শ্রমিকের ঈদ, সরকার নির্লিপ্ত!

ফরিদা আখতার || Wednesday 01 November 2017 || বিষয়: শ্রমবিকাশ কেন্দ্র

বেতনের দাবিতে সোয়ান গার্মেন্টের শ্রমিকদের ঈদ করতে হলো রাজপথে

খুশির ঈদ বলে বাংলাদেশে আর কিছু নেই। ঈদের খুশি তাদেরই হয় যারা ঈদের সময় প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন, ঈদের দিন নতুন জামাকাপড় পরতে পারেন এবং সেমাই, ফিরনি, পোলাও ইত্যাদি খেতে পারেন। এসব একেবারে সাধারণভাবে ঈদের নূ্যনতম প্রয়োজন। এগুলো ছাড়া ঈদ শুধু কোলাকুলিতে শেষ হতে পারে না। নতুন কাপড় ছাড়া কোলাকুলিও মধুর হয় না। যারা সচ্ছল তাদের জন্য ঈদ আরও অনেক বেশি কিছু, তাদের বিদেশ যাওয়া, দিনে চারবার কাপড় পাল্টানো, পার্কে যাওয়াসহ আনন্দ করার সব মাধ্যম তাদের হাত (আরো পড়ুন )


খনার বচন কৃষি ও ফল সংক্রান্ত বচন

বিদূষী খনা

গ্রামেগঞ্জে খনার বচন সকলের অত্যন্ত পরিচিত। এখনও কৃষির সাথে সম্পৃক্ত খনার বচন গ্রামে গুরুজনেরা ব্যবহার করে অন্যদের জ্ঞানদান করেন। আসলে খনা তাঁর কালজয়ী বচনে কৃষিতত্ত্বজ্ঞান সমাজের সম্মুখে বেদ্বাণীর মতো উপস্থাপিত করেছেন। খনার বচনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে আধুনিক যুগের কৃষিতত্ত্বও খনার বচনের চেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারেনি।

খনা যে প্রাচীন বাংলাদেশের একজন বিদূষী খ্যাতনাম্নী জ্যোতিষী ছিলেন, সে সম্পর্কে সন্দেহের আর কোন অবকাশ নেই। খনা সম্পর্কে বাংলা ও উড়িয়া ভাষায় কিংবদন্তী আছে। গল্প দুটি প্রায় একরকম কিন্তু একটি মূল জায়গায় মত-পার্থক্য আছে। প্রথমে আমরা গল্পটি সম্পর্কে ধারণা করে নেই তারপর পার্থক্যের দিকগুলো ব (আরো পড়ুন )


আমাদের কুড়িয়ে পাওয়া শাক

‘আমাদের কুড়িয়ে পাওয়া শাক’গবেষণা গ্রন্থটি দ্বিতীয় সংস্করণ বের করতে পেরে আমরা খুশি। প্রথম সংস্করণ ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। তবে দ্বিতীয় সংস্করণে আমরা কিছুটা পরিবর্তন করেছি। আশা করি পাঠকরা এই গ্রন্থ ব্যবহার করে প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষার সাথে আমাদের খাদ্যের যোগানোর সম্পর্কটি উপলব্ধি করতে পারবেন।

দক্ষিণ এশিয়ায় মানুষের জীবনধারণ প্রাণবৈচিত্র্যের ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের মতো দেশেও খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নটি শুধুমাত্র আবাদী ফসলের ওপরই নির্ভরশীল নয়। আমাদের চারিদিকে অনেক কিছু গড়ে ওঠে যা আবাদ করা হয় না কিন্তু খাওয়া হয়। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরণের খাদ্যাভ্যাস আছে। এ খাদ্যকে আমরা কুড়িয়ে পাওয়া খাদ্য বলে আখ্যায়িত করেছি। কারণ যা (আরো পড়ুন )


অভিশপ্ত ভবন ও উন্নয়নের মিথ

দেশের উন্নয়নের চাবিকাঠি যাদের রক্তে-ঘামে জড়িয়ে আছে, সেই গার্মেন্ট শ্রমিকরা যখন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন, আহত হয়ে পঙ্গু হয়ে পড়ে থাকেন, তখন তাদের খবর কেউ রাখে না। রানা প্লাজার দুঃসহ স্মৃতির দুই বছর পূর্তিতে এ সত্য আবার আমাদের চোখের সামনে এসে পড়েছে। কোনো আনন্দের ঘটনার বর্ষপূর্তি কাম্য হতে পারে, কিন্তু রানা প্লাজা ধস ও সহস্রাধিক শ্রমিকের মৃত্যু এবং যে হাজার হাজার শ্রমিক ও কর্মী আহত হয়ে গার্মেন্ট শ্রমিকের হিসাব তালিকা থেকে চিরতরে হারিয়ে গেছেন, তাদের প্রতি সহানুভূতি জানানোর ভাষা আমাদের নেই। আমাদের লজ্জায় মাথা নত হয়, বিবেকে আঘাত লাগে। কিন্তু আজ পর্যন্ত যে খবর পাচ্ছি, তাতে দেখা যাচ্ছে, নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ও আহত শ্রমিকদের সহায়তা পুরো (আরো পড়ুন )


বেতন বোনাস পরিশোধ কর

তোবা গ্রুপের শ্রমিকদের মে থেকে জুলাই এই তিন মাসের বেতন, ওভারটাইম ও বোনাস পরিশোধ করার জন্য বিজিএমইএর এক সপ্তাহ সময় লাগার কোন যৌক্তিকতা নেই। এটি আন্দোলনকে নস্যাত করার চক্রান্ত ছাড়া আর কিছুই নয়। ঈদের আগের দিন ইফতারের পর থেকেই বাড্ডা এলাকার হোসেন মার্কেটের সপ্তম তলায় আমরণ অনশন শুরু করেন তোবা গ্রুপের পাঁচ কারখানার শ্রমিকেরা। তিন মাসের বকেয়া বেতন, ওভারটাইম,ও ঈদ বোনাসের দাবিতে ৫ দিন ধরে আমরণ অনশন করছেন তোবা গ্রুপের ১৬০০ শ্রমিক।

২ আগস্ট, ২০১৪ তারিখে শ্রমবিকাশের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের সাথে একাত্বতা ঘোষণা করার জন্য গিয়ে ছিলেন নারী নেত্রী ফরিদা আখতার, সীমা দাস সীমু, রোকেয়া বেগম। শ্রমিকদের কষ্ট দেখে সত্যিই খুব খারাপ লেগেছে। তারা তাদের নায্য পাওনা (আরো পড়ুন )


'আমার মাটি, আমার মা, কেড়ে নিতে দেব না'

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার চান্দপুর চা বাগানের শ্রমিকদের ধানি জমি রক্ষার যে আন্দোলন চলছে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করে এই লেখা শুরু করছি। তবে খবরটি কেন জানি মিডিয়ায় একেবারে নীরব হয়ে আছে। ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্রেকিং নিউজের আশায় পথ চেয়ে থাকে, ক্যামেরা নিয়ে ছুটে যায় দৃশ্য ধারণ করিয়ে দর্শকদের দেখাতে। কিন্তু এর কিছুই দেখলাম না চা শ্রমিকদের আন্দোলনের ক্ষেত্রে। একটি ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার (২০ ডিসেম্বর, ২০১৫) বড় করে ছবি দিয়ে খবর করার কারণে চোখে পড়েছে। এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, সদ্য ধান কাটা জমিতে নারী ও পুরুষ কৃষকরা বসে আছেন। একটি পোস্টার মাটিতে পুঁতে দেয়া হয়েছে, লেখা আছে 'চান্দপুর চা বাগানের ধান্য জমিতে স্পেশাল ইকোনমিক জোন হতে দেব না'। আরও দুইটি ছবিতে (আরো পড়ুন )


ক্ষোভ, আশা ও তার জবাব: শ্রমিক আন্দোলনে নারীর শক্তি বিকাশ

থাইল্যান্ডের একটি পুরাতন শহর চিয়াং মাই। প্রাকৃতিক সুন্দর্যের এই শহরের Loykroh সড়কে The Centara Duangtawan Hotel এ ১৮-২১ ডিসেম্বর, ২০১৪ অনুষ্ঠিত হলো Asia pacific Regional workshop on “Women Leading, Women organising” for women trade union organisers. ট্রেড ইউনিয়নে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিই শুধু নয় নেতৃত্বের পর্যায়ে নারীদের অবস্থান দৃঢ় করাও এই কর্মশালার একটি দিক ছিল।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা ছিলেন-বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মায়ানমার, কম্বোডিয়া, ফিজি, শ্রীলংকা, মালেয়াশিয়া ও পাকিস্তান এর প্রতিনিধিবৃন্দ। ২৪ জন অংশগ্রহণকারী এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। বিস্কুট ফ্যাক্টরি, প্রিন্ট ফ্যাক্টরি, গৃহ শ্রমিক, গার্মেন্ট শ্রম (আরো পড়ুন )


বন্যায় মা ও শিশু স্বাস্থের অবস্থা

দাইঘরের তথ্যঃ ১৮ আগস্ট, ২০১৭

চিলমারী কুড়িগ্রামঃ চিলমারী মনতোলা ও কড়াই বরিশাল চরে বন্যার পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। কড়াই বরিশাল দাইঘরের দাইমা মর্জিনা বেগম ও সাহেরা বেগমের সাথে কথা বলে জানান কড়াই বরিশাল দাইঘরে আধা হাটু পানি উঠেছিল। এখন বন্যার পানি বারান্দায় নেমেছে। রাস্তাঘাট ভেঙ্গে যাওয়ায় দাইমারা দাইঘরে আসতে পারছে্ন না। এ মাসে ২ জন গর্ভবতী মায়ের বাচ্চা প্রসব হয়েছে হাসপাতালে, ২ টি বাচ্চাই সিজার করে হয়েছে। ১৭ আগস্ট, ২০১৭ তারিখে গর্ভবতী মা জিয়াসমিনের প্রসব ব্যথা শুরু হরে তাকে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সদর হাসপাতালে সিজার করে ছেলে সন্তান হয়েছে। তাকে নৌকায় করে নদী পাড় হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স (আরো পড়ুন )


নারী ধর্ষণ ও নারী সংগঠনের ভুমিকা

দেশে জাতীয় নির্বাচনের মাত্র দেড় বছর বাকী, এই সময়ে জনগণের ভোটের অধিকার প্রয়োগের নিশ্চয়তা নিয়ে শান্তিপুর্ণভাবে নিরপেক্ষ একটি নির্বাচন হবে কিনা এসব প্রশ্ন নিয়ে আমাদের সংবাদ মাধ্যম ব্যস্ত থাকার কথা। কিছুটা থাকছেও। তাছাড়া বন্যা পরিস্থিতি, ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের অতিবৃষ্টিতে সৃষ্ট জলজট, পাহাড়ধস, খাদ্য ঘাটতির সম্ভাবনা – কোনটাই কম নয়। দেশের মানুষের জন্যে দুশ্চিন্তার বিষয়। কিন্তু এতো সব জরুরি বিষয় থাকতে আমরা ব্যাস্ত থাকতে বাধ্য হচ্ছি ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো নির্মম ও পৈশাচিক ঘটনা নিয়ে। জাতীয় পর্যায়ের খবরের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে নারী নির্যাতন বা আরো স্পষ্ট করে বললে নারী ধর্ষণের কথা। মর্মান্তিক এবং ভয়াবহ এসব ঘটনা, এখানে বয়সের বা স্থান কাল পাত্রের (আরো পড়ুন )


কুড়িয়ে পাওয়া খাবার খেয়ে জীবনের পরিবর্তন (১)

রহিমা বেগম বয়স ৬৭ বছর। স্বামী মৃত কাঞ্চু মিয়া।

টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার আটিয়া ইউনিয়নের মৌসাকাঠালিয়া গ্রামে রহিমা বেগমের বাড়ি। পরিবারের সদস্য সংখ্যা চার জন। আগে তার কোন জমা-জমি ছিল না। শুধু বসতবাড়ি ১৪ শতাংশ তার মধ্যে দোচালা একটি ঘর ছিল। রহিমা বেগমের পরিবার আগের চেয়ে অনেক স্বচ্ছল হয়েছে। তার স্বাস্থ্য আগের চেয়ে অনেক ভাল হয়েছে। সে এখন অনেক হাসি খুশি থাকে। নিজে অনেক কষ্ট করে বাড়ির পেছনে সামান্য জমি কিনেছেন। তাতে নানা ধরনের মৌসুমি শাক সবজি লাগিয়েছেন। তার ঘরে এখন বিদ্যুৎ আছে ফ্যান আছে, ইষ্টিলের আলমারী, সুন্দর কাঠের খাট, সুকেচ আছে। তাকে এখন আর আগের মত না খেয়ে কষ্ট করতে হয়না। তিন বে (আরো পড়ুন )


জলবায়ু পরিবর্তনঃ বৈশাখ থেকে আষাঢ় মাসঃ খরায় নয়, বৃষ্টিতে ফসল এলোমেলো

পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় একটি গ্রাম পাড়াসিধাই। নয়াকৃষির কৃষক কামাল হোসেনের বাড়ীতে একটি বৈঠক বসে। উবিনীগের গবেষক দলের সাথে আলোচনা হচ্ছে জলবায়ু পরিবর্তন কি কৃষকরা আদৌ বুঝতে পারছেন? তাদের ফসলের মধ্যে কোন কি পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে? নয়াকৃষির কৃষকরা মৌসুমের পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে ফসল পরিকল্পনা করেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে গেলে বিকল্প ফসলের চিন্তাও তাদের থাকে। এই সভা অনুষ্ঠিত হয় ৩রা শ্রাবণ, ১৪২৪ ( ১৮ জুলাই, ২০১৭) । এতে অংশগ্রহণ করেন ২৯ জন নারী (১৬) ও পুরুষ (১৩) কৃষক। তাঁরা বৈশাখ থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত মৌসুমের তারতম্য পর্যবেক্ষণ করেন।

এই এলাকা সাধারণত খরা প্রবণ। কৃষকরা খরা পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্যে প্রস্তুত থাকেন। তবে এবার বৈশাখ থেকে আষ (আরো পড়ুন )


মিডিয়ার ইচ্ছা-অনিচ্ছা!

লোকে প্রায় বলে আপনারা অনেক জাতীয় গুরুত্বপুর্ণ কাজ করেন কিন্তু প্রচার কম। কথাটি সত্যি। আসলেই অনেকে জানেন না আমাদের যেসব কাজ গ্রামে-গঞ্জে রয়েছে তার কোন জাতীয় মূল্য রয়েছে কিনা। আমাদের পরিচিতজনেরা দেখে মুগ্ধ্ব হন এবং আক্ষেপ করেন প্রচার নাই কেন! কিন্তু শুধু প্রচারের জন্য কাজ করার তো কোন অর্থ নাই। একটি কাজ আর দশটি প্রচার – এটা আমাদের নীতি নয়। তাই প্রচারের জন্য যে সময় দেয়া দরকার তা আমরা দেইনি। কিন্তু যদি দিতামও তাহলে কি আমাদের দেশে প্রচারের যে সব মাধ্যম রয়েছে তারা এগুলো গ্রহণ করতো? তার জন্যও এক ধরণের প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, কারণ যে সকল ক্ষেত্র নিয়ে কাজ করি সেই ক্ষেত্রগুলো সম্পর্কে সমাজে কিছু প্রাথমিক সচেতনতা ও বোঝার আগ্রহ আগে তৈরি করা দরকার। (আরো পড়ুন )


শ্রীপুর ও ধীতপুর গ্রামে ছটকার কারণে নদী ভাঙ্গন ৯৫ ভাগ রক্ষা পেয়েছে

সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের বানতিয়ার, শ্রীপুর ও ধীতপুর গ্রামে উবিনীগ নয়াকৃষি আন্দোলন থেকে যে বাঁশের ছটকা গুলো দেওয়া হয়েছে তা বানতিয়ার বাজার বানতিয়ার উচ্চ বিদ্যালয়, বানতিয়ার গ্রাম ৯৫ ভাগ রক্ষা পেয়েছে। বিগত বছরগুলোকে দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায় নদী ভাঙ্গন এর কারণে গ্রামের মানুষ তাদের সহায় সম্পত্তি ঘর বাড়ী হারিয়েছে। শত শত একর আবাদি জমি চলে গেছে নদী গর্ভে। ক্ষেতের ফসল এবং পাট তিলসহ ধানের বিপুল পরিমাণ জমি নদীতে চলে গেছে। কিন্তু আমাদের একটি সুভাগ্য গত কয়েক মাস আগে যে বাঁশের ছটকা স্থাপন করা হয়েছে সেটি বর্ষার পানিতে ছটকার আশে পাশে পলি মাটি জমাট বাঁধছে এবং বাঁশের সাথে বিভিন্ন আগাছা জমেছে। যার ফলে নদী ভাঙ্গন ৯৫% ভাগ রক্ষা পেয়েছে। (আরো পড়ুন )


ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ সমিতি না ট্রেড ইউনিয়ন!

ইপিজেডে কর্মরত পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার পেলেন না। সম্প্রতি (১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬), ইপিজেড শ্রমিক সংগঠন আইন, ২০১৬ নামে যে অনুমোদন দিয়েছেন মন্ত্রিসভা সে আইন অনুযায়ী সংগঠনের নাম হবে শ্রমিক কল্যাণ সমিতি। এই সমিতির মাধ্যমে মনে করা হচ্ছে মালিক পক্ষের সাথে যৌথ দরকষাকষি এবং ধর্মঘটের অধিকার পাবে শ্রমিকেরা। কিন্তু আসলে কি তাই মিলবে? 

দেশী বিদেশী মিলিয়ে ১০টি রপ্তাতি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেড রয়েছে বাংলাদেশে। যেখানে কাজ করেন কয়েক লক্ষ শ্রমিক। বাংলাদেশের শ্রম আইনের পরিবর্তে ইপিজেডগুলো পরিচালিত হয়ে আসছে ইপিজেড শ্রমিক কল্যাণ সমিতি এবং শিল্প সম্পর্ক আইন নামের দুটি পৃথক নির্দেশিকা অনুযায়ী। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অগ্ (আরো পড়ুন )


বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০১৭

৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এবছর (২০১৭) জাতি সংঘের প্রতিপাদ্য ছিল “Connecting People to Nature,” যার মাধ্যমে এই বার্তাই দেয়া হয়েছে যে প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে মানুষের ঘনিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে এবং এই সম্পর্কের গোড়ার কথা হচ্ছে প্রকৃতিকে লালন করতে হবে। বাংলাদেশে পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য করা হয়েছে “প্রাণের স্পন্দনে, প্রকৃতির বন্ধনে”। সরকার দিবসটি পালন করেছেন জাতীয় বৃক্ষ রোপন অভিযান, পরিবেশ ও বৃক্ষমেলার আয়োজনের মাধ্যমে। দিবসটি খুব নীরবেই কেটে গেল। প্রকৃতির সাথে মানুষের সম্পর্ক নিয়ে আমরা খুব সোচ্চার হলাম না।

নয়াকৃষি আন্দোলনের মূল কথা হচ্ছে প্রকৃতি ও মানুষকে আলাদা ভাবে না দেখা। মানুষ প্রকৃতিরই অংশ। তবে মানুষ প্রক (আরো পড়ুন )


কুড়িয়ে পাওয়া খাবার খেয়ে জীবনের পরিবর্তন (২)

আছিয়া বেওয়া: টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার থানার আটিয়া ইউনিয়নের কান্দাপাড়া গ্রামের আছিয়া বেওয়ার বাড়ি। বয়স ৫৬ বছর। স্বামী মৃত লাল মিয়া। পরিবারে সদস্য সংখ্যা ৫ জন। ২০ বছর আগে স্বামী মারা গেছে। স্বামী মারা যাওয়ার আগে বেশ কিছু দিন অসুস্থ্য ছিল কোন কাজ করতে পারে নি। দীর্ঘদিন তার চিকিৎসা করতে হয়েছে। তখন ছেলে কাজ করতে পারতো না। ঐ সময় অনেক টাকা ঋণ হয়েছিল, ছেলে তাঁতের কাজ করে সে কিস্তি দিয়েছে। ঋণের টাকা শোধ হয়েছে । আর আছিয়া বেওয়া নিজে কাজ করে নানা ভাবে সংসার চালাতেন। এখন ছেলেদের সাথে থাকেন। স্বামী মারা যাওয়ার সময় তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছে। বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছেন। বড় ছেলেকে ৪র্থ শ্রেণী পর্যন্ত পড়িয়ে (আরো পড়ুন )


বাঁশের ছটকাঃ নদী ভাঙ্গন মোকাবেলায় কৃষকের জ্ঞান (১)

নদীর পাড়ের গ্রামগুলির বর্তমান অবস্থা:

শ্রীপুর গ্রামের দুই পাশেই নদী। কিছু ঘর বাড়ী ভাঙ্গা শুরু হয়েছে কিন্তু শত শত বিঘা ফসলেরর মাঠ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যাচ্ছে। ধীতপুরের একটি বড় অংশ নদী গর্ভে চলে গেছে। ছোট চামতারা ও বড় চামতারা গ্রামের লোকজন বাড়ীঘর ও ফসলি জমি হারিয়ে অন্য চরে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। যারা এখনও আছে তারা খুবই শংকার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে এই মৌসুমে অবশিষ্ট ঘর বাড়ী থাকবে কিনা। বানতিয়ার গ্রামের একাংশ নদীতে ভেঙ্গে গেছে। পাশের গ্রাম বালিয়াকান্দিতে তারা আশ্রয় ও বাড়ি ঘর তৈরী করেছে। অত্র অঞ্চলের একমাত্র অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের মূল কেন্দ্র বানতিয়ার বাজার নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। সপ্তাহে একদ (আরো পড়ুন )


২২ মে, বিশ্ব প্রাণবৈচিত্র্য দিবস, ২০১৭

‘প্রাণবৈচিত্র্য ও টেকসই পর্যটন’

প্রাণবৈচিত্র্য ইংরেজীতে বায়োডাইভারসিটি (biodiversity) এখন একটি পরিচিত ও সংগ্রামী শব্দ। বিশ্ব পরিবেশ সম্মেলন (১৯৯২) এর সময় পরিবেশ বিপর্যয়ের নানা দিক তুলে ধরতে গিয়ে এই শব্দটির প্রচলন হয়, এটা আদি কোন ইংরেজি শব্দ নয়। বায়ো (প্রাণ) এবং ডাইভারসিটি (বৈচিত্র্য) এক করে এই শব্দটি তৈরি হয়েছে পরিবেশ কর্মীদের দ্বারা। এরপর প্রাণ ও প্রকৃতির বৈচিত্র্য রক্ষার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির জন্যে International Day for Biological Diversity জাতিসংঘ ঘোষণা দিয়েছিল। প্রথমে শীতকালে দিবসটি থাকলেও ২০০০ সালে সিদ্ধান্ত হয় গ্রাষ্মকালে, ২২ মে তারিখে হবে। প্রতিবছর একটি প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়। এবার প্রতিপাদ্য ঠিক হয়েছে ‘প্রা (আরো পড়ুন )


৫ মে, দাইমা দিবস, ২০১৭

৫ মে আন্তর্জাতিক দাই মা দিবস, ইংরেজীতে বলা হয় ইন্টারন্যাশনাল মিডওয়াইফ ডে (International Midwives Day)। সমাজে স্বাস্থ্য রক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও নবজাতকের সেবা প্রদানে দাইমার ভূমিকা তুলে ধরার জন্যে এই দিবসটি পালন করা হয়। দাইমাদের ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং দাইমার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরার জন্যে দিবসটিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। ১৯৯১ সাল থেকে বিশ্বের ৫০টি দেশে আনন্দমুখর পরিবেশে দাইমায়েরা দিবসটি পালন করেন। তারা বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের কাজের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

আন্তর্জাতিকভাবে যারা মিডওয়াইফ বলে স্বীকৃত তাঁরা প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত। কিন্তু বাংলাদেশে দাই মায়েরা কাজ শেখেন তাদের গুরুজনদের সাথে কাজ করে এবং নিজ (আরো পড়ুন )


মনসান্তো ট্রাইবুনাল: গণআদালতে প্রাণ ও প্রকৃতি হত্যাকারীর বিচার

বহুজাতিক কম্পানির প্রাণ বিনাশী ভূমিকা

একালে মানুষসহ সকল প্রাণের চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে গুটিকয়েক বহুজাতিক কর্পোরেশান। তাদের বিষ, রাসায়নিক দ্রব্য ও নানান ক্ষতিকর পণ্য উৎপাদন ও ব্যবহার প্রকৃতি ও পরিবেশ ধ্বংস করছে। প্রকৃতি ও পরিবেশ তারা বিষাক্ত করে তুলছে। প্রাণ আজ সর্বত্রই বিপন্ন। আগে তাদের প্রধান ব্যবসা ছিল ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ এবং বিশেষ ভাবে কীটনাশক বা বিষ বেচা। এখন তারা বীজের ব্যবসা ও কৃষিতে ঢুকেছে। সারা দুনিয়ার খাদ্য ব্যবস্থা তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেবার জন্য উন্মাদ হয়ে উঠেছে। মানুষ না খেয়ে বাঁচতে পারবে না। খাদ্য ব্যবস্থা – অর্থাৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে বিপণণ ও ভোগের প্রতিটি চক্রের ওপর তারা তাদের একচেটিয়া (আরো পড়ুন )


বিটি বেগুনে বিষ ব্যবহার

সরোজমিন প্রতিবেদন

আনিসুর রহমান শেখ নামের একজন কৃষক বিটি বেগুন চাষ করে সফল হয়েছেন, বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারী)। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর দাবিকৃত বিটি বেগুন চাষে সফল কৃষকের সেই সফলতা স্বচক্ষে দেখা এবং সফলতার হেকমত সম্পর্কে জানার জন্য বিটি বেগুন চাষী আনিসুর রহমান শেখের খোঁজে প্রথমে বগুড়া জেলা সদরে যাই। বগুড়া যাবার প্রধান কারণ হচ্ছে, বিটি বেগুন চাষী আনিসুর রহমান শেখের বাড়ির ঠিকানা একটি বিদেশি পত্রিকায় দেয়া হয়েছে বগুড়া জেলার সাদুল্লাপুর গ্রামে।

সেই তথ্য অনুসারে চাষী আনিসুর রহমান শেখের বিটি বেগুন চাষের খবর নিতে বগুড়া জেলা সদরে আসি। সেখান থ (আরো পড়ুন )


ধানই কৃষকের প্রাণ

বলা হয়, বাংলাদেশে কৃষি কী তার পরিচয় ধান উৎপাদনের মধ্যে। কিন্তু কথাটা একাট্টা ধানের আবাদ যেমন নয়, তেমনি স্রেফ ধান চাষও নয়। কারন ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে সরকারী হিসাবেই বাংলাদেশে ধানের জাতর সংখ্যা প্রায় পনেরো হাজারেরও বেশি ছিল। তাদের মৌসুম, চাষের সময় পানির পরিমান, ফটো পিরিয়ড বা দিনের আলো ব্যাবহারের সময়কাল এক রকম ছিল না। প্রাণের বৈচিত্র্যের চর্চা হাজার হাজার জাতের ধান আবাদের মধ্যেই ধরা পড়ত।

স্রেফ ধান চাষ নয় কেন? কারণ জমিতে কখন কি ধান বুনছি তার সঙ্গে জমির ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার প্রশ্ন জড়িত। ধানচাষ কেন্দ্রিক একটি বাস্তুসংস্থান পদ্ধতি বা ইকোসিস্টেম গড়ে উঠেছিল। সেই সবের কিছুই আধুনিক চাষাবাদের ফলে আর নাই। এখন দেশে কোন বছর কত ধান উৎপাদন হচ্ছে ত (আরো পড়ুন )


পাঁচফোঁড়ন

পাঁচফোড়ন কি?

পাঁচটি মসলা জাতীয় খাদ্যের বীজ রান্নার পরে ‘ফোঁড়ন’ হিসাবে ব্যবহারকে পাঁচফোঁড়ন বলে। ‘ফোঁড়ন’ মানে হাল্কা তেলে কিম্বা ঘিয়ে বীজগুলো টেলে রান্না বা সেদ্ধ করা শাক বা শব্জির ওপর দেওয়া। ব্যস। উদ্দেশ্য হচ্ছে শাকশব্জির ঘ্রাণ ও স্বাদ উসকে দেওয়া। গরম তেল বা ঘিয়ে বীজগুলো লাফায়। আমাদের রান্না পদ্ধতির মধ্যে এই প্রকার ‘উসকানি’র গুরুত্ব অপরিসীম। এখান থেকে আমরা ‘ফোঁড়ন’ কাটা কিম্বা কারো কথায় উসকানি দেওয়া অর্থে শব্দটি ব্যবহার করি।

তেলে কিম্বা ঘিয়ে টেলে বীজের দানার ‘ফোঁড়ন’ দেওয়া কথাটা সম্ভবত ভোজপুরি বা মৈথিলী ভাষা থেকে আ (আরো পড়ুন )


তামাক নিয়ন্ত্রণ লক্ষ প্রাণ বাঁচাতে পারে

‘তামাক মৃত্যু ঘটায়’— এটি এখন কোনো কথার কথা নয়, বাস্তবে প্রমাণিত সত্য। শুধু মৃত্যু নয়, তামাক সেবনের কারণে ব্যবহারকারী যেসব মারাত্মক রোগের শিকার হয়, তা ভুক্তভোগীমাত্রই আমাদের অনেকের চেয়ে ভালো জানে। কিন্তু তামাক নেশাদ্রব্য, সহজে ছাড়া যায় না। বিষয়টি এখন বিশ্বে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। প্রতিরোধযোগ্য এ রোগ ও মৃত্যু ঠেকাতে তাই বিশ্বব্যাপী তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চলছে এবং অনেক ক্ষেত্রে সফলভাবে তামাক সেবন নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে। বাংলাদেশ সরকারও এ লক্ষ্যে কাজ করছে, কিন্তু তামাক কোম্পানির আগ্রাসী প্রভাবে এখনো কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। কোম্পানি তামাক নিয়ন্ত্রণ হোক— এটা চায় না। তাতে তাদের ব্যবসায়িক ক্ষতি। তাই নিত্যনতুন কারসাজিতে (আরো পড়ুন )


কুড়িয়ে পাওয়া খাবার খেয়ে জীবনের পরিবর্তন (৩)

নাম: রং বাহার বয়স ৫৬ বছর গ্রাম: গোয়ারিয়া স্বামী; মৃত আনোয়ার হোসেন

তিন ডিসিমল জায়গার উপরে বাপের বাড়ি সেখানে ভাইয়েরা একটি ঘর উঠানোর জায়গা দিয়েছে। চার চালা একটি পুরানো ঘর আছে।

পরিবারের সদস্য সংখ্যা আগে ছিল ৪ জন। এখন নিজে একা থাকেন। মা মারা গেছে। মেয়ে বিয়ে হয়ে শশুর বাড়ি চলে গেছে। নাতী আমার কাছে থেকে লেখা পড়া করতো সে এখন থাকেনা।

রং বাহার বলেন, আমি বাপের বাড়িতে থাকি। ভাইরা আলাদা থাকে আমি আলাদা থাকি। আগে মানুষ বেশি ছিল চাল বেশি লাগতো। এখন একদিনের জন্য আমার আধা কেজি চালের ভাত লাগে। আগে সকালে উঠে চাল পানি খেয়ে চকে (জমিতে) শাক তুলতে যেতাম। এই মৌসুমে শাক কম একটু বৃষ্টি হলে অনেক শাক হবে। ঘরে মিষ্টি আলু আছে ঐ আল (আরো পড়ুন )


আমাদের কুড়িয়ে পাওয়া শাক

‘আমাদের কুড়িয়ে পাওয়া শাক’গবেষণা গ্রন্থটি দ্বিতীয় সংস্করণ বের করতে পেরে আমরা খুশি। প্রথম সংস্করণ ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। তবে দ্বিতীয় সংস্করণে আমরা কিছুটা পরিবর্তন করেছি। আশা করি পাঠকরা এই গ্রন্থ ব্যবহার করে প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষার সাথে আমাদের খাদ্যের যোগানোর সম্পর্কটি উপলব্ধি করতে পারবেন।

দক্ষিণ এশিয়ায় মানুষের জীবনধারণ প্রাণবৈচিত্র্যের ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের মতো দেশেও খাদ্য নিরাপত্তার প্রশ্নটি শুধুমাত্র আবাদী ফসলের ওপরই নির্ভরশীল নয়। আমাদের চারিদিকে অনেক কিছু গড়ে ওঠে যা আবাদ করা হয় না কিন্তু খাওয়া হয়। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরণের খাদ্যাভ্যাস আছে। এ খাদ্যকে আমরা কুড়িয়ে পাওয়া খাদ্য বলে আখ্যায়িত করেছি। কারণ যা (আরো পড়ুন )


তামাক উৎপাদন ও সেবন নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে

তামাক সেবন ও উৎপাদন যা-ই করুন না কেন তা স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও চারপাশে যারা আছেন, তাদের সবারই ক্ষতি করে। যে শিশু জন্ম নেয়নি, মায়ের পেটে রয়েছে, তার জন্যও তামাক সেবনকারী ক্ষতির কারণ হতে পারে। বড়ই নিষ্ঠুর ও হত্যাকারী এই পণ্য। নেশা জাগানো তামাকের কোনো ভালো গুণ খুঁজে পাওয়া যাবে না। এবং নেশা জাগানো যে কী ক্ষতি বয়ে আনতে পারে, তা একমাত্র ভুক্তভোগী ও তার পরিবার জানে। এর ক্ষতি নিয়ে বিতর্ক নেই, কিন্তু আফসোস হয় তামাকের নানা পণ্য, নানা ব্র্যান্ডের সিগারেট, বিড়ি, জর্দাগুলোর রমরমা ব্যবসা চলছে। কোম্পানিগুলো নানা কৌশলে এ ক্ষতিকর পণ্যের প্রতি ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে তাদের বেঁধে ফেলেছে।

তামাকজাত দ্রব্যের উৎপাদন ও ব্যবহার জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈ (আরো পড়ুন )


জিএমও গোল্ডেন রাইসকে না বলুন

প্রথমে রাতকানা রোগ প্রতিরোধের কথা বলে গোল্ডেন রাইস প্রবর্তনের উদ্যোগ নেয়া হয়। তবে সে বিষয়ে নানা রকম প্রশ্ন উঠে। অধিকাংশ প্রশ্নের কোন জবাব এখনও পাওয়া যায়নি। গোল্ডেন রাইসও ছাড় হয়নি। তবে তৎপরতা থেমে নেই। এখন আরো নতুন বিষয় যেমন, হাম ও রক্তাল্পতার বিষয়ও তুলে ধরা হচ্ছে। গোল্ডেন রাইস প্রবর্তনের যুক্তি শক্ত করতে।

অন্ধত্ব:

খাদ্যে অনুখাদ্য যেমন, আয়রন, আয়োডিন, জিঙ্ক, এবং ভিটামিন-এ ঘাটতি। বিশেষ করে গরিব মানুষ যাদের খাদ্য চাউল অথবা অন্য শর্করা খাদ্যের উপর বেশী নির্ভরশীল তারাই সাধারণত: অন্ধত্বের শিকার হন।

 

 

 

(আরো পড়ুন )


জামদানি ও জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশান

ভূগোল, পরিবেশ, ইতিহাস, হাতের কাজ বা কারুশিল্পের ঐতিহ্য – ‘জামদানি’ নামটির মধ্যে এ সবেরই বুনুনি নিহিত রয়েছে। জামদানি নামের সঙ্গে ‘ঢাকা’ নামটিও জড়িত। সম্ভবত আদিতে এর নামও ছিল শুধু ‘ঢাকাই’, মুঘল আমলে ইরান থেকে আসা বিভিন্ন পাত্রে ফুলকারি নকশা আঁকা পাত্র আমদানি হয়ে এল। ফারসি ভাষায় ‘জাম’ মানে ফুল আর ‘দানি’ মানে পাত্র। পাত্রে আঁকা ফুলের নকশা তাঁতে তুললেন তাঁতীরা। তাঁতে ফুলকারি নকশা তোলার ঐতিহ্য চালু হওয়ার ফলে ‘ঢাকাই’ কাপড় একসময় ‘জামদানি’ নাম পরিগ্রহণ করল।

মনে রাখতে হবে ‘জামদানি’ নকশার নাম, কাপড় বোনার পদ্ধতি ঢাকাইয়া বা ‘ঢাকাই&rsquo (আরো পড়ুন )


এজেন্ডা ২০৩০ ও নারী অধিকার অর্জনঃ নারীবাদী পর্যালোচনা

জাতিসংঘ প্রণীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য বা Sustainable Development (SDG) একটি বৈশ্বিক কর্মসূচী। একে বাদ দিয়ে এখন উন্নয়ন পরিকল্পনা করার সুযোগ কম। ২০৩০ সাল পর্যন্ত সার্বিক উন্নয়নের চিন্তা করতে হবে এই এসডিজি ঘিরেই। সহস্রব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (MDG) পথ ধরে এসডিজি আসে। এসডিজি লক্ষ্য মাত্রা অর্জন করতে হলে সরকার এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠান একত্রে কাজের পরিকল্পনা করতে হবে। এসডিজির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে শুধু নিজের দেশের উন্নয়ন করলে হবে না, এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের আয় বৈষম্যের যে পার্থক্য রয়েছে সেটাও কমিয়ে আনতে হবে। মানব পাচার রোধ ও নারী শিশুর প্রতি নির্যাতন রোধ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা, পাচার বা চুরি হওয়া সম্পদ উদ্ধার এবং দূনীতি কমানোর লক্ষ্য অবশ্যই অর্ (আরো পড়ুন )


বিটি বেগুনের পর জিএম আলু! বেগুন তো গেল, এখন কি আলুও দুষিত হবে?

একের পর এক জিএম ফসলের প্রবর্তন করে এদেশের গরিবের পেটে লাথি মারার মতো কাজ শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষের খাবারের তালিকায় কী থাকে? তারা মাছ মাংস খেতে পারে না দামের কারণে, মাসে একদিন কি দুদিন বড় জোর খাওয়া হয়। প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় থাকে সহজলভ্য সব্জি। বেগুন ভাজি বা আলু বেগুনের সব্জি, আলু ভর্তা, ডাল ও ভাত খেয়েই সাধারণ মানুষের জীবন চলে। দ্রুত রান্নার সুবিধার জন্য শহরের বসবাসকারী শ্রমিকেরা এই খাদ্য খেয়েই তাঁরা কারখানায় যান কাজ করতে। বেগুন ও আলুর মধ্যে পুষ্টিগুন ও বিদ্যমান। নারীদের জন্যে বিশেষ করে এই সব্জি খুব উপকারী। সবমিলিয়ে বেগুন ও আলু মানুষের অতি প্রিয় সব্জি – ধনী গরিব সবাই নানাভাবে এই সব্জি খান। অন্যদিকে কৃষকদের মধ্যে ক্ষুদ্র কৃষকরাই ব (আরো পড়ুন )


সর্বনাশী কর্পোরেট কৃষি নয়, চাই পরিবেশসম্মত কৃষি

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি্র কারনে জনগণের দৈনন্দিন জীবন জীবিকার সংগ্রাম কঠিন হয়ে পড়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের ন্যায়সঙ্গত  দাবী-দাওয়া উপেক্ষার ফলে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, হরতাল, অবরোধ ইত্যাদি ম্রহনত মানুষের জীবনকেও অতীষ্ঠ করে তোলে। যে কোন রাজনোইতিক কিম্বা সামাজিক অস্থিতিশীলতা দেশের অর্থনীতিকে পিছিয়ে দেয়ার জন্য এবং বিশেষ করে কৃষকের ফসল বাজারে আসার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট। আর সময়মতো ফসল বাজারজাত করতে না পারলে কৃষকের ক্ষতি হয় এ কথা সর্বজনবিদিত। ফসল বাজারজাত করতে না পারা শুধু রাজনৈতিক খারাপ পরিস্থিতিতেই হয় না, অন্যান্য স্বাভাবিক সময়েও একই ঘটনা ঘটে। ঢাকায় যে সবজি ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় তা গ্রামে বিক্রি হয় মাত্র ২ টাকায় বা ৫ টাকায়। আলু (আরো পড়ুন )


বেগম রোকেয়া নয়, রোকেয়া খাতুনকে চিনুন

গত শতাব্দি থেকে একটি নাম নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকল শিক্ষিত মানুষের কাছে পরিচিত এবং গ্রহণযোগ্য সে নাম হচ্ছে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। তাঁকে সংক্ষেপে বেগম রোকেয়া বলা হয়, যদিও এই বেগম কোথা থেকে এলো তার কোন হদিস পাওয়া যায় না। বেগম তাঁর নামের অংশ নয়। তার আসল নাম রোকেয়া খাতুন। মুসলিম পরিবারের অতি চেনা একটি নাম। জন্ম ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে। রোকেয়ার কারণে পায়রাবন্দ গ্রামও সারা বিশ্বে পরিচিত। শহর গ্রাম সব জায়গায় মেয়েদের নাম ‘রোকেয়া’ রাখা হয়। আমার বিশ্বাস রোকেয়ার কাজের কারণেও এই নাম অনেক প্রচার পেয়েছে। তাঁর বাবা জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের জমিদার ছিলেন, তিনি পুরুষতান্ত্রিক চরিত্রের ব্যতিক্রম (আরো পড়ুন )


বিটিবেগুন (বিকৃত বেগুন) পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের ভয়াবহ ঝুঁকি

জেনেটিকালী মডিফাইড অর্গানিজম কি? কেন বিরোধিতা?

প্রাণের গঠন কাঠামোর গোড়ায় রয়েছে এক ধরণের গঠন-সংকেত (gene), যাকে ইংরেজিতে বলা হয় ‘জিন’। তার ওপর কারিগরি চালিয়ে সেই গঠনে বিকৃতি ঘটানোর কারিগরি আবিষ্কার করেছে বিজ্ঞানিরা। এর নাম জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (Genetic Engineering)। অর্থাৎ প্রাণ নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারি করা। এই ইঞ্জিনিয়ারিতে প্রাণের মূল বৈশিষ্ট্যে বিকৃতি ঘটিয়ে যা তৈয়ার হয় তাকে বলা হয় জেনেটিকালি মডিফাইড অর্গানিজম বা জিএমও; প্রাণের গঠন সংকেতে কারিগরি খাটিয়ে তাকে বিকৃত এক আজব জিনিসে রূপান্তর করা। এটা প্রকৃতির স্বাভাবিক কোন ঘটনা নয়। অস্বাভাবিক ঘটনা। এই কারিগরি যে কোন প্রাণের ওপর (আরো পড়ুন )


দেশের ঈদ, বাজার বিদেশী

ঈদের বাজার এখন রমরমা। রমজান মাসের রোজার শেষে ঈদ আসবে— তারই প্রস্তুতি চলে সারা মাস ধরে। মাসজুড়ে কাপড় এবং সঙ্গে অন্য সামগ্রীর কেনাকাটাতেই আনন্দ। এ কেনাকাটায় অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়, আর এখন তো যানজট বাড়তি ভোগান্তির সৃষ্টি করে। তবুও কারো কেনাকাটা থেমে থেকেছে বলে শুনিনি। সেটা গুলিস্তান বা ফার্মগেটের ফুটপাতের বাজার হোক বা বড় বড় শপিং মলের বাজার হোক। এবার রমজান মাস মোটামুটিভাবে গরমে কেটেছে। তাই শপিং মলে ভিড় একটু বেশি, কারণ সেখানে এসি চলে। দাম বেশি হলেও আরামে কাপড় কেনা যায়। এখন আষাঢ় মাস চলছে, কিন্তু বৃষ্টির চেহারা তেমন দেখা যাচ্ছে না। ওদিকে নীল শাড়ি ও পাঞ্জাবি পরে বর্ষার গানও গাওয়া হয়ে যাচ্ছে। ফুল ফুটুক বা না ফুটুক বসন্ত ঠিকই আসবে, এখন দেখছি ব (আরো পড়ুন )


মোরগমুরগির বৈচিত্র ও নয়াকৃষিতে নতুন জাত সংযোজন

মাত্র পঁচিশ বছরের মধ্যেই কৃষকের ঘরের মোরগমুর্গির জাতের বৈচিত্র ক্ষয় পেল!

এই দেশের মানুষকে ডিম আর মোরগ-মুর্গির সরবরাহ দিয়ে এসেছে কৃষক পরিবার। বদ্ধঘরে কারখানার মডেলে মুর্গিপালনের আবির্ভাব ঘটেছে সম্প্রতি। বাংলাদেশে আধুনিক পোল্ট্রি খামারের আবির্ভাব গত শতাব্দির নব্বই দশকের শুরুর দিকে। খুবই দ্রুত দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক উন্নয়নের অর্থ খরচ করে নতুন একটি বেসরকারি বিনিয়োগ ও মুনাফার ক্ষেত্র হিসাবে একে গড়ে তুলতে গিয়ে দেশী জাতের মুর্গির বিলুপ্তি যেমন ত্বরান্বিত করা হয়েছে, তেমনি পশুপাখি পালনের জন্য যে প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণের জ্ঞান দরকার, তারও ক্ষয় ঘটেছে দ্রুত। জমি ব্যবহারের ধরণেও গুণগত পরি (আরো পড়ুন )


কৃষকের বৈচিত্র্যপুর্ণ ফসল পরিকল্পনা

নয়াকৃষি আন্দোলনের কৃষকরা অধিকাংশই ক্ষুদ্র কৃষক। তাদের জমির পরিমান ১ একরের বেশী নয়, সারা বাংলাদেশেই এই ক্ষুদ্র কৃষকরাই কৃষিতে মূল ভুমিকা রাখছেন। তাদের ফসল পরিকল্পনায় নিজের পরিবারের খাদ্যের যোগান দেয়াই প্রধান উপলক্ষ, বাজারের জন্যও তাদের উৎপাদন করতে হয়। কিন্তু বাজার তাদের উৎপাদনের ধরণ পালটে দেয়। বাজারের চাহিদা অনুযায়ি উৎপাদন করতে গিয়ে কৃষকের ফসলের বৈচিত্র্য কমে যায়, আর নিজেরা খাওয়ার জন্যে আবাদি জমির কম অংশ ব্যবহার করেও বাড়ীর ফসলের বৈচিত্র্য দেখে অবাক হতে হয়। ঈশ্বরদীতে নয়াকৃষি বিদ্যাঘর আরশিনগরে জৈষ্ঠ্য মাসের ৩০ তারিখ থেকে আষাঢ়ের ১ তারিখ (১৩ থেকে ১৫ জুন, ২০১৬) পাঁচটি এলাকার কৃষকের সাথে ফসল পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই সভায় অনেক গুরুত্বপুর্ (আরো পড়ুন )


প্লেইন প্যাকেজিংয়ে তামাক পণ্যঃ তৈরি হও

সিগারেট, বিড়ি, জর্দার প্যাকেটে আকর্ষণীয় ছবি এবং কোম্পানি তার নিজের বিশেষ রং ব্যবহার করে ক্রেতাকে তার পণ্যের জন্যে ধরে রাখতে চায়। তাদের ইচ্ছা শুধু তামাক সেবনেই নয়, সেই বিশেষ কোম্পানির তৈরি করা ব্রান্ড ব্যবহারে। যারা সিগারেট খায় তারা কোন বিশেষ ব্রান্ডের সিগারেট খায় তা দিয়ে তার সামাজিক অবস্থানও বোঝাতে চায়। তাই ব্রান্ড, রং চিনে সিগারেট বা জর্দা ব্যবহার করে জোর গলায় বলবে সে কি ব্রান্ড খায়।

তামাক সেবন জনস্বাস্থ্যের জন্যের ক্ষতিকর এবং অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ বলে যখন থেকে স্বীকৃতি পেল তখন থেকে এর ব্যবহার কমাবার উদ্যোগ নেয়া হোল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে। মে মাসের ৩১ তারিখ আন্তর্জাতিক তামাকমুক্ত দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে ১৯৮৭ (আরো পড়ুন )


তামাক চাষে স্বাস্থ্যের ক্ষতিঃ কঠোর পরিশ্রম, সার-বিষ ব্যবহার ও নিকোটিন সংক্রমণের ঝুঁকি

উবিনীগ গবেষনা ফলাফল
তামাক পাতা থেকে যা উৎপাদন করা হয় তাও স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর

  • তামাক খাদ্য ফসল নয়
  • তামাক পাতা দিয়ে যা উৎপাদিত হয়, তাও স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর এবং আইনে নিয়ন্ত্রণের ব্যাবস্থা করা হয়েছে, যেমন সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল, সাদাপাতা
  • তামাক পাতা উৎপাদনে সরকার নয়, দেশী ও বিদেশী কোম্পানি জড়িত
  • কোম্পানিগুলো হচ্ছে বিএটিসি, ঢাকা টোবাকো, আকিজ, আবুল খায়ের, ইত্যাদী
  • তামাকের ব্যাপক বাণিজ্যক চাষ করা হয় চারটি জাতের, এফসিভি, মতিহার, জাতি ও বার্লী

তামাক চাষে স্বাস (আরো পড়ুন )


জনস্বাস্থ্য রক্ষায় স্বাস্থ্য খাতে সঠিক বরাদ্দ জরুরি

দুটি বিষয়ে আশা করি কেউ দ্বিমত করবেন না। এক. স্বাস্থ্যসেবার যে ব্যবস্থা দেশে বিরাজমান, তা জনগণেরই পয়সায় চলে এবং এখান থেকে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার তার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। দুই. তামাক সেবন ও উত্পাদন জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। আরো বিষয় স্বাস্থ্যসেবা সংক্রান্ত সেবা আলোচনায় আসতে পারে। তবে এখন যেসব দাবি উঠছে, তার মধ্যে তামাকের উদাহরণ ইচ্ছে করেই টানছি। তামাক সেবনের কারণে সৃষ্ট রোগে বছরে প্রায় এক লাখ মানুষ ‘অকাল’ মৃত্যুবরণ করে। আরো ৩ লাখ মানুষ নানা রোগের কারণে ধুঁকে ধুঁকে মরে বা পঙ্গুত্ব বরণ করে। অকালমৃত্যুর অর্থ হচ্ছে— একটি পরিবারের উপার্জনক্ষম কিংবা যিনি দেশের জন্যও অবদান রাখতে পারতেন, তাকে হারানো। বাংলাদেশে যে পরিসংখ্যান আমরা দেখছি, (আরো পড়ুন )


মোরগ- মুরগীও পরিবারের সদস্য

স্মরণনাতীত কাল থেকে গ্রাম বাংলায় ঘরের পিছনে মোরগ- মুরগী লালন পালন চলে আসছে। এখনও প্রায় ৭০% পরিবার মোরগ- মুরগী লালন পালনের সাথে যুক্ত। বর্তমানে এ দেশে মোরগ- মুরগী লালন পালন দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। যেমন, ক্ষুদ্র পরিসরে বাড়ীর আঙ্গনায় খোলা যায়গায় চড়ে বেড়ানো মোরগ-মুরগী এবং ব্যবসায়িক ভিত্তিতে পোলট্রি খামারে লালন পালন করা মোরগ-মুরগী। সনাতন পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র পরিবারে সীমিত সংখ্যক মোরগ -মুরগী লালন পালন করা প্রায় প্রতিটি পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এ সব মোরগ -মুরগীর জন্য তেমন কোন তৈরি খাবারেরও প্রয়োজন হয় না। তবে এ সব মোরগ- মুরগী লালন করে পরিবারের ডিম ও মাংসের চাহিদা পূরণ করে বাজারে বিক্রি করে কিছু বাড়তি আয়েরও সুযোগ হয়। বেশীরভাগ ক্ষেত্রে পরিবারের মহিলার (আরো পড়ুন )


শ্রমিকের অধিকার নেই, তবুও অমর হোক মে দিবস

মে দিবসে (বা পহেলা মে) শ্রমিকের কী অধিকার নিয়ে সংগ্রাম করতে হবে তা হয়তো বেশির ভাগ শ্রমিক ও অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমজীবী মানুষ জানেন না। পহেলা মে পালনের বিষয়টি ট্রেড ইউনিয়ন আয়োজিত অনুষ্ঠানে বেশি প্রকাশিত হয়, অথচ ট্রেড ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত শ্রমিকের সংখ্যা কারখানার বাইরে খুব একটা নেই। কারখানার ভেতরেও ৩০ শতাংশ হবে না। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, মোট শ্রমিকের ৩ শতাংশ ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য। তাহলে শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ নিজেই কি জানেন, তাদের অধিকার কী? পহেলা মে কেন সরকারি ছুটির দিন? কী দাবি তোলা দরকার? আমার বিশ্বাস অনেকেই জানেন না, তবে ক্যালেন্ডারে লাল রঙে ছুটির দিন হিসেবে শুক্র, শনি ও রোববার— তিনদিন বেশ ভালোই হচ্ছে। কারণ এবার মে মাস শুরু হচ্ছে র (আরো পড়ুন )


বাজেট ২০১৬ – ১৭: অবহেলিত মানুষের স্বাস্থ্য সেবা পাওয়া নিশ্চিত করা এবং চাহিদা পুরণের জন্যে অর্থ বরাদ্দ চাই

স্বাস্থ্য সেবা উন্নয়ন ও জনগণের স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার অধিকার আছে কি নেই তা জাতীয় বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ মেপে বলা যায় না। স্বাস্থ্য আন্দোলন এই বিষয়টি অর্থ বরাদ্দের পরিমাণের উর্ধ্বে চিন্তা করে। জনগণের স্বাস্থ্য সেবা পাওয়ার অধিকার তা নিশ্চিত করার জন্যে সরকারের যে অঙ্গীকার ও বাধ্যবাধকতা রয়েছে তা পুরণ করা হচ্ছে কিনা সেটাই মুল বিষয়। আমরা এখন বিশ্ব অর্থনীতির যে পর্যায়ে আছি তাতে জনগণের স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার দায়িত্ব থেকে সরকার মুক্তি পেতে চাইছে। স্বল্প আয়ের দেশ থেকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হয়ে সরকারের দায়দায়িত্ব আরও সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। তারা অবাধ দরজা খুলে দিয়েছে বে-সরকারি খাত থেকে সেবা নেয়ার ওপর। যার সোজা অর্থ হচ্ছে “টাকা থাকলে সেবা পাবে, না থাকলে (আরো পড়ুন )


মাটিতে রাসায়নিক সার প্রয়োগের পরিনাম

ফসল উৎপাদনের জন্য কম পক্ষে ২১ টি মৌলিক উপাদান প্রয়োজন। এর মধ্যে তিনটি ম্যাক্রনিউট্রিয়ন্ট যেমন কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন বাতাস ও পানি থেকে পাওয়া যায়। তিনটি প্রাইমারী ম্যাক্রনিউট্রিয়ন্ট যেমন নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম মাটি থেকে পাওয়া যায়। তিনটি সেকেন্ডারি ম্যাক্রনিউট্রিয়ন্ট যেমন সালফার, ক্যালশিায়াম এবং ম্যাগনেশিয়াম মাটি থেকে পাওয়া যায়। এ ছাড়া আরো আছে ১২ টি মাইক্রোনিউট্রিয়ন্ট যেমন আয়রন, মলিবডেনাম, বোরোন, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, সোডিয়াম, জিঙ্ক, নিকেল, ক্লোরিন, কোবাল্ট, এ্যালমুনিয়াম এবং সিলিকন যা মাটিতে থাকা প্রয়োজন।

আধুনিক কৃষি প্রবর্তনের পর থেকে মাটিতে মৌলিক উপাদানের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। যেমন ১৯৫১ সালে এ দেশের মাটিতে নাইট্রোজেনের (আরো পড়ুন )


ডায়াবেটিস: সামলাতে বিভিন্ন জাতের ধান

ডায়াবেটিস একটি ব্যাধি যা শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ ইনসুলিন না থাকা বা অগ্নাশয়ে প্রয়োজনীয় ইনসুলিন উৎপাদন না হওয়ার জন্য সৃষ্ট শারীরিক সমস্যা। ইনসুলিন একটি হরমোন যা রক্তের মধ্যে বিদ্যমান গ্লোকোজ শুষে নেয় এবং শরীরে শক্তি জোগায়। মানুষ যখন খাবার খায় তখন অগ্নাশয় প্রাপ্ত গ্লোকোজ শুষে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ইনসুলিন উৎপাদন করে। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের শরীরে প্রয়োজনীয় ইনসুলিন থাকে না অথবা উৎপাদিত হয় না। অথবা শরীরে যে ইনসুলিন উৎপাদিত হয় তা শরীর গ্রহণ করে না। ফলে রক্তের মধ্যে গ্লোকোজ জমা হয় এবং প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে বেড়িয়ে যায়। ফলে শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির অভাব দেখা দেয়।

বাংলাদেশে ডায়াবেটিসের প্রার্দুভ (আরো পড়ুন )


‘উন্নয়নবাহিত’ রোগ ডায়াবেটিস ও আমাদের কৃষি

ডায়াবেটিস কোনো অপরিচিত রোগ নয়। চা পরিবেশন করতে গেলেই টের পাওয়া যায় কার ডায়াবেটিস আছে আর কার নেই। আজকাল জিজ্ঞেস করার নিয়ম হয়েছে, ‘চিনি দেব?’ রাজধানী শহর ঢাকায় সকালে রমনা পার্ক, চন্দ্রিমা উদ্যান, মধ্য ও উচ্চবিত্তদের আবাসিক এলাকা যেমন— গুলশান, ধানমন্ডির ফুটপাতে হন হন করে হাঁটতে দেখা যায় বিভিন্ন বয়সের নারী ও পুরুষকে। একেবারে যারা তরুণ, তাদের দেখা না গেলেও চল্লিশোর্ধ্ব অনেককেই এভাবে হাঁটতে হয় চিকিত্সকের প্রেসক্রিপশনে। এটা শহরের চিত্র, কারণ এ রোগ নিয়ে আলোচনা বা চিকিত্সা প্রথম শহর থেকেই শুরু হয়েছে। এ ধরনের রোগকে আমরা শহুরে ও বিত্তবানদের রোগ বলেই এতকাল জেনেছি। গ্রামে কি তাহলে ডায়াবেটিস নেই? অবশ্যই আছে। কিন্তু তা জানা যাচ্ছে না সম (আরো পড়ুন )


অর্থনৈতিক-সামাজিক অসমতা: নারী অধিকারের অন্তরায়

বরাবরের মতো এবারও আন্তর্জাতিক নারী দিবস ৮ মার্চ উদযাপিত হয়েছে। আজকাল দেখা যায়, ৮ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয় না, মার্চের শুরু থেকেই নারী দিবসের কর্মসূচি লেগে থাকে, কারণ দিবসটিতে যানজটের মতোই ‘কর্মসূচি-জট’ লেগে যায়। কোনটা ছেড়ে কোনটায় যাই, শেষ পর্যন্ত কোনোটাতেই যাওয়া হয় না। কাজেই এখন আর দিবস নয়, সপ্তাহ পালন করা হয় বলা যেতে পারে। সংবাদ মাধ্যমে নারীদের সম্পর্কে এবং তাদের অবস্থান জানা ও বোঝার চেষ্টা দেখা যায়। লেখালেখি হয়, বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। আমি এ প্রবণতা ইতিবাচক বলে মনে করি। দিনটি আছে বলেই বছরে একবার হলেও যার যার মতো করে বিশ্লেষণ করা হয়— নারী এগোতে পারল কি পারল না।

তবুও প্রশ্ন থেকে যায়, কারা দিবসটি পালন করছ (আরো পড়ুন )


চতুষ্পদ প্রাণীর অর্থনীতি

আমরা জানি না, অর্থনীতির আসলে কয়টি পা রয়েছে। তবে সবকিছুর পেছনে দুই পায়ের মানুষ নামক জীবের জন্যই অর্থনীতির সবকিছু আয়-ব্যয় করা হয় এবং তাদের ‘উন্নয়ন’ করাই দেশের লক্ষ্যে পরিণত হয়। এজন্য এক বিরাট সংখ্যক দুই পা-বিশিষ্ট মানুষ নামক প্রাণী হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খাটে, অন্যদিকে মানুষ নামক ক্ষুদ্র বিশিষ্ট অংশ দেশের অর্থনীতির মূল মাখনটি খেতে পারে। এ পরিস্থিতির ব্যাখ্যা অর্থনীতির ভাষায় ধনী-গরিব ব্যবধানের চিত্র হিসেবে দেখানো হয়। বিশ্বের অন্য সব দেশের মতো এই অন্যায় -- মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার বিভাজন--  বাংলাদেশেও রয়েছে। উন্নয়নের অনেক অগ্রগতি হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু অর্থনৈতিক অবস্থায় নিচের দিকে যারা আছেন, অর্থাৎ গরিবদের আয় ১ দশমিক ২ থেকে কমে শূন্য দ (আরো পড়ুন )


নারী শ্রম দিচ্ছে কিন্তু শ্রমিক হবার অধিকার পাচ্ছে না

শ্রমিক হিসেবে নারী স্বীকৃত কিনা, তার মজুরী বৈষম্য কেন ঘটছে, বা মুল অর্থনীতিতে নারীর ভুমিকা কি সেটা বারে বারে প্রশ্ন ওঠে, কিন্তু কোন সুরাহা হয় না। কিছুটা পাওনা আদায় করা গেলেও পুরুষ শ্রমিকের সমান বা আন্তর্জাতিক মানের কোন কাঠামোতে নারীকে ধরা হয় না। অথচ নারী সবসময়ই শ্রমজীবী, সেটা বাড়ীর ভেতরে হোক বা বাইরে। নারী জন্মের পর থেকে বুঝতে শেখার অংশ হিসেবে তাকে কম পক্ষে গৃহস্থালি কাজ শিখে রাখতে হয়। নইলে তার যে মূল ঠিকানা, অর্থাৎ শ্বশুর বাড়ী সেখানে ঠাঁই হবে না। সেটাই তার কর্মস্থল। নারী তাই কখনো বেকার নয়। যদিও সে বলে আমি কিছু করি না, সংসার দেখি যেন এটা কাজ নয়। এগুলো পুরণো প্রসংগ, তবুও নারী শ্রমিককে যখন পথে ঘাটে দেখি এবং তার অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবার যে য (আরো পড়ুন )


টেকসই উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকা না থাকার প্রশ্ন

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ বলতে তাদের সংখ্যায় পরিণত করার প্রবণতা দেখা যায় উন্নয়ন নিয়ে কথাবার্তায়। কত মানুষ গরিব, কত মানুষ কাজ করছে, কত মানুষ বেকার ইত্যাদি। এ আলোচনার একটি দিক দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, তা হচ্ছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে অন্তর্জাতিক মহলে উৎকণ্ঠা। বাংলাদেশ মানে হলো ছোট দেশ; কিন্তু মানুষের সংখ্যা বেশি।

এখানে উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কঠিন কাজ। আসলে দেশের জনসংখ্যা কত, তাও হয়তো অনেকেই ঠিকমতো নিরূপণ করে বলেন না। ১৬ কোটি মানুষের দেশ বলতে বলতে মুখে ফেনা উঠে যায়; কিন্তু জনশুমারিতে দেখা যায়, ১৫ কোটির একটু বেশি। মন্ত্রীরা তাদের বক্তৃতায় একেক সময় একেক সংখ্যা বলেন। গ্যাস দিতে না পারলে বলেন, ১৬ কোটি মানুষের জন্য গ্যাসের জোগান দেয়া সম্ভব (আরো পড়ুন )


চিকিৎসকদের ধর্মঘট কীসের ইঙ্গিত?

ঘটনা খুবই দুঃখজনক, কিন্তু হঠাত্ ঘটেছে কিংবা একটি মাত্র ঘটনা, তা কিন্তু নয়। সরকারি ও প্রাইভেট হাসপাতালে বা ক্লিনিকে এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলে আমরা জানতে পারছি, আর না হলে স্বজনরা কেঁদে মরছেন। কেউ জানতে পারছে না। তাত্ক্ষণিক ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে কোথাও কোথাও ভাংচুর হয়েছে, চিকিৎসকের ওপর আক্রমণও হয়েছে। এগুলো কাম্য নয়। কিন্তু যার স্বজন মারা যায় এবং তার যদি মনে হয় চিকিত্সায় গাফিলতি হয়েছে, এ মৃত্যু ঠেকানো যেত, তাহলে এটুকু অবশ্যই বলা যায়— এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে, তার ব্যবস্থার দায়িত্ব কাউকে না কাউকে নিতেই হবে।

এ বছরের শুরুতে সরকারেরই উচ্চপর্যায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি পরিবার এমন এক ঘটনার করুণ শিকার হয়েছে। (আরো পড়ুন )


মাত্র কয়েকজনই মহাধনী, বাকিরা গরিব!  বাংলাদেশেও তাই

 অর্থনীতির অবস্থা বুঝতে গিয়ে উন্নয়নশীল দেশে দারিদ্র্যের হার বেড়েছে বা কমেছে কিনা তা নিয়ে অনেক মাথা ঘামানো হয়। অর্থনীতিবিদরা নানা তত্ত্ব দেন। রাজনৈতিক সরকার পরিসংখ্যানে দারিদ্র্যের হার একটু কম দেখাতে পারলে উল্লসিত হয়ে ওঠে। আর জিডিপি বৃদ্ধি পেলে তো কথা-ই নাই। বাহ্! অনেক উন্নতি হয়েছে। এখন গণতন্ত্রের দরকার নেই। এটা আমাদেরই কৃতিত্ব। আমাদের আগে যারা ছিল, তারা কিছু করেনি ইত্যাদি ইত্যাদি।

অথচ উন্নয়ন বা দারিদ্র্যবিমোচনের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া থাকে এবং জনগণও কারও মুখের দিকে চেয়ে বসে থাকে না। কাজেই দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে থাকে। কিন্তু অর্থনীতির অংক অর্থনৈতিক অবস্থা বোঝার ভাল কোন মানদণ্ড নয়। যদি এমন একটি ব্যবস্থা টিকিয়ে (আরো পড়ুন )


তিনবারের পাহাড়ি ঢলেও দমেনি চকরিয়াবাসী ও উবিনীগ

|| Tuesday 22 December 2015 || বিষয়: নদী ভাঙ্গন ও বন্যা প্লাবন, জীবিকার সংগ্রাম

গত জুন ২০১৫ থেকে আগষ্ট ২০১৫ এই ৩ মাসের ব্যাবধানে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে ককসবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলা এবং বান্দরবান জেলার লামা ও আলীকদম উপজেলা ৩ বার বন্যায় প্লাবিত হয়। এলাকায় সৃষ্ট ব্যাপক বন্যায় মানুষ পানি বন্দি ও গৃহহারা হয়ে পড়ে। ঘরবাড়ি ভেঙ্গে যায়, গবাদি পশু- পাখি ভেসে যায়, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয় এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ে। দূর্গত মানুষের পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে প্রায় ৩ মাস সময় লেগেছে। এখনো কোন কোন এলাকার পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। পদ্মাবতী বিদ্যাঘরের কর্মীরা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের শিকার। সার্বিক ভাবে কেন্দ্রের ঘর, অফিস কক্ষ, (আরো পড়ুন )


হারিয়ে যাওয়া চকরিয়া সুন্দরবন

স্থানীয়ভাবে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন বা প্যারাবন নামে পরিচিত এবং এই বনভূমি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। এই ম্যানগ্রোভ এলাকা জলোচ্ছ্বাসের হাত থেকে অভ্যন্তরীণ ভূমি ও জনপদকে রক্ষা করে।

সুন্দরবন বলতে আমরা বুঝি জাতীয় সুন্দরবন, যা খুলনায় অবস্থিত। দেশে যে আরও একটি সুন্দরবন ছিল, তা দক্ষিণ চট্টগ্রামের মানুষ কিংবা পরিবেশবাদী ও সচেতন কিছু লোক ছাড়া অনেকেই জানেন না। কক্সবাজারের চকরিয়ায় ছিল এই সুন্দরবন। এবং তা আজ কালের আবর্তে লোকজনের মনের আড়াল হতে চলেছে।

কক্সবাজারের উপকূলবাসীকে গ্রীন হাউজ এফেক্ট থেকে রক্ষা করতে চকরিয়া সুন্দরবনের যে কী অপরিসীম গুরুত্ব ছিল তা এতদা (আরো পড়ুন )


বেগম রোকেয়া, সুফিয়া কামাল, নুরজাহান বেগম এবং আরও পথিকৃৎ – সালাম জানাই

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২) বাংলাদেশের শুধু নন, পুরো দক্ষীণ এশিয়ায় উল্লেখ করার মতো একজন নারী মুক্তি দার্শনিক ও পথ প্রদর্শক। প্রায় শত বছর আগে তিনি যা লিখেছেন এবং করেছেন আজকের দিনেও অনেকে সেভাবে ভবিষ্যত কল্পনা করে ভাবতে পারেন না, কাজ করতে পারেন না। এটা আমি হলপ করে বলতে পারি। বেগম রোকেয়াকে নারী শিক্ষায় অবদান রাখার জন্যে বেশী উল্লেখ করা হয়, কিন্তু রোকেয়া রচনাবলী পড়লে তার চিন্তার ব্যাপকতা বোঝা যায়। কি কি বিষয় নিয়ে না ভেবেছেন তিনি! আরও যেটা বোঝা দরকার সেটা হচ্ছে তাঁর চিন্তা ও কাজ একত্রে ছিল। তিনি শুধু লিখে বসে না থেকে যতোটুকু পেরেছেন স্কুল চালিয়েছেন, নারীদের কর্মসংস্থানের চিন্তা করেছেন। নিরাশ্রীতাদের আশ্রয় দিয়েছেন। আবার সম্ভাবনার দ্বা (আরো পড়ুন )


লিঙ্গ সমতা অর্জনে ১১৮ বছর অপেক্ষার তত্ত্ব

বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সমাজ উন্নয়নের মাপকাঠি হিসেবে নারীর কত উন্নতি হলো তা জানা শুধু আমাদের দেশের জন্যই নয়, বিশ্বের বড় বড় নীতিনির্ধারণী ফোরামের মাথাব্যথার কারণ হয়ে গেছে। নারীকে আর ঘরের চার দেয়ালের মধ্যে চিন্তা করার উপায় নেই। নারী এখন সব কিছুরই লক্ষ্য এবং উপায়। তাই আন্তর্জাতিক ফোরামে আজকাল নারীর কথা উঠে আসে বারবার।

সম্প্রতি নারী উন্নয়ন সংক্রান্ত দুইটি বিপরীতধর্মী তথ্য দেখে চিন্তিত হচ্ছি। একটি 'ভালো' খবর- দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পর্যালোচনায় নারী-পুরুষের ব্যবধান কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। বিশ্বের ১৪৫টি দেশের নারীর পরিস্থিতি নিয়ে করা এ সূচকে চার ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ ৬৪ নম্বরে। এর আগে (আরো পড়ুন )


অর্গানিক কৃষি বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষকে খাওয়াতে পারবে

আধুনিক কৃষির বিষাক্ত ছোবলে উৎপাদন ব্যবস্থা ধ্বংসের দারপ্রান্তে পৌছেছে। রাসায়নিক কৃষি প্রসারের ধারায় সিনথেটিক সার ও বালাই নাশকের ব্যাপক ব্যবহারের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর যেমন-বিষাক্ত হচ্ছে তেমনই এককাট্টা ফসলের আবাদের ফলেও প্রাণবৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে। ধ্বংসাত্মক এ ব্যবস্থা অবিরাম ধারায় চলতে থাকলে কৃষি ব্যবস্থায় ধস নামবে। মাটির গুণাগুণ হারিয়ে যাবে। নিস্প্রাণ শিলায় পরিণত হবে। যেমনটি সৃষ্টির আদিতে গাছপালা ও প্রাণীর আবির্ভাবের পূর্বে ছিল।

আধুনিক কৃষি ব্যবস্থায় উৎপাদন খরচ ক্রমশঃ বেড়েই চলছে। অথচ রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসাবে কৃষি তথা ভোগ্য পণ্যের বাজার দর কমানোর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। একদিকে উপকরণে (আরো পড়ুন )


ডুবো ধান বনাম বোনা আমন ধান

ইংরেজি দৈনিক দি ডেইলি ষ্টার এর ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সংখ্যায় ইনোভেটিভ রাইস ফার্মিং ইন দি নর্থ (উত্তর অঞ্চলে নব প্রবর্তিত ধানের আবাদ) শিরোনামে একটি সংবাদ ছাপা হয়। এ সংবাদের শুরুতে লেখা হয় ২০১৪ সালে বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলে নীচু এলাকায় বসবাসরত জনগণ এক ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত ধানের জাতগুলি ১৫ দিন পানির তলায় ডুবে থাকে। ফলে ফসল বিনষ্ট হয়।

এ খবরে প্রকাশিত বন্যার খবরটি সত্য তবে ঐতিহ্যগতভাবে প্রচলিত ধানের জাতগুলি বিনষ্ট হওয়ার বিষয়টি বির্তক সৃষ্টি করেছে।

পানির উপর ভিত্তি করে স্মরণাতীতকাল থেকে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকা বিকশিত হয়েছে। বাংলাদেশের ২০% জমি স্বাভাবিক অবস্থায় বর্ষা মৌসুমে প্লাবিত হয়। আবার বড় বন্যা য (আরো পড়ুন )


বিটি বেগুনের পর ‘গোল্ডেন রাইস’: সবজির পর ধানে কারসাজি এ কিসের আলামত?

খাদ্যফসলে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ব্যবহার সম্পর্কে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত বিজ্ঞানীদের তর্কের বাইরে সামাজিক পর্যায়েও চলে এসেছে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সংক্ষেপ নাম জিএমও বললে এখন অনেকেই বুঝতে পারেন। এবং বুঝতে পেরে সবাই যে আস্থা পান তা নয়। জিএমও ছাড়াই তো এ দেশে কৃষিফসল উত্পাদন কম হয়নি। আধুনিক কৃষি মাধ্যমে উচ্চফলনশীল জাত আনা হয়েছে, এর পর এসেছে হাইব্রিড। এগুলো উত্পাদনের পরিসংখ্যানে অনেক টন যোগ করেছে। কিন্তু রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারও নির্বিচারে বেড়েছে সেই টন ধরেই। তাই তো এখন আর খাদ্যনিরাপত্তা অর্জিত হয়েছে বলে থেমে থাকা যাচ্ছে না, প্রশ্ন উঠছে খাদ্য নিরাপদ কিনা। খাদ্য বেশি আছে ঠিকই, কিন্তু নিরাপদ নেই।

এ পরিস্থিতিতে জিএম ফসল কতখানি নিরাপ (আরো পড়ুন )


জিএমও ফসলের প্রবর্তন: বিটিবেগুন ও গোল্ডেন রাইস

বাংলাদেশের মতো উর্বর ও প্রাণবৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটি দেশে নির্দয়ভাবে জিএমও ফসল উৎপাদনের জন্যে বিদেশী কোম্পানিগুলো চেষ্টা করে যাচ্ছে কারণ একে একে বিভিন্ন দেশ তাদের মাটি এই জিএমও ফসলের জন্যে ব্যবহার করতে দেবে না। বিশ্ব এখন সে দিকেই যাচ্ছে। বাংলাদেশ যখন দ্রুত কৃষিতে একের পর এক জিএমও ফসলের প্রবর্তনের জন্য তাড়াহুড়ো করছে সে সময় ভারত বলছে তারা এ ব্যাপারে ভেবে চিনতে করবে, কোন তাড়া নেই। তারা বলছে জনগণের মধ্যে জিএমও ফসল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কাজেই বাণিজ্যিকভাবে চাষের অনুমোদন দেয়ার আগে ৮ থেকে ১০ বছর মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সফলতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে [The Economic Times, 10 June, 2015]। স্কটল্যান্ড সরকার ইওরোপিয়ান ইউনিয়নের জিএম ভুট্টা ও ছয়ট (আরো পড়ুন )


বাংলাদেশ কোন দিকে এগোচ্ছে?

দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা হঠাৎ করেই যেন আবার অস্থির হয়ে উঠেছে। সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার বিষয় হচ্ছে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়েছে, যার প্রভাব সরাসরি অর্থনীতির ওপর পড়ছে। কারণ এখন নিরাপত্তা ঝুঁকির সঙ্গে বিদেশিরাও সরাসরি জড়িয়ে গেছে। কিন্তু তার মানে এ নয় যে, দেশের মানুষ খুব নিরাপত্তা বোধ নিয়ে আছে। কাউকেই মনে হয় না ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা করতে। এসব নিয়ে এত কথা আর আলোচনা হচ্ছে যে, আমি আর কিছু বলতে চাই না। শুধু আশুরার মধ্যরাতে তাজিয়ার প্রস্তুতিতে যে হামলা ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে, তা আমার কাছে মর্মান্তিক মনে হয়েছে। কারবালা আমাদের এমন বাস্তবভাবে মনে করিয়ে দেবে কেউ- এটা ভাবতেই কষ্ট হয়।

সবচেয়ে বিরক্তিকর হচ্ছে এসব কিছুর সঙ্গে রাজনৈতিক দলগু (আরো পড়ুন )


গোল্ডেন রাইস চাষীদের অধিকার কেড়ে নেবে

জেনিটিক্যালি মোডিফায়েড গোল্ডেন রাইস-এর পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা৷ ওদিকে দেশি জাতের ধান রক্ষায় যাঁরা কাজ করছেন তাঁদের দাবি, এই রাইসের মাধ্যমে বহুজাতিক কোম্পানি বাংলাদেশের ধান দখল করতে চান৷

দেশীয় ধানে বিটা ক্যারেটিন বা ভিটামিন এ নেই৷ অন্যদিকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে আবিষ্কৃত গোল্ডেন রাইস-এ ভিটামিন এ পাওয়া যাবে৷ বাংলাদেশ রাইস রিচার্স ইনস্টিটিউটের (বিরি) বিজ্ঞানীদের দাবি, এই ধান শিশু এবং গর্ভবতী মায়েদের ভিটামিন এ-এর অভাব পূরণ করবে৷ শিশুদের রক্ষা করবে রাতকানা রোগ থেকে৷

কুষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সংবাদমাধ্যকে জানান, বিরি-র অনুরোধে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল কমিটি অন ক্রপ বায়োটেকনোলজি গত ২০শে সেপ্টেম্বর মাঠ পর্যায়ে পরীক্ (আরো পড়ুন )


আমি যখন বড় হব, গাছও তখন বড় হবে

নয় বছরের স্মৃতি। ‘আমি যখন বড় হব, গাছও তখন বড় হবে’ আম গাছ লাগিয়ে এমনই তার ভাবনা।

গ্রামে কিশোরীদের বিয়ে হয় তাড়াতাড়ি। অল্প বয়সে। মেয়েদের বয়স ১২-১৩ হলেই মা-বাবা’রা বিয়ে দেবার জন্য চিন্তিত হয়। ফলে তারা লেখা-পড়া বেশী দূর করতে পারে না। এই বিয়ে দেবার যথেষ্ট কারণও আছে। গ্রামে কম বয়সে মেয়েদের বিয়ে হলে যৌতুক কম লাগে। মেয়ে বড় হয়ে গেলে যৌতুক বেশী লাগে। বাবা-মাদের পক্ষে সম্ভব হয় না বেশী যৌতুক দিয়ে মেয়ের বিয়ে দেবার। তাই নারীগ্রন্থ প্রবর্তনা বাল্যবিবাহ বা ১৮ বছরের পূর্বেই যাতে মেয়েদের বিয়ে না হয় তার জন্য কিশোরীদের মধ্যে গাছ লাগানোর কর্মসূচী হাতে নেয়। এখন গাছ লাগান হলে মেয়ে বড় (আরো পড়ুন )


জিএম ফসলের প্রবর্তন নাকি প্রকৃতি নিয়ে জুয়া খেলা

বাংলাদেশ যখন দ্রুত কৃষিতে একের পর এক জিএম ফসলের প্রবর্তনের জন্য তাড়াহুড়ো করছে, সে সময় ভারত বলছে, তারা এ ব্যাপারে ভেবে-চিন্তে এগোবে; কোনো তাড়া নেই। তারা বলছে, জনগণের মধ্যে জিএম ফসল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কাজেই বাণিজ্যিকভাবে চাষের অনুমোদন দেয়ার আগে আট-দশ বছর মাঠপর্যায়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সফলতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে [দ্য ইকোনোমিক টাইমস, ১০ জুন ২০১৫]। স্কটল্যান্ড সরকার ইউরোপীয় ইউনিয়নের জিএম ভুট্টা ও ছয়টি জিএম ফসলের অনুমোদনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং পরিষ্কারভাবে বলছে, স্কটল্যান্ডের মানুষের কাছে জিএম খাদ্যের চাহিদা আছে এমন কোনো প্রমাণ নেই, বরং স্কটল্যান্ডের সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশে জিএম ক্ষতিকর প্রভাব ফেলার আশঙ্কা রয়েছে, যা তাদের ১৪ বিল (আরো পড়ুন )


বৃষ্টি, বন্যা ও উন্নয়নের বিকৃত রূপ

পাহাড়ি ঢলে ডুবে যাওয়া কঙ্বাজারের একটি গ্রাম

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে জুন থেকে দফায় দফায় পাহাড়ি ঢলে বন্যা হয়েছে, বৃষ্টি থামার কোনো লক্ষণ নেই। একটু থামলেও রোদের দেখা সহজে মেলে না। দিনের পর দিন, রাতের পর রাত মানুষ ঘরের ভেতরে দুই থেকে তিন ফুট পানিতে বসে বসে কাটিয়েছে। সংযোগ থাকার পরও বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় কাটাতে হয়েছে। কক্সবাজার ও বান্দরবান এলাকার অবস্থা খুবই খারাপ। চকরিয়া উপজেলায় আমাদের সহকর্মীরা রয়েছেন বলে প্রতিদিন খবর পাচ্ছি। তাদের বর্ণনায় বোঝা যায়, এ বন্যা ভয়াবহ এবং অন্যবারের মতো নয়। একবার পানি নেমে গেলেও আবার কিছুদিন পর হচ্ছে। ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে গাছপালা, ঘরের আসবাবপত্র, মুরগি, এমনকি ১৩ দিনের এক নবজাতকও ভেসে গেছে। ঢাকার আকাশও খুব পরিষ্কার (আরো পড়ুন )


আবার বন্যা, হাহাকার

মাস না পেরোতেই আবার বন্যার শিকার হয়েছে কক্সবাজারের প্রায় ৫ লাখ মানুষ। গণমাধ্যমে এর মাত্রা এবং বন্যায় এলাকার মানুষের দুর্ভোগের খবর যথযোগ্য মনোযোগ পায় নি।  সরকারের নীতি নির্ধারনী পর্যায় জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের জন্যও সাড়াও অপ্রতুল। এই পরিপ্রেক্ষিতে এলাকার কিছু এলাকা সরেজমিন ঘরে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তার আশপাশের বাংলাদেশের উপকুলীয় এলাকায় একটি  লঘু চাপ তৈরি হয়েছিল। সেটা দ্রুত ঘনীভূত হয়ে মৌসুমী নিম্ন চাপে পরিণত হয়। মৌসুমী নিম্ন চাপের প্রভাবে গত ২৪ জুলাই ২০১৫ শুক্রবার থেকে টানা ৪ দিন প্রবল বৃষ্টি ও মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীতে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে জেলায় এই ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি সুষ্টি হ (আরো পড়ুন )


বন্যার সময় দাইঘরের সেবা নিয়েছে গর্ভবতী মহিলারা

হাদিছা বেগম, বয়স: ২৪ বছর, স্বামী : আমীর উদ্দিন, বয়স: ৩২ বছর গ্রাম: ঢেমুশিয়া পাড়া ইউনিয়ন: বদরখালী, উপজেলা: চকরিয়া জেলা: কক্সবাজার। হাদিছা বেগমের বিয়ে হয়েছে ৫ বছর। তার ৩ বছর ৪ মাসের একটি মেয়ে আছে। তিনি বর্তমানে ৮ মাসের গর্ভবতী।

গত জুন-জুলাই, ২০১৫ মাসে বন্যার কারনে ঢেমুশিয়া পাড়া গ্রামের প্রত্যেকটি ঘর-বাড়িতে এবং রাস্তাঘাট ৩-৪ ফুট পানিতে ডুবে যায়। হাদিছা বেগম বলেন, তখন আমার পেটে ৩ মাসের সন্তান। আমার ঘরের মধ্যে ১ বুক পানি ছিল। আমরা খাটের নিচে ৬/৭ টা ইট দিয়ে উচু করে সেখানে অনেক কষ্ট করে দিন কাটিয়েছি। তখন ৩ মাসের গর্ভবতী হলেও আমাকে নিজে নিজে সংসারের সব কাজ করতে হয়েছে। কারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তখন দাইঘরেও অনেক পানি হয়েছিল। (আরো পড়ুন )


সমৃদ্ধির সোপানের বাজেট কিন্তু স্বাস্থ্য খারাপ

বিশাল অঙ্কের বাজেট (২ লাখ ৯৫ হাজার ১০০ কোটি টাকা) ঘোষণা হয়েছে ৪ জুন। পরদিন ছিল ৫ জুন, বিশ্ব পরিবেশ দিবস। তার পরের দিন আসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি। আগে-পরে বড় বড় ঘটনা থাকায় বিশ্ব পরিবেশ দিবসটি সরকারিভাবে ঠিকমতো পালন করা হলো না। তবুও ৫ জুন বিভিন্ন সংগঠন মোদির সফরের সময় ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের মধ্যে যেসব পরিবেশ ধ্বংসকারী চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে তার বিরুদ্ধে সভাসমাবেশ করেছে। তারা দাবি করেছে সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র না করার জন্য। পরিবেশবাদীরা দাবি করেছিলেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করবেন। এটাই ছিল এবারের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল ঘটনা। কিন্তু সবার আশার গুড়ে বালি দিয়ে ২২টি (আরো পড়ুন )


নরেন্দ্র মোদীর পাতে বিটি বেগুন ছিল না কেন?

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশে দুই-দিনের বা ৩৬ ঘন্টার সফরে এসে ব্যস্ত সময় কাটিয়ে গেছেন। জুন মাসের ৬ ও ৭ তারিখ তাঁর সফর নিয়ে সরকারের ব্যস্ততা ছিল লক্ষ্য করার মতো। ভাল করে পরিবেশ দিবস ও পালিত হয় নি। মাঝখানে আবার একটু খানি মমতা ব্যানার্জীও এসে ঘুরে গেছেন। তাঁকে স্বাগত জানাতে গিয়ে বাংলাদেশের নিজস্ব কায়দায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর একদিন থেকে যাবার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁর কাজ সেরে চলে গেছেন। অনুরোধ রক্ষা করেন নি। মোদীর সফরের সাথে তাঁর আসাটা বাংলাদেশের সফর সুচিতে কতটুকু খাপ খেয়েছে তা অনেকেই ভেবে পাচ্ছেন না, আমিও না।

দিত্বীয় দিনে সারাদিনের কাজ শেষে যাবার আগে, মোদী দীর্ঘ বক্তৃতা দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেল (আরো পড়ুন )


ভারতের পঁচা চালে কৃষকের সর্বনাশ

গত বছরের তুলনায় এ অর্থবছরে (২০১৪-১৫) ১ জুলাই, ২০১৪ থেকে ৬ মে, ২০১৫ পর্যন্ত সময় চাল আমদানি তিনগুণ বেড়েছে। এ সময় বেসরকারী ভাবে ১৩ লক্ষ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। শুল্ক মুক্ত হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে চাল আমদানির আনন্দ উপভোগ করেছেন। স্থানীয় উৎপাদনে নিজস্ব চাহিদা পূরণের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আমদানি করা চালে বাজার সয়লাব হয়েছে।

পর পর গত কয়েক বছর বোরো এবং আমন ফসল ভাল হওয়া সত্ত্বেও ভারত থেকে শুল্কমুক্ত চাল আমদানি করার ফলে অনেক মিল মালিকের গত বছরের চাল এখনও অবিক্রিত রয়েছে। এ অবস্থায় মিল মালিকরা সরকারকে চাল আমদানি না করার জন্য দাবি জানিয়ে আসছেন। তবে উচ্চ পর্যায়ের কিছু সরকারী কর্মকর্তারা যুক্তি দেখিয়েছেন যে আমদানি করা নিম্ন মানের চাল পশু খা (আরো পড়ুন )


বিশ্ব অর্থনীতির কর্পোরেট শিশু ও তার মনস্তত্ত্ব

শিশুকাল বা বাল্যকাল বলে একটি কথা আছে যা আমাদের সবার জীবনের স্মৃতির একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে। যতোই বয়স বাড়ুক না কেন সকলেরই বাল্যকালের স্মৃতি থেকে তার পুরো মনস্তত্ত্ব বোঝা যায়। শিশু কোন ধরনের পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছে তার পরিচয় পাওয়া যায় তার শিশুকালের বেড়ে ওঠা কেমন ছিল তা জেনে। তার মনস্তত্ত্ব নির্ণয় করা কঠিন হয় না।

আগের যুগে শিশুকালের বেড়ে ওঠা এবং তার মনস্তত্ত্ব গড়ে ওঠার সাথে সরাসরি মা-বাবা, ভাই বোন ছাড়াও চাচা-চাচী, খালা-মামা, নানী-দাদী, নানা-দাদার প্রভাব ছিল কোন না কোন ভাবে। ভাগ্য ভাল হলে শিশু দাদা-নানার আদর ও শাসনে বড় হতে পারে, ভাগ্য ভাল হলে ছোট মেয়েটি তার দাদী বা নানীর লুকায়িত জ্ঞানের সাথে পরিচিত হয়ে এই জ্ঞানের ধারাবাহি (আরো পড়ুন )


তামাকের শৃংখল থেকে মুক্তিঃ

খাদ্য সংকট, পরিবেশ ও মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি রোধে তামাক চাষ নিয়ন্ত্রণ

তামাক কোন খাদ্য ফসল নয়, এমনকি কৃষি ফসলের পর্যায়েও পড়ে না। প্রয়োজনীয় কোন শিল্পের কাঁচামালও নয়। তামাক চাষ করা হয় পাতা উৎপাদন করার জন্যে যে পাতায় নিকোটিন থাকে বলে এই পাতা দিয়ে বিভিন্ন মানের ও ব্রান্ডের সিগারেট তৈরী করা হয়, বিড়ি ও জর্দা-গুল তৈরি করা হয়। বিশ্বব্যাপী এখন সচেতনতা বৃদ্ধ্বি এমন পর্যায়ে এসেছে যে ধূমপান ও ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং অনেক অসংক্রামক রোগ (NCD) যেমন হার্ট এটাক, হাই-ব্লাড প্রেসার, শ্বাস কষ্ট জনিত রোগ, ডায়াবেটিস ও অন্ত্রনালীর রোগের জন্যে দায়ী। সারা বিশ্বে প (আরো পড়ুন )


প্রস্তুতিবিহীন এক ভূমিকম্পের অপেক্ষায়

নেপালের সাম্প্রতিক ভূমিকম্প থেকে অনেক কিছু শেখার আছে আমাদের

প্রকৃতি বাংলাদেশকে যথেষ্ট সতর্কবাণী দিয়েছে- ভূমিকম্প হতে পারে, শিগগিরই বড় আকারেই আসতে পারে। কারণ নেপালের পর উৎপত্তিস্থল ক্রমেই বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে। নেপালের ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়িয়েছে; আহতের সংখ্যা কত তা বলে শেষ করা যাচ্ছে না। এসব দেখেও যেন আমাদের কোনো টনক নড়ছে না। নেপালের প্রেসিডেন্ট নিজেও রাত কাটাচ্ছেন তাঁবুতে। কারণ তার ঘরেও ফাটল ধরেছে। আমরা ব্যস্ত রয়েছি, সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে। ভূমিকম্পের বিষয়ে বাংলাদেশে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার কোনো উদ্যোগ দেখছি না। প্রস্তুতি নিয়ে রাখলে ভূমিকম্প না হলেইবা অসুবিধা কী? আমাদের প্রস্তুতি থা (আরো পড়ুন )


দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছের সংকট চলছে

বাংলাদেশ নদ-নদী হাওর, বাওড়, খাল-বিল নালা, ডোবার দেশ। এক কথায় প্রচুর মিঠা পানির দেশ। আর প্রচুর মিঠা পানির কারণে এদেশ মিঠা পানির প্রাচুর্যেরও দেশ। বাংলাদেশে এখনো যত প্রজাতির মিঠা পানির মাছ রয়েছে সারা ইউরোপ মহাদেশে তা নেই। মিঠা পানির এই অতিমূল্যবান সম্পদ দিনে দিনে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কেন কি কারণে মিঠা পানির মাছ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সে সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশি জানি, কিন্তু আমলে আনি না।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন জেলাতে চির পরিচিত নানান জাত ও প্রজাতির ছোট মাছের আকাল চলছে। যেমন খাল বিল হাওর, নদ নদীসহ মুক্ত জলাশয় গুলো মাছ শূন্য হয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিচ্ছে। জলবায়ু তথা আবহাওয়া পরিবর্তন এবং তথাকথিত অপরিনামদর্শী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে (আরো পড়ুন )


চৈত্র সংক্রান্তি পালন ও প্রকৃতির হিশাব নিকাশ

চৈত্র মাস কেটে গেল গরম ছাড়াই। শীতের পর ফাল্গুন পার হয়ে চৈত্র মাস; চৈত্র মাসে আবহাওয়া গরম হয়ে ওঠার সুযোগ থাকে এবং বেশ গরম লাগার কথা। কিন্তু এবারের চৈত্র ছিল একটু ব্যতিক্রম। বেশ কয়েক বার বৃষ্টি হয়েছে এবং বৈশাখ আসার আগেই বৈশাখী ঝড় আমরা দেখেছি। হয়তো একে জলবায়ু পরিবর্তন বলা যেতে পারে। যদি তাই হয় তাহলে আমাদের প্রকৃতিতে মৌসুম অনুযায়ী তাপমাত্রা ও আদ্রতা নিয়ে যেসব ফসল ও গাছ-পালা জন্মাবার কথা তারও পরিবর্তন হচ্ছে।

চৈত্র মাস শেষ হচ্ছে, ৩০ দিনে। চৈত্রের শেষ দিনের  মধ্য দিয়ে ১৪২১ বাংলা বছরের সমাপ্তি ঘটবে। কিন্তু চৈত্র সংক্রান্তি পালনের বিষয়টি বছর শেষ ঘোষণার জন্যে নয়, দিনটি পালন হবে মানুষের শরীর ও প্রকৃতির মধ্যে একটি যোগ সুত্র ঘটাবার জন্য। প্ (আরো পড়ুন )


খাদ্য নিরাপদ কিনা ভাবনায় এবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

জাতিসংঘের বেশ ক'টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা রয়েছে, যারা নিজ নিজ কাজ স্বতন্ত্রভাবেই করে। এটা অনেকটা আমাদের দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের মতোই। সবকিছুই জনগণের জন্য করা; কিন্তু যার যার কাজ সে করে যাচ্ছে নিজের মতো করে। কারও সঙ্গে কারও কাজের সমন্বয় নেই। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার একেকটি বিভাগ তেমনই নির্দিষ্ট দায়িত্বের বাইরে খুব বেশি কাজ করে না। কেউ শান্তি রক্ষা করছে, কেউ উন্নয়ন করছে, কেউ শিশুদের রক্ষা করছে, কেউ মাতৃ স্বাস্থ্য রক্ষার চেষ্টা করছে ইত্যাদি। কিন্তু সবই যে ঘুরেফিরে এক জায়গার, একই পরিবার বা গোষ্ঠীর ব্যাপার হতে পারে, তা বোধহয় ভেবে দেখা হয় না। দেশে মানবাধিকার ক্ষুণ্ন হলে কথা বলে, কিন্তু সরকার সে কথায় কান না দিলে ভদ্র মানুষের মতো চুপ হয়ে যা (আরো পড়ুন )


বিটি বেগুন কি রাসায়নিক বিষ মুক্ত?

সরোজমিন পর্যবেক্ষণ

ভারতের মাহিকো বীজ কোম্পানি থেকে গত ২০০৫ সালে বাংলাদেশে বিটি বেগুন প্রবর্তন করা হয়। কয়েক বৎসর ধরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) জেনেটিক্যালি মোডিফাইড অরগানিজম (জিএমও) বিটি বেগুনের উপর বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে বারি’র কেন্দ্রীয গবেষণা খামার গাজীপুর ছাড়াও আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র যেমন- গাজিপুর, রংপুর, ঈশ্বরদী (পাবনা),বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং জামালপুর এর মাধ্যমে পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের উল্লেখিত গাজিপুর, রংপুর, ঈশ্বরদী (পাবনা), বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং জামালপুর এলাকার কৃষকদের মধ্যে বারি বিটি বেগুনের চারা বিতরণের মাধ্যমে চারা বিতরণের মাধ্য (আরো পড়ুন )


মেয়র হোক বা নগর পিতাঃ আবর্জনা সাফ করতেই হবে

তিনটি সিটি কর্পোরেশানের নির্বাচনের তফসীল ঘোষনা করেছেন নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে দুটি ঢাকায় – উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আর একটি হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। কাজেই খবরে আলাপ-আলোচনায় নির্বাচন, প্রার্থী মনোনয়ন ইত্যাদি চলে এসেছে। জানুয়ারি মাস থেকে আন্দোলন শুরু হয়েছে, তা এখনো শেষ হয় নি। এই আন্দোলনের দাবী হচ্ছে একটি নির্দলীয় নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের জন্যে। সেটার জন্যে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা নয়, এরই মধ্যে করতে হবে কারণ এখন সরকারের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। সরকার নির্বাচন এক্ষুণি না দিলেও অন্তঃত একটি সংলাপ করার জন্যে শুধু বিশ দলীয় জোট নয়, দেশের মধ্যে নানা ভাবে সুশিল সম (আরো পড়ুন )


তামাকের ক্ষতি বনাম তামাক কোম্পানির পুরস্কার!

চলছে তামাক পাতার চাষ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আয়োজিত আবুধাবিতে ১৭ থেকে ২১ মার্চ অনুষ্ঠিত হলো ১৬তম 'তামাক নাকি স্বাস্থ্য' সম্মেলন। অসংক্রামক ব্যাধি (Non-Communicable Disease, NCD) এর আলোকে এ সম্মেলনে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে। অনেক বড় সম্মেলন, প্রায় ১০০ দেশ থেকে ২ হাজার ১৮৪ জন অংশগ্রহণ করেছেন; কিন্তু আগে যারা অন্যান্য সম্মেলনে গেছেন তাদের এখানে অংশগ্রহণ আশানুরূপ ছিল না, বরং ছিল হতাশাব্যাঞ্জক। এ সম্মেলন আবুধাবিতে হওয়ার কারণে ভিসার সমস্যা ছিল বাংলাদেশসহ অনেক দেশের। বাংলাদেশ থেকে মাত্র আটজন যেতে পেরেছেন, যেখানে অন্তত ৩০ জন টিকিট কেটে হোটেল বুকিং দিয়ে এবং তাদের নিজ নিজ কাজ সম্পর্কে প্রস্তুতি (আরো পড়ুন )


প্রাণবৈচিত্র্য সমৃদ্ধ গ্রাম গঠন

বীজ ও প্রাণসম্পদের সমৃদ্বির মাধ্যমে জীবন জীবিকার উন্নতির লক্ষ্যে পরিগঠিত একটি অর্থ ব্যবস্থাপনা প্রাণবৈচিত্র্যের সামাজিক ব্যবস্থাপনা তহবিল” (CBM Fund)। এই তহবিল ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য হলো গ্রামীণ বিশেষত গরীব ও প্রান্তিক জণগোষ্ঠির অর্থ প্রাপ্তির ক্ষেত্র সৃষ্টি ও অর্থ ব্যবস্থাপনার ক্ষমতায়ন বিকাশের মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও প্রাণসম্পদের সমৃদ্বি। পাবনা, না্টোর, সিরাজগন্জ, টাংগাইল ও কক্সবাজার এলাকায় নয়াকৃষি কৃষকরা এরই মধ্যে প্রাণবৈচিত্র্যের সামাজিক ব্যবস্থাপনা তহবিল গঠন ও তা ব্যবহারেরর মাধ্যমে প্রাণসম্পদের সমৃদ্বি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাদের সৃজন ও সৃষ্টিশীল তৎপরতার উল্লেখযোগ্য নজির হাজির করেছেন।

নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার কৃষ (আরো পড়ুন )


স্বাস্থ্যসেবার অবহেলায় রোগীর মৃত্যু: রোগীর সুরক্ষা আইনের পর্যালোচনা

খুব বেশী দিন আগের কথা নয়। দেশে যখন সহিংসতার শিকার নানা ধরণের ‘রোগী’ নিয়ে হাসপাতালগুলো ব্যস্ত ঠিক সে সময় সিলেটে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নবজাতক ও ১০ শিশু সহ ৩২ জনের মৃত্যুর ঘটনা সকলকে চমকে দিয়েছে। নয় ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে চব্বিশ ঘন্টায় এতোগুলো মৃত্যু একসাথে ঘটেছে এটা কোনমতেই স্বাভাবিক নয় বলেই বিবেচিত হয়েছে। স্বজনরা অভিযোগ করেছেন ভুল চিকিৎসা বা অবহেলায় এই মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে কোন প্রকার খোঁজ খবর ছাড়াই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেন,ঠান্ডা জনিত রোগে শিশুদের মৃত্যু হয়েছে। সে সময় শীত কাল ছিল, ঠান্ডা তো লাগতেই পারে। কিন্তু এই মৃত্যু তো বাড়িতে বসে ঘটেনি। ঠান্ডা লাগলেও যেখানে এসে চিকিৎসা পাওয়া যাবে তেমন জায়গাতেই এই রোগীরা ছ (আরো পড়ুন )


প্রাণবৈচিত্র চাই, জিএমও চাই না:` ২০১৫ সালে নারী দিবসের ডাক

নারী দিবস ২০১৫: বাংলাদেশ ও ভারতের নারীদের যৌথ আহ্বান

আন্তর্জাতিক নারী দিবস, ৮ মার্চ, ২০১৫ উপলক্ষে প্রাণ, পরিবেশ, প্রাণ বৈচিত্র, খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে যে সকল নেতৃস্থানীয় নারী ও সংগঠন বাংলাদেশে ও ভারতে কাজ করছে তাঁরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন বন্দনা শিবা, ফরিদা আখতার, মীরা শিবা প্রমুখ। যেখানে বিশ্বব্যাপী প্রাণের ওপর দখলদারি চলছে এবং খাদ্য ব্যবস্থা অল্প কিছু কর্পোরেশানের হাতে চলে গিয়েছে সেই ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন অবশ্যই প্রাণের সুরক্ষা ও বৈচিত্র নিশ্চিত করার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে পড়েছে। যে ক্ষমতা ঐতিহ্যগত ভাবে নারীর ছিল তা চলে যাচ্ছে অল্পকিছু বহুজাতিক কম্পানির হাতে। একে অ (আরো পড়ুন )


নিষ্ঠুর রাজনীতি ও বার্ন ইউনিট

ফটোসাংবাদিক নাম দিয়ে অনেকেই বার্ন ইউনিটে ঢুকে যথেচ্ছ রোগীর ছবি তুলছে

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিট এখন রাজনীতির নিষ্ঠুরতার এক জ্বলন্ত প্রতীক। ৩৫ দিনের ২০ দলীয় জোটের ডাকা লাগাতার অবরোধ ও হরতালের মধ্যে নানা ঘটনার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পেট্রলবোমায় পুড়ে মারা যাওয়া। প্রায় ৭০ জন মারা গেছে দেশের বিভিন্ন স্থানে, এখনও ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৬৩ জন, যাদের অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক। তারা বাঁচলেও পঙ্গুত্বের শিকার হতে হবে। তাদের মধ্যে আছেন বাস, ট্রাকের ড্রাইভার, হেলপার এবং যাত্রীরা। অর্থাৎ যারা এ অবরোধে সড়ক পরিবহন ব্যবহার করেছেন তারাই আক্রান্ত হয়েছেন। অবরোধের সমর্থ (আরো পড়ুন )


করপোরেট নিয়ন্ত্রিত প্রযুক্তি বিজ্ঞান নয়, মুনাফার জন্য প্রবর্তন

দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুবই নাজুক। ব্যাপক জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচিত হয়ে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি পার করা গেছে বটে, তবে বিরোধী পক্ষ একটু নড়েচড়ে বসায় দেশে হরতাল, অবরোধ ইত্যাদি হচ্ছে। সরকার বিরোধী রাজনৈতিক দলের দাবিদাওয়া উপেক্ষা করে যখন এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছে এবং আনন্দের সঙ্গে বছর পূর্তি পালন করতে গেছে তখনই বিপত্তি লাগল। যদিও বিরোধী পক্ষের আন্দোলন ১০০ শতাংশ সফল হচ্ছে দাবি করা যাবে না, তবু অর্থনীতিকে পিছিয়ে দেয়া, বিশেষ করে কৃষকের ফসল বাজারে আসার ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট। আর সময়মতো ফসল বাজারজাত করতে না পারলে কৃষকের ক্ষতি হয়— এ কথা সর্বজনবিদিত। অবশ্য ফসল বাজারজাত করতে না পারা শুধু রাজনৈতিক খারা (আরো পড়ুন )


পাঁচ টাকার রাজনীতি

রাজনৈতিক অবস্থা যখন খুব গরম- হরতাল, অবরোধ, সহিংসতা ইত্যাদি নিয়ে যখন সবাই ব্যস্ত, তখন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত হঠাৎ ঘোষণা দিয়ে দিলেন, নতুন পাঁচ টাকার মুদ্রা বাজারে ছাড়া হবে। পুরনো এক ও দুই টাকার নোট এবং বাজার থেকে মুদ্রা তুলে নেয়া হবে। পাঁচ টাকার নোট হবে সর্বনিম্ন মুদ্রা! সচিবালয়ে ১৮ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, এক ও দুই টাকার মুদ্রা সরকারের, তাতে অর্থসচিবের সই থাকে এবং পাঁচ থেকে এক হাজার টাকার মুদ্রাগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সই থাকে। সব ধরনের টাকার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর অর্থ হচ্ছে, এক ও দুই টাকা সরকারি মুদ্রা হলেও তা তুলে নেয়ার ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ (আরো পড়ুন )


নয়াকৃষি কৃষকের মাঠে বৈচিত্র্যময় ফসল

কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী নদী ও এর শাখা-প্রশাখা বেষ্ঠিত বি এম চর ইউনিয়নের কৃষ্ণাপুর গ্রাম। গত ১৫ বছর ধরে এই গ্রামে নয়াকৃষির কাজ শুরু হয়েছে। নয়াকৃষির ধারাবাহিকতায় গত ২০০৯ সাল থেকে কৃষকেরা প্রাণ বৈচিত্র্যের সামাজিক ব্যবস্থাপনায় (সিবিএম) বীজ সংগ্রহ, সংরক্ষণ সহ শস্যাবর্তন ও মিশ্র ফসল চাষ পদ্ধতিতে দানাদার শস্য, ডাল, তৈল, শাক-সবজি, ফলমূল, মসলা সহ বৈচিত্র্য পূর্ন ফসল উৎপাদন করছে।

চলতি রবি মৌসুমে (২০১৪-২০১৫) কৃষ্ণাপুর গ্রামের মোট ২৭৫ টি পরিবারের মধ্যে ১৫০ টি কৃষক পরিবার প্রাণবৈচিত্র্যের সামাজিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রায় ৪০ একর জমিতে শীতকালীন বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ করছেন।

মাঠে ফসলের আবাদ ছাড়াও বাড়ির আঙ্গিনায় শাক-সবজি (আরো পড়ুন )


দেশে এখন টকশো গণতন্ত্র চলছে!

গত বছর অনুষ্ঠিত নির্বাচন এবং সরকার গঠন সবার জন্য অস্বস্তিকর, খোদ সরকারের মধ্যেও এ বোধ আছে বলে আমার বিশ্বাস। এর আইনি বৈধতা নিয়ে কিছু বলার না থাকলেও গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন বরাবরই ছিল, এবার আবার মাঠ গরম হয়ে উঠেছে। সারা দেশে অবরোধ চলছে, সঙ্গে চলছে কিছু কিছু জেলায় হরতাল। এবার ৫ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখ ছিল সেই প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের এক বছর পূর্তি। স্বাভাবিকভাবেই যারা নির্বাচনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল বা জোট তাদের জন্য এ দিনটি ছিল ক্ষোভ প্রকাশের। তারা এক বছর চুপ করে থেকে দেখেছে সরকার কী করে। সরকারের পক্ষ থেকে মন্ত্রী ও নেতারা পুরো পাঁচ বছর পূরণ না করে 'কোনো কথাও বলবে না' এমন কড়া কড়া কথা ক্রমাগতভাবে বলে যাচ্ছে দেখে বোঝা গেল, তারা অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিত (আরো পড়ুন )


ডেইজীঃ একজন অকৃত্রিম বন্ধু হারিয়েছি

হঠাৎ করে কেউ নাই হয়ে যেতে পারে, এই কথা বিশ্বাস করা আমার জন্যে খুব কঠিন। মনে হয় চোখের সামনে থেকে হঠাৎ হারিয়ে গেল। আর কোন্দিন দেখবো না, এটা কি হতে পারে? ডেইজীর মৃত্যু তেমনই এক অনুভুতির সৃষ্টি করেছে আমাদের অনেকের মধ্যে। গত ২৭ ডিসেম্বর ২০১৪ দিবাগত রাতে নিজের বাসায় ডেইজি ইন্তেকাল করেছে (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না লিল্লাএ রাজেউন ...)। বছর শেষ হতে আর মাত্র তিন দিন বাকী ছিল। নতুন বছরে (২০১৫) এসে আমরা তার বাসায় গিয়ে তার আত্মার মাগফেরাতের জন্যে দোয়া করলাম।

হাসিনা আফরোজ সিদ্দিক (ডেইজী), যাকে ডেইজী বললেই বোধ হয় বেশী চেনা যাবে। সত্যি যেন একটি ফুলের মতো মানুষ, যার হাসি দেখে, কথা শুনে এবং তার স্পর্শ বুঝিয়ে দেয় - তার মধ্যে কোন খাদ নেই। ডেইজী নারীগ্রন (আরো পড়ুন )


বিদায় লতিফা আপা, আমরা শোকাহত

প্রফেসর লতিফা আকন্দ আমাদের মাঝে আর নেই। তিনি গত ৪ ডিসেম্বর, ২০১৪ ভোরে ঢাকা বার্ডেম হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্না....রাজিউন)। তার মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত। আমরা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।

৫ ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:০০ টায় ঢাকা বাডেম হাসপাতাল থেকে প্রফেসর লতিফা আকন্দ এর মরদেহ তাঁর নিজ বাসভবনে (৩২ পুরানা পল্টন লাইন, ঢাকা) নেয়া হয়। এবং জুমা নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে জানাজার জন্য নেয়ার পরে বনানী গোরস্তানে সমাহিত করা হয়।

প্রফেসর লতিফা আকন্দ এর নিজ বাস ভবনে সকাল থেকেই তাঁর আত্মীয়, শুভানুধায়ী, সহকর্মী, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, নারী নেত্রী সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবে (আরো পড়ুন )


খাদ্য চাষের দাবিতে বিক্ষুদ্ধ কৃষকদের র‌্যালি ও মনববন্ধন

তামাক কোনো খাদ্য শস্য নয়, মানুষের কোনো উপকারে আসেনা, এমনকি পশু খাদ্যও নয় অথচ প্রতিবছর তামাক বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণের তথ্য অনুসারে দেশে ২০১২-১৩ মৌসুমে ৭০,০০০ হেক্টর জমিতে এবং ২০১৩-১৪ মৌসুমে ১০৮,০০০ হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। সাময়িক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে কৃষকদের তামাক চাষে আগ্রহী করে তোলা হচ্ছে। ফলে খাদ্য ও অর্থকারী ফসলের জমি চলে যাচ্ছে তামাকের দখলে। সরকারের দেওয়া কোটি কোটি টাকার ভর্তূকি সার ও সেচ সুবিধা ব্যবহার করে বছরের পর বছর মুনাফা লুটে নিচ্ছে তামাক কোম্পানিগুলো। কিন্তু এই একলক্ষ হেক্টর জমিতে খাদ্য শস্য উৎপাদন করা হলে দেশের খাদ্য নিশ্চয়তায় সহায়ক হতো। তামাক কোম্পানিগুলো থেকে তামাকচাষীরা যে লাভ পায় তার সিংহ ভাগই চলে যায় কোম্পা (আরো পড়ুন )


স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতি নাকি অব্যবস্থাপনা

সম্প্রতি টিআইবির স্বাস্থ্য খাত সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন নিয়ে সরকার অখুশি হয়েছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী। হওয়ারই কথা। এত দুর্নীতির তথ্য-উপাত্ত হাজির করলে এবং তা টেলিভিশন ও পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হলে ভাবমূর্তি বলে তো একটা কথা আছে, সেটা ফুটো হয়ে যায়। তাই তথ্য সঠিক কী বেঠিক যাচাই না করেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, বিশেষ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বসেন, এ রিপোর্ট একপেশে। তার চেয়ে ভালো হতো যদি মন্ত্রী মহোদয় সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতেন।

আমরা যারা স্বাস্থ্য খাত নিয়ে কাজ করি আমাদের কাছে মনে হয়নি টিআইবির প্রতিবেদনে এমন কোনো নতুন তথ্য আছে, যা আমাদের কিংবা সাধারণ জনগণের জন্য আশ্চর্য হওয়ার মতো। টিআইবি তথ্যগ (আরো পড়ুন )


রানা প্লাজার ক্ষতিপূরণঃ  প্রথম কিস্তি

সেপ্টেম্বর, ২০১৪ শেষ সপ্তাহে রানা প্লাজা ধসে নিহত শ্রমিক পরিবার ও আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের প্রথম কিস্তি দিয়েছে রানা প্লাজা সমন্বয় কমিটি। ক্ষতিপূরণ পেয়েছেন নিহত শ্রমিকদের পরিবারের এক হাজার ৫৫২ সদস্য ও আহত ৩৫ শ্রমিক।

ক্ষতিপূরণের জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক তহবিল রানা প্লাজা ডোনারস্ ট্রাষ্ট ফান্ড থেকে আহত শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যদের নিজস্ব ব্যাংক হিসাবে ক্ষতিপূরণ বাবদ ১২ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা জমা হয়েছে। এর মধ্যে নিহত পরিবারের এক হাজার ৫৫২ সদস্যদের ব্যাংক হিসাবে ১২ কোটি ৫৭ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪১৮ টাকা এবং ৩৫ জন আহত শ্রমিককের ব্যাংক হিসাবে ১৩ লক্ষ ৬ হাজার ৮৩২ টাকা জমা হয়েছে। সমন্বয় কমিটির সদস্য সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহম্মদ বলেন এক হাজার ৫৮৭ জনের ব্যাংক হি (আরো পড়ুন )


বিদ্যুৎ গেছে ত্বরিৎ গতিতে, তদন্ত হচ্ছে ‘কেরোসিন’ গতিতে

সবাই বলে দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা কেউ বঝে যা, তেমনি সুইচ টিপলেই যেহেতু লাইট জ্বলে ওঠে, ফ্যান ঘুরতে শুরু করে, কম্প্যুটারে কাজ করা যায়, লিফটে দশ-বারো তলায় ঝটপট ওঠা যায়, টেলিভিশন চলে এমনকি রাইস কুকারে ভাতও রান্না হয়ে যায়, তখন মোটেও বোঝা যায় না এই বিদ্যুৎ কোথা থেকে আসছে। ভেড়ামারায় সমস্যা হোল নাকি আশুগঞ্জে তাও কেউ জানে না। জানার দরকারও মনে করে না। বিদ্যুতের মর্যাদা কেউ বোঝে না। মাসে মাসে বিদ্যুতের বিল দেয় তাতেই বিদ্যুৎ আসে এই তো কথা। ঢাকা শহরে সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ বলতে শুধু লাইট, ফ্যান ও টেলিভিশনই বোঝে, এইটুকু তারা সবসময় পায় না, কারণ লোড শেডিং হলে গরিব, নিম্ন বিত্ত ও মধ্যবিত্তদের এলাকাতেই হয়। ধনীরা মোটেও তের পান না, কারণ বিদ্যুৎ তাদের এলাকায় ক (আরো পড়ুন )


বেইজিং এর কুড়ি বছর: নারীর সংগ্রামের আলোকে একটি পর্যালোচনা

বাংলাদেশে নারীর সংগ্রাম, সংগ্রামের ধরণ এবং বর্তমান নারী আন্দোলনের বিষয় এবং সামগ্রিক ভাবে দেশের মানুষের মুক্তির সংগ্রামে কোন না কোন ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছে বাংলাদেশের নারী।১৯৯৫ সালে জাতি সংঘ আয়োজিত বিশ্ব নারী সম্মেলন হয়ে গেল। আগামি ২০১৫ সালে এসে তার কুড়ি বছর পুর্ণ হবে। অনেক কাজের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল। এখন দেখতে হবে কত দুর এগিয়েছি।

বেইজিং এর কুড়ি বছর উপলক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন নারী সংগঠন নানাভাবে কাজ করছেন। নারীগ্রন্থ এই পর্যালোচনার কাজটি ঢাকার বাইরে যারা আছেন তাদের নিয়ে করেছে। তারই একটি অংশ হিশেব রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের ১৬টি জেলার নারীপ্রধান সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে বেইজিং এর কুড়ি বছর উপলক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের জন্য গত ২৯ অক্টোবঢ়, ২০ (আরো পড়ুন )


তামাক ব্যবহার ও উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ জরুরী

তামাক খুব বাজে জিনিষ যা উৎপাদন থেকে ব্যবহার সকল পর্যায়ে মানুষের ক্ষতি করে। যারা নিয়মিত ধুমপান করে তাদের শরীরে যে সব রোগ বাঁধে এমন কি অকাল মৃত্যু হয়, সে ব্যাপারে আমরা অনেকেই মর্মাহত হই, পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কেউ বাঁচতে পারে না। যে ধুমপান করে সে তো নিজেও মরে অন্যকেও মেরে যায়। তার আশে পাশে যারা থাকে তারাও ধোঁয়ায় আক্রান্ত হয়ে সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়, কিন্তু কেউ বুঝতে পারে না, কারণ সে তো ধুমপায়ী নয়। এই ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে রয়েছে বেশীর ভাগ নারী ও শিশু। স্বামী, ভাই, বাবার ধোঁয়ায় তাদের মৃত্যু ঘটতে পারে, কিংবা হতে পারেন রোগগ্রস্থ। এসব জানা কথা। দেশে ধুমপানের বিরুদ্ধে আইন রয়েছে, শাস্তি ও জরিমানার বিধান রয়েছে। কিন্তু তাও থামছে না, কারণ যারা এই মরণ প (আরো পড়ুন )


কনের বয়সে ‘মাইনাস টু’: বাল্য বিয়ে নিরোধ নয়, জায়েজ হবে

বাল্য বিবাহ নিয়ে সরকার একটি সমাধান দিতে গিয়ে প্রচলিত আইনে ১৮ বছর থেকে কমিয়ে ষোল বছর করার সিদ্ধান্ত প্রায় হয়ে গেছে। সম্প্রতি জাতি সংঘের ইউনিসেফের একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে যে বাংলাদেশে ৬৬% মেয়ের বিয়ে ১৮ বছরে আগে হয়ে যায়, আর ২০ থেকে ২৪ বছরের মেয়েদের মধ্যে তিন ভাগের এক ভাগ ১৫ বছরের আগে বিয়ে হয়ে যায়।http://www.unicef.org/bangladesh/children_4866.htm এ বছর ২২ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রায় ৬০ জন প্রতিনিধি নিয়ে লন্ডনে Girl Summit, 2014 – এ অংশগ্রহণ করে এসেছেন, যেখানে বাল্য বিবাহ বন্ধ করা অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল। সেখান থেকে ফিরে বাল্য বিবাহ রোধের কথা বলে বিয়ের বয়সে মাইনাস টু? তাহলে নিরোধ করা হোল নাকি জায়েজ হোল?

সরকারের (আরো পড়ুন )


বিটি বেগুনের ব্যর্থতা মিথ্যাচার দিয়ে ঢাকা যাবে না

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অর্থাৎ প্রাণ নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং বাংলাদেশে এখন এক হুমকির সৃষ্টি করছে। আমরা জানি, প্রাণের গঠন কাঠামোর গোড়ায় রয়েছে এক ধরনের গঠন সংকেত, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় ‘জিন’। তার সেই গঠনে বিকৃতি ঘটানোর কারিগরি আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। প্রাণের মূল বৈশিষ্ট্যে বিকৃতি ঘটিয়ে যা তৈরি হয়, তাকে বলা হচ্ছে জেনেটিক্যালি মডিফাইড অর্গানিজম বা জিএমও। এটা প্রকৃতির স্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়। অস্বাভাবিক ঘটনা। আর বিকৃতিটা প্রকৃতির মধ্যে ঘটছে না, ঘটছে প্রাণের গঠন সংকেতের মধ্যে। ফলে তার পরিণতিও অস্বাভাবিক হওয়ারই কথা। বিকৃতি ঘটানো বিজ্ঞান কি বিজ্ঞান নয়— এ তর্কে না গিয়েও বলা যায় এই প্রযুক্তি খাটিয়ে বীজে ও ফসলে বিকৃতি ঘটানোর ফল পরিবেশ, মাট (আরো পড়ুন )


জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে পাওয়ার আশা ক্ষীণ

জাতিসংঘের আয়োজনে ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের সভায় কী ফল আসবে তা নিয়ে আগেই অনেকে হতাশ হয়ে আছেন-এ কারণে যে, ধনী দেশ, যারা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি, কার্বন নির্গমনসহ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণগুলোর জন্য প্রধানত দায়ী, তারাই উল্টো উন্নয়নশীল দেশগুলোকে চাপ দিচ্ছে কার্বন নির্গমন কমাবার অঙ্গীকারের জন্য।

অন্যদিকে তারা নিজেরা এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ কিংবা প্রযুক্তিগত সাহায্য দেবে কিনা-তার কোনো ইশারাও নেই। গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (GCF) করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা তাদের জন্য ধার্য অর্থ দেয়ার বিষয়টি নিয়ে অঙ্গীকার করতে দেরি করেই যাচ্ছে। এ গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড মেক্সিকোর কানকুন শহরে ২০১০ সালে অনুষ্ঠিত জলবায়ু (আরো পড়ুন )


বাংলাদেশের অবহেলিত ফল খাদ্যপ্রাণ ও খনিজ লবনের অমূল্য ভান্ডার

বাংলাদেশ প্রকৃতির লীলাভূমি। বার মাসে ছয় ঋতু। ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে গাছ পালা তরু লতা ফুলে ফলে নতুন সাজে সজ্জিত হয়। শাক সবজি, ফলমূল, আবাদি ও অনাবাদি পরিবেশে বেড়ে উঠে। পরিবেশের সাথে তাল মিলিয়ে কৃষকরাও নানান জাতের ফসলের আবাদ করেন। পরিবেশে প্রকৃতির এ সজিবতায় শুধু ফসল চক্রই নয় পশু পাখি, জীব অনুজীব এমন কি জড় প্রকৃতিও যেন নতুন সাজ ফিরে পায়। একে অন্যকে আলিঙ্গন করে। আপন করে নেয়।

আদিম মানুষ বন্য পরিবেশ থেকে যখন স্থায়ী বসতি গড়ে তোলে তখন তাদের প্রথম পছন্দ ছিল ফল। ফল মানব জাতির জন্য প্রকৃতির অমূল্য উপহার। গ্রাম বাংলায় প্রচলিত আছে“জৈষ্ঠ মাস মধু মাস”। অর্থাৎ গ্রীষ্ম কাল ফলের মৌসুম। সত্য কথা, বাংলাদেশে যে সব আবাদি ফল পাওয়া যায় তার প্র (আরো পড়ুন )


শিল্পী ফিরোজা বেগমকে কি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেয়া যেতো না?

শিল্পী ফিরোজা বেগম আর আমাদের মাঝে নেই। সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখে তিনি আমাদের ছেড়ে গেছেন চিরতরে, ঠিক যেমনি করে গেয়েছেন ‘আমি চিরতরে দূরে চলে যাবো তবু আমারে দেবো না ভুলিতে......’। তার এই গানের সুরের রেশ আমাদের কানে লেগে আছে এবং থাকবে। শুধু এই একটি গান নয় অনেক গান। বর্তমান কালের যারা আছেন তাদের কথা জানি না, অন্তত আমরা যারা ছোটবেলা থেকে রেডিওতে তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়েছি, তাদের কাছে নজরুল ইসলামের গান মানেই ছিল ফিরোজা বেগমের গান। তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই, ফিরোজা বেগম একজনই। অনেকে নাম দিয়েছেন নজরুল সঙ্গীত সম্রাজ্ঞী। আসলে তিনি তাই। টানা কয়েকবার সেরা নজরুল সঙ্গীত শিল্পী হিশেবে স্বীকৃত হয়েছেন তিনি। অর্থাৎ তিনি ছাড়া নজরুলের গা (আরো পড়ুন )


নিদান-সিদানের গাছ বনাম ইউনাইটেডের ডেড বডি!

অনেক দিন আগে আমরা একটি গবেষণা করেছিলাম, যেখানে দেখতে চেয়েছিলাম বাড়ির বসতভিটায় যে গাছপালা লাগানো হয় তার কী কী কারণ আছে। বিশেষ করে নারী যখন সে গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নেয় তখন কী কারণ থাকে। অনেক কারণের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে এসেছিল 'নিদান-সিদানের' গাছ। টাঙ্গাইলের কৈজুরী গ্রাম থেকে এ তথ্য পেয়েছিলাম আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে। এর অর্থ ব্যাখ্যা করে গ্রামের মহিলারা বুঝিয়েছিলেন গরিব মা যদি দেখে তার ছেলেরা তাকে মরে যাওয়ার পর দাফন-কাফন করতে পারবে না, তাহলে এ গাছটি কেটে পাড়া-প্রতিবেশীরা অন্তত তার দাফনের ব্যবস্থা করবে। এ নিদান-সিদানের গাছের কথা শুনে চমকে গিয়েছিলাম। মরে যাওয়ার পর কবর দেয়া সন্তানের কর্তব্য, এমনকি সেটা সমাজেরও কর্তব্য। যে মারা য (আরো পড়ুন )


কাপুরুষ ইসরায়েলী বর্বরতার টার্গেট ফিলিস্তিনী নারী ও শিশু!

বাংলাদেশে ঈদ হয়ে গেল ২৯ জুলাই। টেলিভিশনে ঘোষণার পর পর ‘ও মন রমজানের শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানটিও বেজে ওঠে। ঘোষণা হয়েছে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ঈদ আসলেই আনন্দ হবে, এটা স্বাভাবিক। এই শাওয়াল মাসের চাঁদ সারা বিশ্বের মুসলিমদের জন্য একইভাবে আনন্দ নিয়ে আসার কথা। ঈদের চাঁদ। সেই চাঁদ গাজাতেও উঠেছিল। আকাশে মেঘ ছিল না, কিন্তু ইসরায়েলের শেল নিক্ষেপের কারণে আগুন লেগে আকাশ কালো কুন্ডুলি পাকানো ধোয়াঁয় ঢেকে গিয়েছিল। জানি না, ফিলিস্তিনিরা ঈদের চাঁদ দেখেছেন কিনা, তবে ঈদ সেখানেও হয়েছে।

কিন্তু এবার আসলে আমরা বাংলাদেশেও কি আনন্দ করতে পেরেছি? কিংবা যারা করেছেন তাঁরা কি দেখেন নাই ঈদের দিন গাজাতে কি হয়েছে? সেদিন টেলিভিশন যতোই আনন্দ অনুষ্ঠান দ (আরো পড়ুন )


ঈদে পোশাক শিল্পের শ্রমিকরা নিজের পোশাক কিনতে পারবে তো?

ঈদ আসছে। সবাই কেনাকাটা করছে। নানা রংয়ের ও ঢংয়ের পোশাক। ঈদুল ফিতরেই সাবাই মূলত পোশাক কেনে, আপনজনের কাছ থেকে উপহার পায়, নিজেও কেনে। রাজধানী ঢাকায় কোন অজুহাত ছাড়াই যানজট হয়, পনের মিনিটের পথ দুই ঘন্টায় পাড়ি দিতে হয়। এখন তো শপিং মল আছে কিংবা কাপড়ের দোকান আছে এমন জায়গায় গাড়ী ও রিক্সার ভীড় লেগেই আছে। কাপড়ের পাশাপাশি ঈদের আনুসাঙ্গিক জিনিসের কেনাকাটাও হচ্ছে। ব্যাবসায়ীদের জন্য বছরের এই সময়টাতেই তাদের সারা বছরের বিনিয়োগের মূল অংশ উদ্ধার হতে পারে। এর সাথে জড়িত থাকে কর্মসংস্থানের প্রশ্ন। অর্থাৎ ঈদ একদিকে পবিত্র মাহে রমজানের রোজার শেষে ধর্মীয়ভাবে পালনের একটি দিন অন্যদিকে এর সাথে জড়িত রয়েছে দেশের অর্থনীতির একটি বিশাল অংশ। পরিবহন ব্যবসার কথা আর নাই বা বলল (আরো পড়ুন )


বাজেটে কৃষি ও কৃষিমন্ত্রীর 'বিজ্ঞান' খাওয়া

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ৫ জুন দশম জাতীয় সংসদে ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছেন। এ বাজেটে অন্যসব খাতের মতো কৃষি খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৯ হাজার ৬৪৩ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ৭.৬ শতাংশ। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এতে সন্তুষ্ট। বাজেটের পর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অর্থমন্ত্রীর পাশের আসনে বেশ সন্তুষ্ট মনেই বসেছিলেন এবং বলেছেন তিনি যা চেয়েছেন তাই পেয়েছেন, যা স্বাস্থ্য ও শিক্ষামন্ত্রীরা পাননি।

আমরা যারা কৃষকের সঙ্গে কাজ করি তারা বাজেট বক্তৃতা বিস্তারিত পড়ে হতাশ হয়েছি, কারণ এ বাজেট আসলে কৃষকের জন্য নয়, বিজ্ঞানীদের জন্য। তাতে আপত্তি থাকার কথা নয়, কারণ কৃষিতে বিজ্ঞানীদের অংশগ্রহণ কৃষকের অনুকূলে হতে পারে। কিন্তু বাজেটে (আরো পড়ুন )


দেশে কী বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য পাওয়া যায়!

দেরীতে হলেও এটা আশার কথা যে সরকার মানতে বাধ্য হচ্ছেন বাংলাদেশে বিষ মুক্ত খাদ্য পাওয়া এবং খাওয়া দুটোই বেশ শক্ত। নজির হচ্ছে ডেইলী স্টার, ২৮ এপ্রিল ২০১৪ প্রকাশিত সংবাদ শিরোনাম “৪০% খাদ্য বিষাক্ত”। এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে এফএও এর আর্থিক সহায়তায় সরকারী ল্যাবোরেটরিতে খাদ্য শস্যের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে খাদ্য শস্যে বিষাক্ত পেস্টিসাইডের মাত্রা বেশি থাকায় খাদ্য বিষাক্ত। খাদ্য বিষাক্ততার মান ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নিরাপদ খাদ্য মানের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। পরীক্ষিত খাদ্য নমুনায় যে সব খাদ্যে বিষাক্ততা চিহ্নিত হয়েছে, তারমধ্যে রয়েছে- দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্য, ফল, সবজি, শুটকি মাছ। পেস্টিসাইডে বিষাক্ত খাদ্যের মধ্যে ৫০% সবজি, ৩৫% ফল খাদ্য হ (আরো পড়ুন )


বাজেটে কি ভোটারবিহীন নির্বাচনের প্রতিফলন?

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বাজেট ২০১৪-১৫ দশম জাতীয় সংসদে পেশ করেছেন। এ সংসদের ১৫৪টি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় 'নির্বাচিত', আর বাকি আসনগুলোয় যে ভোট হয়েছে তাতে ভোটারের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য। সবচেয়ে বড় কথা দেশের অনেক রাজনৈতিক দল, ছোট-বড় কেউই অংশ নেয়নি। বড় দল বা সাবেক বিরোধী দল বিএনপি এ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। কাজেই বাজেট ঘোষণার জন্য সরকারের জনসমর্থন আছে কিনা বিচার করলে, সেটা নেই। বাজেটে রাজস্ব আয়ের জন্য কর ধার্য করা হয়, জনগণ সেটা মেনে নিয়ে কাজ করে। এবার জনগণের মধ্যে এক ধরনের অনীহা দেখা যাচ্ছে। এ বাজেট কি আমাদের জন্য?

তবুও অর্থমন্ত্রী বাজেট ঘোষণা করেছেন তার নিয়ম রক্ষার জন্য। ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের মোট আকার ধরা হয়েছে (আরো পড়ুন )


ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্যেরও কর বাড়ানো হোক

জাতীয় বাজেটে জনগণের ব্যবহার্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ও বিলাস দ্রব্যের ওপর কর আরোপ করা হলে সে পণ্যের দাম বাড়বে কী বাড়বে না তা নির্ধারিত হয়। আমরা জানি, কর আরোপের সাধারণ উদ্দেশ্য রাজস্ব আয় বৃদ্ধি করা; কিন্তু রাজস্ব বৃদ্ধি করতে গিয়ে জনগণের ওপর যেন চাপ সৃষ্টি না হয় তার দিকেও নজর দিতে হয়। সরকারের দিক থেকে এসব বিষয় লক্ষ্য রাখা অত্যন্ত জরুরি। কর আরোপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ নয়; কিন্তু মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর পণ্যের ব্যবহার কমানো ওই বিশেষ কৌশলে একটি বিশেষ পদক্ষেপ হিসেবে নেয়া যেতে পারে।

এমন কিছু পণ্য আছে যা ক্ষতিকর; কিন্তু দামে সস্তা হওয়ার কারণে ব্যবহার কমানো সম্ভব হয় না। সেক্ষেত্রে উচ্চ হারে কর আরোপ করে দাম বাড়িয়ে দেয়া জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে স্বীক (আরো পড়ুন )


আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবস বড়াইগ্রাম উপজেলা পালিত হয়

গত ২২/০৫/২০১৪ইং তারিখ সকাল ১১: ৩০ ঘটিকায় আন্তর্জাতিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবস (International Day for Biological Diversity 2014) উপলক্ষে এক মানববন্ধন ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও র‌্যালী আয়োজন করেন উবিনীগ, নয়াকৃষি আন্দোলনের প্রাণবৈচিত্র্যের সামাজিক ব্যবস্থাপনা (সিবিএম) প্রকল্প। আন্তর্জাতিক ভাবে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় দেওয়া হয়েছে -দ্বীপ জীববৈচিত্র্য রক্ষা কর। উবিনীগ, নয়াকৃষি আন্দোলেনর পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কৃষি পেক্ষাপটে প্রতিপাদ্য বিষয় দেওয়া হয়েছে “স্থানীয় জাতের বীজ, গাছপালা ও পশু পাখি রক্ষা কর”। এরই লক্ষ্যে বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে একটি মানব-বন্ধন ও র‌্যালীর আয়োজন করা হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত মানববন (আরো পড়ুন )


বিটি বেগুনের অনুমোদিত ‘চাষ’ ও এর ফলাফল: অনুমোদনের শর্ত রক্ষা হচ্ছে না

ভুমিকা

বিটিবেগুন একটি জিএমও বা জেনেটিকালী মডিফাইড অর্গানিজম। ব্যাসিলাস থুরিনজেনসিস (bacillus thuringenesis সংক্ষেপে বিটি) ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্রিসটাল জিন বেগুনে সংযোজন করা হয়েছে। উদ্দেশ্য হিশেবে বলা হয়েছে বেগুনের ফল ও কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। বাংলাদশে কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BARI) এই গবেষণা করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য সংস্থা ইউএসএইডের বিশেষ কর্মসুচী ABSP II এর অধীনে। বিটিবেগুনের বীজ বারি ভারতের মাহিকো কোম্পানি থেকে এনেছেন। তাদের কাজ হচ্ছে বাংলাদেশের কৃষকদের দিয়ে এর পরীক্ষা করা।

বিটি বেগুনের ছাড়পত্রের জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বারি) ২০১৩ সালের জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে (১৪ জুলাই) কৃষক পর্যায়ে (আরো পড়ুন )


চৈত্রসংক্রান্তি ও চৌদ্দ রকমের শাকের আনন্দ

বাংলা সনের বছর শেষ হয় চৈত্র মাসে, তারপরেই আসে বৈশাখ। নতুন বছরের শুরু। শহরের মানুষ ইংরেজি নববর্ষের অনুকরণে বাঙালি কায়দায় নতুন বছর বরণ করে নেয়। সেটা হয় উৎসবমুখর। আজকাল গ্রামেও সাদা শাড়িতে লাল পাড় ও পুরুষদের সাদা-লাল কাপড় পরে বর্ষ বরণ করার রীতি শুরু হয়েছে। আগে পোষাকের বিষয়টা এতো চোখে পড়েনি। গান, নাচ ও মেলায় যাওয়া, বাড়িতে বিশেষ রান্না - সব মিলে অর্থনীতি-সংস্কৃতির মধ্যে একটা মিলমিশ হয়ে গেছে। ব্যাবসায়িরা হালখাতা নিয়ে ব্যস্ত, সঙ্গে চলে মিষ্টি খাওয়ার ধুম।

তবে বাংলায় নববর্ষ বা নতুন বছর আসল ব্যাপার নয়, এটা শুধু ক্যালেন্ডার পরিবর্তনের বিষয়ও নয়। আসল বিষয় সংক্রান্তি। বাংলার গ্রামের সাধারণ মানুষ সময়কে মাস দিয়ে চেনে। বাংলা মাস হিশেবে চৈত্র, বা ব (আরো পড়ুন )


‘ভুল চিকিৎসা’ নিয়ে কিছু কথা

হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসকের হাতে ‘ভুল’ চিকিৎসায় বা অবহেলায় রোগীর মৃত্যু নতুন কোন ঘটনা নয়। শুধু বাংলাদেশে নয়, এই ঘটনা অনেক দেশেই ঘটছে, খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, এবং এশিয়ার বড় বড় হাসপাতালে পর্যন্ত এমন ঘটনা ঘটছে। বাংলাদেশে সরকারী হাসপাতাল হোক বা প্রাইভেট ক্লিনিক কোথাও রোগীরা এমন ঘটনার শিকার হননি বলা যাচ্ছে না। তবে ইদানীং প্রাইভেট ক্লিনিকে এই ঘটনা বেশী শোনা যাচ্ছে। আবার সরকারী বা বেসরকারী হাসপাতালে এমন ঘটনা ঘটলে রোগীর আত্মীয় স্বজনের প্রতিবাদ হচ্ছে আর চিকিৎসকরাও পালটা প্রতিবাদ করছেন। ফলে এখানে বিষয়টি জটিল আকার ধারণ করেছে। মানুষ বুঝতে পারছে না তারা কার পক্ষ নেবেন। অসুখ হলে তো ডাক্তারের কাছেই যেতে হবে, আবার ডাক্তারকে অভিযুক্ত (আরো পড়ুন )


পানি নিয়ে অন্যায় ও অবিচার

বাইশে মার্চ পালিত হোল বিশ্ব পানি দিবস। জাতি সংঘের সংস্থা ইউনিসেফ-এর বরাতে বলা হোল ‘সারা বিশ্বে নিরাপদ পানি সংক্রান্ত সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এমডিজি) অর্জনের প্রায় চার বছর পর এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ‘পানি পাওয়ার সুযোগ একটি মানবাধিকার’ বলে ঘোষণার পরও ৭৫ কোটিরও বেশী মানুষ পানির চাহিদা মেটানো থেকে বঞ্চিত রয়ে গেছে। বাংলাদেশে এই বঞ্চিতদের সংখ্যা ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষ। ১৯৯৩ সালে বিশ্ব পানি দিবস ঘোষণার পর থেকে এই দিবসের একটি প্রতিপাদ্য থাকে; এবারেরটা ছিল পানি ও জ্বালানী সংকট, যা একে অপরের সাথে জড়িত, কিন্তু বাংলাদেশে সুপেয় পানি, নদী-দুষণ ইত্যাদি গুরুত্ব পেয়েছে বেশী।

আমি পানি দিবস নিয়ে লিখছি না, তবে পানি নিয়ে বলার অ (আরো পড়ুন )


নির্যাতন চলছে, তবে নারী জাগরণের প্রেরণা থেমে নেই

সমাজে নারীর প্রতি বৈষম্য, শোষণ, নির্যাতন সব কিছুই যেন নারীকে যুগ যুগ ধরে বেঁধে রেখেছে, নারী সেসব শৃংখল ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে। এখনও, এই ২০১৪ সালেও। এবার আন্তর্জাতিক নারী দিবসের বক্তব্য Inspiring Changes- পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা। তাহলে পরিবর্তন কিছু নিশ্চয়ই আসছে এবং এর পেছনে রয়েছে অনেকের অবদান। নারীদেরই অবদান। আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে স্বাগত জানিয়ে আজকের লেখাটি লিখছি আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রতি অনুপ্রেরণা জোগানোর জন্য। তবে আজকের লেখায় আমি কিছু আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট বেশি ব্যবহার করব আমাদের নিজেদের অবস্থা বোঝার জন্য।

পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটি বড় ধরনের আন্দোলন ছিল নারী ও পুরুষের মধ্যে সমতা অর্জন। এটা একদিকে প্রয়োজন ছিল এ (আরো পড়ুন )


বিশ্ব প্রাণবৈচিত্র্য দিবস

২২ মে, ২০১১ ঢাকা: বিশ্ব প্রাণবৈচিত্র্য দিবসে নায়াকৃষি আন্দোলন, উবিনীগ ও নারীগ্রন্থ প্রবর্তনার উদ্যোগে ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। উবিনীগের নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতার সবার পক্ষ থেকে সেই বিশেষ দিনের তাৎপর্য ব্যখ্যা করে বক্তব্য পেশ করেন। ড, এম এ সোবহান ও গোলাম রাব্বি বাদল সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সীমা দাস সীমু, সাইদা আখতার ও জাহাংগির আলম জনি।

প্রাণবৈচিত্র্য ধ্বংস নিয়ে এতদিন অনেক সাবধান বাণী আমরা শুনেছি কিন্তু আমাদের দেশের সরকার এবং আমাদের দেশের উন্নয়নের জন্য যারা সহযোগিতা করেন তাঁরা কেউ বিষয়টি আমলে আনেন নি, তাই বিশ্ব প্রাণবৈচিত্র্য দিবস ২০১০ পালন করতে গিয়ে এতদিন কত ক্ (আরো পড়ুন )


সংসদে পেছনের সারিতে বসে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন হবে?

বহুবার লিখেছি, নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে আমরা আন্দোলন করেছি একটি দাবি নিয়ে। সেটা হচ্ছে জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য যে আসন সংরক্ষিত আছে, তা সরাসরি নির্বাচিত হোক। নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রশ্ন যখনই ওঠে ততবার এই কথার মীমাংসা জরুরি হয়ে পড়ে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের কী হবে? পৃথিবীর অনেক দেশেই নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা আছে; কিন্তু এভাবে এত দীর্ঘকাল ধরে শুধু মনোনয়নের ব্যবস্থা কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই।

বাংলাদেশে এই দাবি উঠেছে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নারী সংগঠনের সরাসরি অংশগ্রহণের সময় থেকে, ১৯৮৭ সালে। সেটাই ছিল নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের লড়াইয়ের একটি উল্লেখযোগ্য সময়কাল। রাজপথের আন্দোলনে থেকে নারীরা বুঝেছিলেন শুধু স্বৈরাচার হঠ (আরো পড়ুন )


বিটিবেগুন চাই না, কৃষকের প্রতিবাদ

বিটি বেগুন চাষের অনুমোদন প্রত্যাহার এবং কৃষক পর্যায়ে চাষ বন্ধের দাবীতে, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, সকাল ১১টায় গাজীপুর জেলা প্রসাশক ভবনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিটি বেগুন বিরোধী মোর্চা এই প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে। বিটি বেগুন বিরোধী মোর্চা- পরিবেশ সংগঠন, উন্নয়ন সংগঠন, কৃষক সংগঠন, স্বাস্থ্য আন্দোলন নেটওয়ার্ক, শ্রমবিকাশ কেন্দ্র সহ বিভিন্ন সংগঠনের একটি মোর্চা। এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মহিদুল হক খান, ফরিদা আখতার, জাহাঙ্গীর আলম জনি, টাংগাই থেকে আগত কৃষক আক্কাস আলী, কৃষক মাঈনুদ্দীন, কৃষক সুলতানা বেগম ও বাসিরন বেগম, কৃষক জিন্নাত আলী বক্তব্য রাখেন। আরও বক্তব্য রাখেন, পলাশ বড়াল, সাঈদ আহমেদ কবির, রোকেয়া বেগম, সীমা দাস সীমু, আতাউর রহমান মিটন। (আরো পড়ুন )


বিটি বেগুন বা বিকৃত পোকা বেগুনের চাষ কেন

বেগুন একটি অতি পরিচিত এবং দেশ-বিদেশের সব মানুষের প্রিয় একটি সবজি। এটি নানাভাবে রান্না করে খাওয়া যায়। বাংলাদেশের কৃষির অন্যান্য ফসলের মতো এর স্থানীয় জাতের বৈচিত্র্য আছে অনেক। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার হিসাবে আছে অন্তত ২৪৭টি, এলাকাভেদে কৃষকরা কমপক্ষে ৪০ জাতের বেগুন চাষ করেন। তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কীটনাশকনির্ভর হাইব্রিড ও উফশী জাত প্রায় ১৯টি। বাণিজ্যিকভাবে বেগুন চাষ করতে গিয়ে উফশী ও হাইব্রিড বেগুনে ব্যাপক পরিমাণে কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। এ ব্যাপারে পরিবেশবাদী এবং নিরাপদ খাদ্য নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের পক্ষ থেকে অনেক উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

কিন্তু এসব সমস্যার সমাধান না করেই এখন নতুনভাবে আসছে বিটি বেগুন। বলা হচ্ছে, বেগুনের একটি প্রধ (আরো পড়ুন )


বিটি বেগুনের চারা বিতরণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ

গত ২৩ জানুয়ারি, ২০১৪ তারিখ শাহবাগের মোড়ে বিটি বেগুন বিরোধী মোর্চার আয়জনে  মানববন্ধন ও উন্মুক্ত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতি বিবেচনা না করে কৃষকদের মাঝে বিটি বেগুনের চারা হস্তান্তর করায় বিটি বেগুন বিরোধী মোর্চা তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানায়। বিটি বেগুন বিরোধী মোর্চা ২০১৩ সালে বিটি বেগুনের বাণিজ্যিক চাষের উদ্যোগের বিরদ্ধে  স্বাস্থ্য, পরিবেশ, নারী ও মানবাধিকার সংগঠন সমুহের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি মোর্চা। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, বিটি বেগুনের গবেষণায় মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য নিরাপদ প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত যেন বাণিজ্যিক চাষ করা না হয় তার জন্য আন্দোলন করা এবং সচেতনতা সৃষ্টি করা। গতকাল ২২ জানুয়ারি, ২০১৪ তারিখে (আরো পড়ুন )


কৃষিতে সাফল্য বনাম কৃষকের টিকে থাকা

মাঘ মাস চলছে, এখন কৃষির ভরা মৌসুম। একদিকে কৃষকের ঘরে নতুন ধান, অন্যদিকে রবি ফসলে মাঠ রঙ্গীন হয়ে আছে। এই সময় সব ধরণের সবজি, মসলা, তেল ও ধানের ফসল মাঠটাকে নানা রঙ্গে ভরিয়ে তোলে। দেখতে সত্যিই সুন্দর, চোখ জুড়ে যায়। কৃষক আনন্দে থাকে, ঘরে নতুন ধানের চালের নানা পিঠা-গুড় দিয়ে আপ্যায়ন চলছে। শুধু গ্রামে নয়, শহরেও আজকাল পিঠার প্রতি আগ্রহ বেড়েছে। এই সব মিলে বাংলাদেশ আসলেই একটা সুন্দর ও সুজলা-সুফলা দেশ।

এই সবই এদেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের অবদান। তারাই দেশের নানা স্থানে স্থানীয় বৈশিষ্ট্য বজায় রেখে ফসল উৎপাদন করে চলেছেন দিনের পর দিন। তাদের কারণেই ভাতের ধান উৎপাদনের পাশাপাশি পিঠার ধান (যেমন মুক্তাহার, কালরাজ), মুড়ির ধান (ঘিগজ), খৈয়ের ধান (ঝিংগাপোড়া), চিড় (আরো পড়ুন )


“ভগিনীগণ! চক্ষু রগড়াইয়া জাগিয়া উঠুন”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেগম রোকেয়া পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে একটি অতি সত্য কথা বলে ফেলেছেন, যদিও এক পক্ষীয়ভাবে, বিরোধী দলীয় নেত্রীকে দোষারোপ করে। তিনি বুঝেছেন যে দুই নেত্রীকে জনগণ গালি দিচ্ছে। তিনি বলছেন বিরোধী দলীয় নেত্রী হরতাল-অবরোধ দিয়ে মানুষ না মারলে ‘দুই নারী হিশেবে গালি খেতে হতো না’। হরতাল অবরোধ করে যদি শুধু বিরোধী নেত্রীর দোষ হতো তাহলে দুই নারীকে জনগণ গালি দেবে কেন? যিনি অন্যায় করছেন তাকেই দেবে। জনগণ এতো অবিবেচক নয়। কাজেই ব্যাপারটা প্রধানমন্ত্রী স্বীকার না করলেও সত্যি যে আচরণ, প্রতিহিংসাপরায়ণতা এবং দোষারোপ করার দিক থেকে তারা দুই নেত্রী তাদের জায়গা থেকেই মূল্যায়ন করে। তারা বিষয়টি ভালোভাবে নিচ্ছে না, তাই দুই নেত্রীকেই প্রধান (আরো পড়ুন )


এক তরফা নির্বাচন বন্ধ কর, নির্যাতন নিপীড়ন ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ করুন

গত ৭ ডিসেম্বর বিকেল ৩টায় শাহবাগ জাদুঘরের সামনে সম্মিলিত নারী সমাজের আয়োজনে কালো পতাকা প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে বিভিন্ন নারী সংগঠন, শ্রমিক ও নানা পেশার নারীরা অংশ্রগ্রহণ করেন, সম্মিলিত নারী সমাজ দাবী জানায় এক তরফা নির্বাচন বন্ধ কর, নির্যাতন, নিপীড়ন ও আগুনে পুড়িয়ে হত্যাকাণ্ড বন্ধ কর এবং জনগণের গনতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা কর। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সম্মিলিত নারী সমাজের নেত্রী ফরিদা আখতার, বক্তব্য রাখেন সীমা দাস সীমু, সামিয়া আফরিন, ফিরোজা বেগম, রোকেয়া বেগম, শাহীনুর বেগম,রওশন আরা রুশো, শম্পা বসু, ফেরদৌস আখতার লিলি সহ আরও অনেকে।

বক্তারা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দুই নেত্রীর উদ্দেশ্যে দাবী জ (আরো পড়ুন )


রাজনৈতিক আগুনের নিষ্ঠুরতা : আমাদের তো চুপ করে থাকার কথা নয়

গত ক’দিন বিরোধী দলের ডাকা অবরোধ কর্মসূচি চলছে, একইসঙ্গে চলছে নানা ধরনের রাজনৈতিক ‘সহিংসতা’। সহিংসতার সঙ্গে উদ্ধৃতি চিহ্ন দিলাম এই কারণে যে, সমাজে একটা ধারা আছে, যারা অবরোধ কর্মসূচি নাকি হরতাল সে ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়ে ঠিক করতে পারছেন না, ঠিক কীভাবে নিজেদের কাজকারবার করবেন। যারা সরাসরি অবরোধের বিরোধিতা করছেন এবং তাদের দাবি সঠিক নয়, এটা প্রমাণ করতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য এই সময়ে ঘটে যাওয়া সহিংসতার মাত্রা কতখানি তা দিয়ে আন্দোলনের যৌক্তিকতা বিচার করছেন। ট্রেনের লাইন বা ফিশপ্লেট তুলে ফেলা, রাস্তায় গাছ কেটে ফেলে রেখে রাস্তায় চলাচল বন্ধ করে দেয়া, সিএনজি, লেগুনা ও বাসে আগুন লাগানো,ককটেল ফোটানো-কোনোটাকেই ভালো কাজ বলার অবস্থা নেই।

(আরো পড়ুন )

৩০০ আসনে নির্বাচন : বাকি ৫০টির কী হবে?

একদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে কি হবে না সংশয়, অন্যদিকে সরকারি দলের প্রস্তুতি চলছে মনোনয়নপত্র বিক্রির। এ যেন এক উৎসব। নাচানাচি হচ্ছে, ঢোল বাজছে। তবে এ উৎসবে আসনসংখ্যা গনা হচ্ছে ৩০০। মনে হচ্ছে এগুলো বেশির ভাগ পুরুষদের জন্য নির্ধারিত। মোটরসাইকেল র?্যালি করে এসে মনোনয়ন চাওয়ার মধ্যে তাই প্রতীয়মান হয়। তারা সবাই ৩০০ সাধারণ আসনের মধ্যে নিজ নির্বাচনী এলাকার মনোনয়নপত্র কিনছেন ২৫ হাজার টাকা দিয়ে। এরই মধ্যে সবার অজান্তে থেকে যাচ্ছে ৫০টি আসন, যা সংরক্ষিত নারী আসন নামে পরিচিত। যখন সংসদ অধিবেশন চলে তখন যিনি চালান অর্থাৎ স্পিকার, তিনি যে আসন থেকে এসেছেন সে আসনও এখন গনার বাইরে। এ বড় অদ্ভুত ব্যাপার। এ আসনগুলোর মর্যাদা কখন বাড়ে বা কমে তা বোঝার উপায় নেই। স্প (আরো পড়ুন )


স্বাস্থ্য ও পরিবেশ ঝুঁকির সম্ভাবনা রেখেই বিটি বেগুনের অনুমোদন?

সকল ধরণের উদ্বেগ উৎকন্ঠার তোয়াক্কা না করেই শেষ পর্যন্ত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় বিটি বেগুনের “শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন” প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারী করেছে। বোঝাই যাচ্ছে যারা এই অনুমোদন দিয়েছেন তাঁরা নিজেরাই নিশিচত নন যে এই বেগুন আসলেই নিরাপদ কিনা। অথচ এই কথা পরিবেশবাদী ও কৃষকদের নিয়ে কাজ করেন এমন সংগঠন গুলো এতোদিন ধরে বলে আসছেন। তাঁরা দাবী জানিয়েছিলেন মানুষের স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও স্থানীয় জাতের বেগুনের ওপর এর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে কিনা নিশ্চিত না হয়ে যেন অনুমোদন না দেয়া হয়। এই একই কারণে ভারত ও ফিলিপাইনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু সে কথার কোন গুরুত্ব সরকার দেন নি। এমনকি বিশ্বের নামকরা বিজ্ঞানীরা মাননীয় প্রধান মন্ (আরো পড়ুন )


বিটিবেগুন অনুমোদন প্রক্রিয়া বন্ধ করুন

বাংলাদেশে বেগুনের মতো সব্জি একেবারে সাধারণ মানুষের খাদ্য এবং পুষ্টির উৎস। বেগুন কৃষকের বাড়তি আয়ের সুযোগ করে দেয়। বাংলাদেশ বেগুনের শত শত জাতের আদি উৎপত্তিস্থল। সেইদেশে হঠাৎ বিনা কারণে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ জেনেটিকালী মডিফাইড বেগুন বা বিকৃত বেগুন কৃষক পর্যায়ে চাষের অনুমতি চাওয়ার যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তার কোন যুক্তি নাই। বাংলাদেশে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। জিএমও বিরোধী গণমোর্চা ইতিমধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং পরিষ্কার বলেছে বাংলাদেশে এই ধরণের বিকৃত বেগুনের কোন প্রয়োজনীয়তাই নাই।

বাংলাদেশে ২০০৯-১০ সালের পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিশাব অনুযায়ী রবি এবং খরিফ মৌসুমে মোট ১১৫৪২৪ একর জমিতে ৩৪১২৬২ মেট্রিক টন ব (আরো পড়ুন )


খাদ্য উৎপাদ্ন নিরাপদ করার প্রশ্নে

এক

জেনেটিকালি মডিফাইড (GM) বীজ বা বিকৃত বীজের প্রতি নীতিনির্ধারকদের পক্ষপাতিত্ব বাংলাদেশের কৃষিব্যবস্থাকে সর্বনাশের দিকে নিয়ে যাবার বিপদ তৈরী হয়েছে। অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের সমাজে এ ব্যাপারে সচেতনতা কম। এটা বিপজ্জনক। বাংলাদেশে জেনেটিকালী মডিফাইড (জিএম) শস্য বা খাদ্য উৎপাদনের গবেষণা দেশে বিদেশে নানা আপত্তি সত্ত্বেও চলছে। মনসান্টো, সিনজেন্টা ও আরও বহুজাতিক কোম্পানি আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক সাহায্য সংস্থা, সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং কৃষি বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রায় এক যুগ ধরে বিকৃত বীজের ওপর গবেষণা করে আসছেন। তাঁরা বলছেন খাদ্য উৎপাদনের জন্ (আরো পড়ুন )


দেশী বেগুন চাইলে বিটি বেগুন না

স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্যের ঝুঁকি নিয়ে বিটি বেগুনের অনুমোদন দেয়া যাবে না এবং স্থানীয় জাতের বেগুন রক্ষা করতে হবে বিষয়ে ১৮ জুলাই, ২০১৩ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট (বারি) এবং গাজীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় ঢাকা শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর জেলায় অবস্থিত।তাই এই মানবব বন্ধনের আয়োজন সেখানেই করা হয়।উবিনীগ, নয়াকৃষি আন্দোলন ও স্বাস্থ্য আন্দোলনের সদস্যরা এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানবন্ধনে অংশ নেয়ার জন্য পাবনার ঈশ্বরদী থেকে নয়াকৃষির কৃষক নিহার বানু, হাফিজুর রহমান, মরিয়ম বেগম ও এলাহি বক্স,এবং টাংগাইল থেকে আক্কাছ আলী, (আরো পড়ুন )


বিকৃত বেগুন (বিটি বেগুন) চাষ বন্ধ কর

মানুষের --  বিশেষত কৃষকের স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্যে হুমকি হওয়ার কারণে যে বিকৃত বেগুন অন্যন্য দেশে নিষিদ্ধ হয়েছে বাংলাদেশে সেই বেগুন কৃষকের মাঠে চাষের অনুমোদন দেয়ার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে নয়াকৃষি আন্দোলন ও উবিনীগ। বিটি বেগুন  নিরাপদ কিনা তা মোটেই প্রমানিত নয়। দেশে এতো বেগুন থাকার পরেও বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থাকে বহুজাতিক কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ জানাতে নয়াকৃষি আন্দোলনের কৃষক ও উবিনীগের গবেষকরা আহ্বান জানিয়েছেন।

সম্প্রতি জুনের (২০১৩) মাঝামাঝি সময়ে বিটি বেগুন এর বীজ কৃষক পর্যায়ে চাষ করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ে অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বারি)।বেগুনের মতো অতি পরিচিত এ (আরো পড়ুন )


ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু

ভুল চিকিৎসায় মা ও নবজাতক দুজনেই মারা গিয়েছেন

চিকিৎসকের অবহেলা ও ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর খবর ইদানিং খুব বেশি ঘটছে। পত্রিকা খুললেই এই দুঃসংবাদটি চোখে পড়ে । যেখানে সরকার মাতৃমৃত্যু এবং শিশুমৃত্যু রোধ করার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। সেই সময়ে এই মৃত্যুর সংবাদ খুবই বেদনা দায়ক। চিকিৎসকের অবহেলা,ভুল চিকিৎসায় জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে প্রসূতি মৃত্যু হয়েছে ১৯ জন। চিকিৎসকের অবহেলায় ও ভুল চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে ১৮ টি নবজাতকের। দেখা গেছে বেশির ভাগ মৃত্যু হয়েছে বেসরকারী বা প্রাইভেট ক্লিনিকে। সরকারী হাসপাতালে যে সব মৃত্যু হয়েছে (আরো পড়ুন )


সংরক্ষিত আসনে বিশেষ সুবিধা কার?

 জাতীয় সংসদে সাধারণ আসন সংখ্যা ৩০০ আর নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৫০টি, অর্থাৎ মোট ৩৫০ টি আসন রয়েছে।কিন্তু সামনে জাতীয় নির্বাচন নিয়ে এতো বিতর্কের মধ্যে যে বিষয়টি পরিস্কারভাবে কোন আলোচনায় আসছে না, সেটা হচ্ছে নির্বাচন আসলে কত আসনে হচ্ছে? জানি, অনেকে বলবেন, এখানে বলাবলির কি আছে, ৩০০ আসনে নির্বাচন হয়ে নির্বাচিত সদস্যরাই নারীদের মনোনয়ন (তাঁদের ভাষায় নির্বাচিত করে) দেবেন!সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচনের জন্য নারী আন্দোলনের দীর্ঘ দিনের দাবী উপেক্ষিত হচ্ছে ক্রমাগতভাবে।

হ্যাঁ, দুঃখের বিষয় হচ্ছে, এটাই নিয়ম সাংবিধানিকভাবে। ১৯৭১ সালে নয়মাসের মুক্তিযু (আরো পড়ুন )


আফ্রিকার 'নেরিকা'  নিয়ে কৃষিমন্ত্রীর কাণ্ড

কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরি ২০০৯ সালে উগান্ডা থেকে নেরিকা নামে একটি ধানের জাত নিয়ে আসেন। এই ধানের জাতটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগে আফ্রিকার জন্যই উদ্ভাবন করা হয়েছিল। এর গবেষণার জন্য যেমন বিপুল পরিমান অর্থ খরচ করা হয়, তেমন তার সাফল্য প্রচারের পেছনেও অর্থ খরচ করা হয় প্রচুর। বেশ কয়েকটি ধনি দেশ, আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বহুজাতিক বীজ কোম্পানি মিলে আফ্রিকায় নেরিকার সাফল্য প্রমাণ করতে ব্যস্ত। এই সাফল্যের দাবি নিয়ে সন্দেহ ছিল শুরু থেকেই। কিন্তু আফ্রিকার খাদ্য সমস্যার সমাধানের কথা বলে সে সকল সন্দেহকে উড়িয়ে দেওয়া হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় নতুন অজুহাত। যেমন, জলবায়ুর পরিবর্তন। নেরিকা ধানের জাতে বিভিন্ন সমস্যার (আরো পড়ুন )


বিকৃত বেগুনের প্রচার

 তরিতরকারীর মধ্যে বাংলাদেশে্ বেগুন সবারই অত্যন্ত পছন্দের। খুব আনন্দ করেই আমরা এই সব্জি খাই।কিন্তু আতংকের বিষয় এই বেগুনে অন্য প্রজাতির ‘জীন’ ঢাকানো হচ্ছে। বেগুনের স্বাভাবিকত্বের হানি ঘটিয়ে এই বিকৃতির দরকার কি? বলা হচ্ছে, যে বেগুন আমরা এতকাল খেয়ে এসেছি সেই বেগুনে নাকি দোষ আছে। দাবি করা হচ্ছে, ‘ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা ছোট ছোট বেগুন গাছের কচি ডগা ছিদ্র করে ভেতরে প্রবেশ করে এবং খায়। কীড়া কচি ও বাড়ন্ত বেগুন ছিদ্র করে ভিতরের নরম শাঁস খায়’ ইত্যাদি। এই তথ্য কারা প্রচার করছে? করছে ভারত থেকে প্রকাশিত ABSP II এর বিটি বেগুনের ওপর স (আরো পড়ুন )


বিষাক্ত তামাকের হাত থেকে জীবন রক্ষা চাই

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন

কিছু তথ্য ভয়াবহ। যেমন, তামাক ব্যবহারের প্রত্যক্ষ্ ফল হিসেবে প্রতি বছর ৩০ বছরের বেশী বয়স্ক জনগোষ্ঠির মধ্যে প্রতি বছর ৫৭,০০০ জন মৃত্যু বরণ করেন এবং ৩,৮২,০০০ জন পঙ্গুত্ব বরণ করেন। এই তথ্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার। এই সংখ্যা প্রতি বছরের। গত দশ বছরের হিশাব নিলে মাথা ঘুরে যাবে। আবার নিজে ধূমপান না করেও অন্যের ধূমপানের ফলে কর্মক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ১ কোটি ১৫ লক্ষ মানুষ। বাড়ী ঘর, রাস্তা ঘাটের হিশাব নিলে এই সংখ্যা দুই তিনগুণ বেড়ে যাবে। বলা বাহুল্য, এর শিকার প্রধানতঃ নারী।

বাংলাদেশে ১৫ বছরের বেশী জনগোষ্ঠির মধ্যে ৪৩.৩% মানুষ কোন না কোনভাবে তামা (আরো পড়ুন )


বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, ২০১২

প্রজনন স্বাস্থ্যের প্রতি অবহেলা ও বিজিএমইএ সমাচার!

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ছিল ১১ জুলাই।সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠন পালন করেছেন নিয়মানুযায়ী।কিন্তু একটু অবাক হলাম দেখে যে জাতি সংঘের দেয়া প্রতিপাদ্য Universal Access to Reproductive Health Services বা সার্বজনীন প্রজনন স্বাস্থ্য সেবার প্রাপ্যতা নিয়ে যেন কারো কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। এগারো তারিখের পত্রিকা খুললে মনে হবে সেদিন বাংলাদেশে জন সংখ্যা কত, কোন জেলায় জন্মহার বেশী বা কম,আদম শুমারীর ফলাফল কি ইত্যাদী তথ্য দিয়ে ভরা। আরও লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে এই দিনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প ক্ষ থেকে কোন ক্রোড়পত্রও ছিল না।

এতোদিন (আরো পড়ুন )


জাতীয় বাজেট, ২০১২ ও স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্যখাতে বাজেট বরাদ্দ বাড়াও - স্বাস্থ্য আন্দোলন

স্বাস্থ্য আন্দোলন  বিগত তিন বছর ধরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়াবার জন্য দাবি জানিয়ে আসছে। প্রায় কোন সরকারের আমলেই স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ৭% পর্যন্ত যায় নি। ২০০৭-০৮ থেকে ধরলে গড়ে ৬.৪% যা মোট জিডিপির মাত্র ১%। চলতি অর্থবছরের (২০১১-১২) জাতীয় বাজেটে উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন মিলিয়ে স্বাস্থ্যখাতে মোট বরাদ্দ তার চেয়েও কমে গিয়েছে, বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মোট বাজেটের ৫.৪% এবং মোট জিডিপির মাত্র ০.৯৮%। আন্তর্জাতিক বিধি অনুসারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একটি দেশের উন্নয়নের জন্য জ (আরো পড়ুন )


তাবিনাজের কর্মশালা

তামাকজাত দ্রব্যের ওপর কর বাড়াও - তামাক বিরোধী নারী জোট

ধূমপান এবং ধোঁয়াবিহীন তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার ও এর ক্ষতির শিকার শ্রমজীবী মানুষেরাই হচ্ছে সবচেয়ে বেশী। সার্বিকভাবে তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহারে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে নারীরা। এই অপূরণীয় ক্ষতি রোধ করতে হলে অবিলম্বে আমাদের সচেতন কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। ধোঁয়াবিহীন যেমন-জর্দা, গুল, সাদাপাতা সহ সকল তামাকজাত দ্রব্যের কর বৃদ্ধির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্টিকে ধূমপানে নিরুৎসাহিত করা সম্ভব এই আহ্বানে তামাক বিরোধী নারী জোট (তাবিনাজ) ‘তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ (আরো পড়ুন )


সামুদ্রিক সম্পদ রক্ষা:  বিশ্ব প্রাণ বৈচিত্র দিবস, ২০১২

সামুদ্রিক সম্পদ সম্পর্কে আমাদের অসচেতনতা রয়েছে। একে রক্ষা জরুরী। দুই হাজার বারো সালের পরিবেশ দিবসে এটাই ছিল প্রধান বিষয়।

২২ মে, ২০১২ বিশ্ব প্রাণবেচিত্র্য দিবস। বিশ্ব প্রাণবৈচিত্র্য দিবস উপলক্ষে বীজবিস্তার ফাউনডেশান ও নয়াকৃষি আন্দোলন যৌথভাবে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানব বন্ধনের অয়োজন করে। বিকেল ৩ টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত এই মানব বন্ধ চলে। মানব বন্ধনে উপস্থিত সদস্য ছিলেন প্রায় ১০০ জন। এই দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল।“সমুদ্রের সম্পদ রক্ষা করা আমাদের কর্তব্য।” মানব বন্ধনটি পরিচালনা করেন বীজবিস্তার ফাউনডেশানের সদস্য সীমা দাস সীমু। সীমা দাস সীমু বলেন, এই পৃথিবীতে সকলের বাঁচার অধিকার (আরো পড়ুন )


ডারবান জলবায়ু সম্মেলন

পরিবেশ সম্মত কৃষি এনে দেবে কোটি মানুষের খাদ্যের নিশ্চয়তা

জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন কপ-১৭ ডারবানে শুরু হয়েছে ২৮ নভেম্বর, শেষ হবে ডিসেম্বর ৯ তারিখে। বাংলাদেশে এই উপলক্ষে আর কিছু না হোক পরিবেশ মন্ত্রী ডা. হাছান মাহমুদের পদোন্নতি ঘটেছে। আগে তিনি গেছেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে, এবার যাচ্ছেন পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে। যদিও এর ফলে ডারবানে বাংলাদেশের কদর কতখানি বাড়বে বা হিশাব নিকাশে কি বদল ঘটবে তা বলা মুশকিল। আমাদের চিন্তা এই মুহুর্তে সার্বিকভাবে জলবায়ূ পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিতে রয়েছে এমন দেশ গুলোর ভবিষ্যত কি হবে? ধনী দেশগুলো আসলেই তাদের দায়িত্ব পালন করবে কি?

কিওটো প্রটোকল ১৯৯৭ সালে শুরু হয়েছে (আরো পড়ুন )


বেহাল সড়ক, বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা

বেহাল সড়ক, অকার্যকর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের মরণদশা

বেশ কিছুদিন ধরে মৃত্যুর খবরে এই দেশের মানুষ জর্জরিত। প্রতিদিনই কম পক্ষে একটি করে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে, নিহত আহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে, বাড়ছে ঘরে ঘরে কান্নার রোল, কিংবা নির্বাক হয়ে চেয়ে থাকা। আজ মনে পড়ছে গত মে মাসে আমাদের একজন সহকর্মী মিজান (মুসা) টাঙ্গাইল থেকে ঢাকা আসার পথে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে মারা যায়, আমরা তখন কেউ মেনে নিতে পারি নি। ট্রাকটি মেরে দিয়ে চলে গিয়েছিল, থামে নি। সকলে কেঁদেছি, কিন্তু কিছু করতে পারি নি। আমাদের মধ্যে তার শুন্যতাই বিরাজ করছে, অন্যদিকে তার দুটি অবোধ শিশু সন্তান আজও মনে করে বাবা ফল নিয়ে বাড়ি আ (আরো পড়ুন )


বাণিজ্যিক গাছ দিয়ে বন হয় না

প্রাকৃতিক বন রক্ষা করুন

ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে ১৯৯২ সালে বিশ্ব পরিবেশ সম্মেলনে প্রাণবৈচিত্র্য সনদ বা Convention on Biological Diversity (CBD) গৃহিত হয়েছে। কিন্তু তার আগে এর প্র্রস্তুতির কাজ হয়েছে মে মাসে নাইরোবীতে; নাইরোবী ফাইনাল এ্যক্ট অব দা কনফারেন্স ২২ মে, ১৯৯২ তারিখে এই সনদের বক্তব্য অনুমোদন করে। সেই দিনকেই বিশ্ব প্রাণবৈচিত্র্য দিবস হিশেবে পালন করা হয়। আর বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয় ৫ জ়ুন, যে দিন রিও ডি জেনেরিওতে বিশ্ব পরিবেশ সম্মেলনে প্রাণবৈচিত্র্য সনদ স্বাক্ষরিত হয়। পরিবেশ দিবসে অন্যান্য অনেক বিষয় আসে, কিন্তু প্রাণবৈচিত্র্য ধ্বংসের প্রক্রিয়া ভয়াবহ ভাবে অব্যাহত রয়েছে বলে যে কোন পরিব (আরো পড়ুন )


এনথ্রাক্স

শাহজাদপুরে এনথ্রাক্সঃ একটি সরেজমিন প্রতিবেদন।

দৈনিক পত্রিকা পড়ে জানি সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের অধীনে চিথুলিয়া গ্রামে একটি গরু এনথ্রাক্সে অসুস্থ্ হয়েছে। গরুর মালিক মো: আ: ছালাম, পিতার নাম মৃ: দারেক মোল্লা। খবরে পড়ি, অসুস্থ্ গরু জবাই করে খাওয়ার পর বেশ কয়েক জন অসুস্থ্ হন।

অগাস্ট মাসের ২৭ তারিখে চিথুলিয়া গ্রামে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেই। বানতিয়ার গ্রাম থেকে নৌকা, ভ্যান ও রিক্সা যোগে শাহজাদপুর বিসিক বাসষ্ট্যান্ড যাই। বাসষ্ট্যান্ড থেকে সিএনজি যোগে সরিষাকোল, সরিষাকোল থেকে জগন্নাথপুর বাজার ভ্যান, জগন্নাথপুর বাজার থেকে নৌকায় বনগ (আরো পড়ুন )


উপজেলা স্বাস্থ্য সেবা

উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও ভুল চিকিৎসার খতিয়ান

বাংলাদেশে সরকারী স্বাস্থ্য সেবা দেয়ার মাধ্যম গ্রামের মানুষের জন্য উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রকেই ধরা হয়। এ ছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং কমিউনিটি ক্লিনিক থাকলেও সেখানে স্বাস্থ্য সেবা পুর্ণাংগ নয়, কারণ ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা মুলত পরিবার পরিকল্পার জন্যে, তাই এখানে সব ধরণের রোগের চিকিৎসা সেবা দেয়ার ব্যবস্থা নেই।

আমরা জানি, ৩১ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা পর্যায়ে হাসপাতালে ৯ জন, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা হাসপাতালে ২০ জন চিকিৎসক পদ রয়েছে, এর মধ্যে বিশেষজ্ঞ পদ (গাইনী, সার্জারী, ইএনটি এবং মেডিসিন) ৪টি রয়েছে। সাধা (আরো পড়ুন )


দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষম ধানের জাত ও নয়াকৃষি

দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষম ধানের জাত চাষ করে নয়াকৃষি

‘‘দুর্যোগ মোকাবেলা করতে পারে এমন ধান উদ্ভাবন করুন’ - প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা

বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরষ্কার বিতরনের সময় প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্যা, খরা, লবণসহিঞ্চু জাতের ধান উদ্ভাবনের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন (যায়যায় দিন ২৭  জুলাই ২০১০)। বিশেষত পানি, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক কম লাগে এমন জাতের ধানের জন্য প্রধান মন্ত্রীর উদ্বেগ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে মানুষের তৈরি দুর্যোগের ভয়াবহতা আরো গভীর এবং দীর্ঘস্থায়ী। কারণ উফশীজাত যা হাইব্রিড ধানের আর্শীবাদে বাংলাদ (আরো পড়ুন )


হাইব্রিড ধানের ব্যবসা

লাল সবুজ একাকার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৩৯-৪৫) পৃথিবী দুই শিবিরে বিভক্ত হয়। একদিকে মিত্রশক্তি (Allied Power) -- প্রধান অংশীদার গ্রেটবৃটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং তাদের সহযোগী দেশ ও উপনিবেশ।অন্যদিকে চক্র শক্তি (Axis Power)| গুরুত্বপূর্ণ শক্তি জার্মানী, ইটালী, জাপান ও তাদের সহযোগী দেশ সমূহ। যুদ্ধে মিত্র শক্তি বিজয়ী হয়। বিজয়ের ফলাফল ভাগাভাগিতে মিত্রশক্তির মধ্যে মতানৈক্য সৃষ্টি হয়। মতানৈক্য থেকে শুরু হয় ঠান্ডা লড়াই (Cold war)| ঠান্ডা লড়াইতে পৃথিবী আবার দ্বিধাবিভক্ত হয়। একদিকে আমেরিকার নেতৃত্বে পুঁজিবাদী সমাজ ব্যবস্থার সমর্থক গ্রেট-ব্রিটেন, ফ্রান্স এ (আরো পড়ুন )


আমাদের আয়শা

আয়শা আক্তারজন্ম : ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৯ ইং / মৃত্যু : ২৪ ফেব্রুয়ারি , ২০১০

আয়শা আক্তার যেদিন ১৯৯২ সালে নবপ্রাণ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন সেদিন থেকেই তিনি মনপ্রাণ দিয়ে একে গড়ে তোলার কাজে নিজেকে নিয়োগ করেছিলেন। হয়ে উঠেছিলেন তার মুল সংগঠকদের একজন। নবপ্রাণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অসামান্য। তিনি নবপ্রাণ আন্দোলনের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিল্পী ছিলেন তো অবশ্যই, কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে নবপ্রাণ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অন্যান্যদের সাথে আয়শা আক্তার নিজেকে যেভাবে উৎসর্গ করেছিলেন তার তুলনা চলেনা।

নবপ্রা (আরো পড়ুন )


জিএম বেগুন ক্ষতিকরঃ প্রতিরোধ করুন

আমাদের প্রিয় বেগুনকে দূষিত করবার পাঁয়তারা চলছে

সবজির মধ্যে বেগুন পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই আছে। যাঁরা রান্না করেন তাঁদের কাছেও বেগুন খুবই প্রিয়। এটা রান্না করতে সহজ, সময় কম লাগে, আবার খেতেও মজা। ইলিশ মাছ দিয়ে রান্না, শুঁটকি কিংবা শুধু আলু দিয়ে ভাজি করা যায়। খিচুড়ি করলে আর কিছু না থাক, চাকা করে কেটে সরিষার তেলে ভেজে বেগুন অত্যন্ত মজা করে খাওয়া যায়। তাছাড়া বিশেষ রকম বেগুন রান্নার জন্য রান্নার বইগুলোতেও অনেক প্রণালী পাওয়া যায়। তার মানে যত সহজই হোক, বেগুনের রকমারি রান্নার নিয়ম রয়েছে। আরও মজার কথা হচ্ছে, চৈত্র মাসে তিতা গিমাশাক একটু বেগুনসহ রান্না করলে (আরো পড়ুন )


প্রাণের সুরক্ষা ও পরমার্থ প্রতিষ্ঠার লড়াই

‘কি মহিমা করলেন গো সাঁই, বোঝা গেল না !’

ফকির লালন শাহ: প্রাণের সুরক্ষা ও পরমার্থ প্রতিষ্ঠার লড়াই

ছেঁউড়িয়া সাঁইজীর ধাম - এখানে ফকির লালন শাহের সমাধিক্ষেত্র। তিনি চিরনিদ্রায় শুয়ে আছেন, তাঁর সমাধির পাশেই তাঁকে লালন পালন করেছেন যে মা সেই ফকির মতিজানের কবর। তাঁর ইচ্ছানুসারেই দুই জনে পাশাপাশি শুয়ে আছেন। বাংলা ১২৯৭ পয়লা কার্তিক (ইংরেজী ১৭ অক্টো (আরো পড়ুন )